1. dailybanglarkhabor2010@gmail.com : দৈনিক বাংলার খবর : দৈনিক বাংলার খবর
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ০৪:৫৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
বিটিভিতে ভয়াবহ আগুন, সম্প্রচার বন্ধ বিটিভিতে ভয়াবহ আগুন, সম্প্রচার বন্ধ পুলিশের ওয়েবসাইট হ্যাক মহাখালীতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ভবনে হামলা, আগুন দিল দুর্বৃত্তরা ‘আমার বাচ্চাকে ওরা মেরে ফেলেছে’ কোটা সংস্কার নিয়ে প্রয়োজনে সংসদে আইন পাস, বললেন জনপ্রশাসনমন্ত্রী সরকার শিক্ষার্থীদের ওপর বেআইনিভাবে শক্তি প্রয়োগ করেছে-অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল কোটা সংস্কার আন্দোলন: উত্তরায় নিহত ৫ দাকোপে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের উদ্যোগে প্রতিবাদ সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান জাতীয় শোক দিবস পালনের প্রস্তুতিসভা অনুষ্ঠিত সাংবাদিক শরিফ ও বেনজীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দায়ের করায় রূপসা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের নিন্দা

‘নির্বাচনে সরকার হিন্দুদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে’

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৫২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক::নির্বাচনে সরকার নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থতার কারণে এবার হিন্দু নির্যাতন হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের নির্বাহী মহাসচিব ও মুখপাত্র পলাশ কান্তি দে। এসময় নির্বাচনকালীন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনের বিচারবিভাগীয় তদন্ত দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট। এরই সাথে দেশের হিন্দু সম্প্রদায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে ও উল্লেখ করেছে এ সংগঠনটি।

শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন মহাজোটের নির্বাহী মহাসচিব ও মুখপাত্র পলাশ কান্তি দে।

পলাশ কান্তি দে বলেন, আমরা মনে করি এই নির্যাতন আরও বহুগুণে বেড়ে যেত যদি প্রতিটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হতো। সংসদ নির্বাচনের পর এখনো বিভিন্ন জায়গায় হিন্দু নির্যাতন চলছে। নির্বাচন পরবর্তী সহিংসহিতা বন্ধের দাবি জানাচ্ছি। নির্বাচনের আগে থেকে যে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর যে নির্যাতন চলছিল নির্বাচনের পরে তা ভয়াবহ রূপধারণ করেছে।

নির্বাচনের পরই ঝিনাইদহের বরুণ হত্যা এবং পিরোজপুরের স্বরূপকাঠির শেখর কুমার হত্যার নিরপেক্ষ তদন্ত চাই। এই ধরনের হত্যা বন্ধের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। জীবিত থাকতে ঘরবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা, মৃত্যুর পর যেখানে শান্তিতে নিঃশ্বাস নেবে সেই শ্মশানে হামলা করলো।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, এদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন একটা নিয়মিত প্রক্রিয়া যা নির্বাচন এলে বহুগুণে বেড়ে যায়। বিগত দিনে সংসদ নির্বাচনের আগে ও পরে সংখ্যালঘু ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও তাদের স্থাপনায় আঘাত করা হয়েছে। এবার যেহেতু নির্বাচন নিয়ে পক্ষ-বিপক্ষ হচ্ছিল তাই আমরা আশঙ্কা করেছিলাম পূর্বের নির্বাচনকালীন সহিংসতার পুনরাবৃত্তি হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, পরাজিত প্রার্থী ভোট দেয়নি এই অজুহাতে আমাদের মঠ-মন্দির. ঘরবাড়ি. ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানে হামলা করতে পারে। তাই আমরা গত ১১ নভেম্বর একটি সংবাদ সম্মেলন করে সরকারের কাছে দাবি করেছিলাম যে সংখ্যালঘু হিন্দু ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে যাওয়া, আমাদের মঠ-মন্দির, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, নারী, ঘরবাড়ির নিরাপত্তা এবং প্রতিমা ভাঙচুর না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে নিরাপত্তা দিতে হবে।

তিনি বলেন, আমরা কী দেখলাম! নির্বাচনের পর সিরাজগঞ্জ, বাগেরহাট, ফরিদপুর, মাগুরা, চুয়াডাঙ্গা, গাইবান্ধা, কুমিল্লার দাউদকান্দি, ঝিনাইদাহ, পিরোজপুর, মাদারীপুর, ঠাকুরগাঁও, মুন্সিগঞ্জ, কুষ্টিয়া, লালমনিরহাটসহ দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় ভোট দেয়নি- এই অজুহাতে নির্বিচারে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন করা হয়েছে।

আমরা দেখলাম যেসব অঞ্চলে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে সেখানে পরাজিত প্রার্থী কর্তৃক হিন্দু সম্প্রদায়ের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, ঘরবাড়ি, মাছের ঘের লুট ও হত্যার মতো ঘটনা ঘটেছে। এখনো অনেক জায়গায় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন ভয়ে এলাকা যেতে পারছে না। কোনো কোনো জেলায় পরাজিত প্রার্থী এবং আবার কোনো কোনো জেলায় বিজয়ী প্রার্থীও একই অজুহাতে এই নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত। সেটা হোক নৌকার প্রার্থী হোক স্বতন্ত্রপ্রার্থী।

তিনি আরও বলেন, আমরা মনে করি এই নির্যাতন আরও বহুগুণে বেড়ে যেত যদি প্রতিটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হতো। সংসদ নির্বাচনের পর এখনো বিভিন্ন জায়গায় হিন্দু নির্যাতন চলছে। নির্বাচন পরবর্তী সহিংসহিতা বন্ধের দাবি জানাচ্ছি। নির্বাচনের আগে থেকে যে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর যে নির্যাতন চলছিল নির্বাচনের পরে তা ভয়াবহ রূপধারণ করেছে। নির্বাচনের পরই ঝিনাইদহের বরুণ হত্যা এবং পিরোজপুরের স্বরূপকাঠির শেখর কুমার হত্যার নিরপেক্ষ তদন্ত চাই।

এই ধরনের হত্যা বন্ধের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। জীবিত থাকতে ঘরবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা, মৃত্যুর পর যেখানে শান্তিতে নিঃশ্বাস নেবে সেই শ্মশানে হামলা করলো। গত ৩০ জানুয়ারি লক্ষ্মীপুরের রামপুরে পৌর মহাশ্মশানের মেইন গেট ভেঙে প্রতিমা ভাঙচুর এবং যেখানে লাশ দাহ করা হয় সেই চুলা পর্যন্ত ভাঙচুর করা হয়েছে। অপরাধীদের বিচার না হওয়াই সংখ্যালঘু নির্যাতনের মূল কারণ।

এসময় তিনি বিচারবিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিচারের আওতায় এনে শাস্তি প্রদান এবং সমস্যা নিরসনে সংখ্যালঘু কমিশন গঠনের জন্য আহ্বান জানান। সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের সভাপতি ড. প্রভাস চন্দ্র রায়, নির্বাহী সভাপতি সুধাংশু চন্দ্র বিশ্বাস, প্রধান সমন্বয়কারী ড. সোনালী দাস প্রমুখ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews