1. dailybanglarkhabor2010@gmail.com : দৈনিক বাংলার খবর : দৈনিক বাংলার খবর
রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ০৯:৪৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
ক্রিকেটবিশ্বের কাছে সহায়তা চাইলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন ওবায়দুল কাদের বাংলাদেশিকে ধরিয়ে দিতে বড় অঙ্কের পুরস্কার ঘোষণা এফবিআইয়ের মাওলানা লুৎফুর রহমানের নামাজে জানাজা বাইতুল মোকাররমে জাতীয় পরিচয়পত্রে নামের সংশোধন চেয়ে আবেদন করেছিলেন অভিশ্রুতি পাইকগাছার ৩ ব্যক্তিকে জেল-জরিমানা বাগেরহাটে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টা, ভ্যান চালক আটক মোরেলগঞ্জে দাখিল পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের অপরাধে যুবক আটক, ২১ শিক্ষককে অব্যাহতি, ৩ জনের নামে মামলা বাগেরহাটে প্রেসরিলিজ গাইড লাইন ও ভিডিও এডিটিং কর্মশালা খালিশপুর কলেজিয়েট গার্লস স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

ডুমুরিয়া ফুলতলা আসনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী- ৯ জামায়াত-১ ও বিএনপি-২

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৩
  • ১২৮ বার পড়া হয়েছে

অরুণ দেবনাথ, ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি::আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় কোন্দলের কারণে হাতছাড়া হতে পারে আওয়ামীলীগের রিজার্ভ খুলনা-৫ আসন। দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা ও বিগত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ দুই ভাগে বিভক্তি হওয়ার কারণে হিন্দু অধুষ্ঠিত ডুমুরিয়া ফুলতলা আসনটি আওয়ামীলীগের হাতছাড়া হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে ডুমুরিয়ায় এই দ্বিধা বিভক্তি লক্ষ করা গেছে। যার প্রভাব দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে বিরাজ করছে। ডুমুরিয়া উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়ন ও ফুলতলা উপজেলার ৪ টি ইউনিয়ন নিয়ে খুলনা ৫ আসন তথা সংসদীয় আসন ১০৩ গঠিত। ডুমুরিয়া-ফুলতলা নির্বাচন কমিশন অফিস সূত্রে জানা যায় ,খুলনা-৫ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৮৩ হাজার ২শ ৬৯ জন। এর মধে ̈ ডুমুরিয়া উপজেলায় ভোটার সংখ্যা ২ লক্ষ ৬৯ হাজার ৪শ ৮১ জন। ফুলতলা উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ১৩ হাজার ৭শ ৮৮ জন। মোট ভোটারের মধ্যে হিন্দু ভোট প্রায় ৮৫ হাজার।
জানা যায়, ১৯৭৩ ও ১৯৭৯ সালে এ্যাডঃ সালাহউদ্দিন ইউসুফ নৌকা প্রতীক নিয়ে জয়লাভ করেন। ১৯৮৬ ও ১৯৮৮ সালে লেঃ কর্নেল (অবঃ) এইচ এম এ গাফফার (বীর উত্তম) জাতীয় পার্টি হতে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে জয়লাভ করেন। ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে এ্যাডঃ সালাহউদ্দিন ইউসুফ আবারও নৌকা প্রতীক নিয়ে জয়লাভ করেন। ১৯৯৬ সালে ডাঃ গাজী আব্দুল হক (১৫ ফেব্রæয়ারী) ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে জয়লাভ করেন। ২০০০ সালে নারায়ণ চন্দ্র চন্দ উপ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্ব›িদ্বতায় নৌকা প্রতীক নিয়ে জয়লাভ করেন। ২০০১ সালে জামায়াতের প্রার্থী হয়েও অধ্যাপক মিয়া গোলাম
পরওয়ার দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে জয়লাভ করেন। এরপর আবার নৌকা প্রতীক নিয়ে নারায়ণ চন্দ্র চন্দ জয়লাভ করেন। ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ সালে (২০১৪-বিনা প্রতিদ্ব›িদ্বতায়) তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে জয়লাভ করেন। সার্বিক দিক বিবেচনা করলে দেখা এ আসনটি আওয়ামী লীগের রিজার্ভ আসন। কিন্তু লক্ষ করা গেছে দলীয় কোন্দলের কারণে তাদেও রিজার্ভ এ আসনটি হাতছাড়া হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে , দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসন থেকে আওয়ামীলীগের ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন চাইতে পারে। এরা হলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাবেক মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ এমপি , জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার আবু সালেহ, ফুলতলা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আকরাম হোসেন , দৈনিক পধবর্তন সম্পাদক মোস্তফা সরোয়ার , খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অর্জয় সরকার, খুলনা সদর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও
খুলনা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাডঃ সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রকৌশলী মৃনাল কান্তি জোদ্দার, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আজগর বিশ্বাস তারা, জেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগের সহ সভাপতি প্রফেসর ড. মাহাবুবুল ইসলাম।
বিএনপি যদি নির্বাচনে অংশ নেয় সেক্ষেত্রে বিএনপি থেকে সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডাঃ গাজী আব্দুল হক ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোল্লা মোশাররফ হোসেন মফিজ মনোনয়ন চাইতে। এছাড়া জামায়াতের কেন্দধীয় সেμেটারী জেনারেল সাবেক সংসদ অধ ̈াপক মিয়া গোলাম পরওয়ার মনোনয়ন চাইতে পারে।
এদিকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা পথসভা ও উঠান বৈঠক থেকে শুরু করে প্রায় প্রতিদিন উপজেলার বিভিন্ন বাজারগুলোতে মতবিনিময় সভা করছেন। বিএনপির প্রার্থীদের দলীয় কর্মকান্ডে অংশ গধহন ছাড়া অন্য কোন সভা সমাবেশ করছে না। আর জামায়াত মাঠে নেই।
এ ব্যাপারে নারায়ন চন্দ্র চন্দ বলেন আমি নির্বাচিত হয়ে ডুমুরিয়া ফুলতলা এলাকায় মন্দির মসজিদ স্কুল কলেজ,রাস্তা, কালভার্ট, ব্রীজসহ যে পরিমাণ উন্নয়ন করেছি তা নজিরবিহিন দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে ডুমুরিয়া ফুলতলা জনসাধারণের কাছে। আজগর হোসেন তারা বলেন- আমাকে যদি দল থেকে নমিউনেশন দেয়, তাহরে ডুমুিরয়া ফুলতলা আমি একটি নজির সৃষ্টি করব যা জনগণের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করব, যাতে জনগন আমার নিকট হিসাব চাইতে পারে। এডভোকেট সাইফুল ইসলাম বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা যদি আমাকে মনোনয়ন দেন, তাহলে আমি নেত্রীর প্রতি শ্রদ্ধা রেখে নৌকাকে বিজয়ী করার চেষ্টা করবো। খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক অজয় সরকার বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় পধধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বে অনেক আগেই বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা লাভ করেছে। তার সময়োপযোগী নেতৃত্বে ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপান্তরিত হয়েছে। কাজ চলছে উন্নত সমৃদ্ধশালী আত্মনির্ভর স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানের। রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার এই অগ্রযাত্রায় একজন কর্মী হিসেবে দেশ মাতৃকার সেবায় আত্মনিয়োগ করতেই আমি আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের কাছে মনোনয়ন চাইছি। লক্ষ নিজের সবটুকুই দিয়েই মা মাটি ও মানুষের কল্যানে কাজ করা। এই লক্ষ্য পুরনের জন্য আমি গত এক যুগেরও বেশী সময় ধরে ডুমুরিয়া ও ফুলতলা উপজেলার গণমানুষের জন্য সাধ্যমত কাজ করে চলেছি। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হতে পারলে বর্তমান সরকারের সকল উন্নয়ন কর্মকান্ড সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করে সরকারী ব্যয়-বরাদ্ধকে আরও বেশী জনবান্ধব করার পাশাপাশি এই জনপদের মানুষকে নিয়ে আমার স্বপ্ন পুরন সহজতর হবে। সাবেক সংসদ ডাঃ গাজী আব্দুল হক ও ডুমুরিয়া উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোল্লা মোশাররফ হোসেন মফিজ বলেন , আমরা গণতন্ত্র উদ্ধারের জন্য লড়াই করছি। মানুষ তাদের ভোটাধিকার ফিরে না পাওয়া পর্যন্ত আমরা কোন নির্বাচনে অংশ গ্রহন করবো না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews