1. dailybanglarkhabor2010@gmail.com : দৈনিক বাংলার খবর : দৈনিক বাংলার খবর
বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
ডুমুরিয়ায় মহান শহীদ দিবস পালিত মুজিব শতবর্ষ জাদুঘরের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী খুলনা মহানগর পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে ৯ জন গ্রেফতার আনসার ও ভিডিপি খুলনা রেঞ্জ এ শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন খুলনায় মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত দুই চিকিৎসক গ্রেপ্তার, ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ-সুন্নতে খৎনা করাতে গিয়ে শিশুর মৃত্যু প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সাম্প্রদায়িকতার বীজবৃক্ষ সমূলে তুলে ফেলব-ওবায়দুল কাদের আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষার টানে দুই বাংলার ভাষা প্রেমীদের মিলনমেলা বসে বেনাপোল নো-ম্যান্সল্যান্ডে অবশেষে জোট সরকার গঠনে পাকিস্তানে ঐকমত্য ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে ৬১ অভিবাসীর প্রাণহানির শঙ্কা

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৫১ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক::ভূমধ্যসাগরের লিবীয় উপকূলে অভিবাসীদের বহনকারী নৌকা ডুবিতে কমপক্ষে ৬১ জনের প্রাণহানির আশঙ্কা করা হচ্ছে। হতভাগ্য এসব অভিবাসীর মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছে। খবর বিবিসি।

জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) জানিয়েছে, লিবিয়ার উপকূলে নৌকাডুবির ঘটনায় ৬০ জনেরও বেশি অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দুর্ঘটনায় বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের উদ্ধৃত করে জাতিসংঘের এই সংস্থাটি শনিবার বলেছে, নৌকাটি প্রায় ৮৬ জন আরোহী নিয়ে জুওয়ারা শহর ছেড়েছিল। যাত্রা করার পর উচ্চ ঢেউ নৌকাটিকে ডুবিয়ে দেয় এবং শিশুসহ ৬১ জন অভিবাসী নিখোঁজ হন। তারা মারা গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিবিসি বলছে, ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টাকারী অভিবাসীদের কাছে প্রধান প্রস্থান পয়েন্টগুলোর মধ্যে লিবিয়া অন্যতম। আইওএম বলছে, ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার চেষ্টার সময় শুধুমাত্র চলতি বছর ২ হাজার ২০০ জনেরও বেশি মানুষ মানুষ ডুবে গেছে।

ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) আরও বলেছে, নৌকাডুবির সর্বশেষ এই ঘটনার শিকার অভিবাসীদের বেশিরভাগই নাইজেরিয়া, গাম্বিয়া এবং অন্যান্য আফ্রিকান দেশ থেকে এসেছিল। সংস্থাটি বলেছে, দুর্ঘটনার পর ২৫ জন জীবিত ব্যক্তিকে লিবিয়ার একটি আটক কেন্দ্রে স্থানান্তরিত করা হয়েছে এবং সেখানে তাদের চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে লিবিয়ার দীর্ঘদিনের শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর উত্তর আফ্রিকার দেশটিতে বিশৃঙ্খলা শুরু হয়। আর এরপর থেকে সমুদ্রপথে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করা অভিবাসীদের জন্য লিবিয়া একটি প্রধান ট্রানজিট রুটে পরিণত হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews