1. dailybanglarkhabor2010@gmail.com : দৈনিক বাংলার খবর : দৈনিক বাংলার খবর
সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
এপিএ বাস্তবায়নে প্রথম স্থানে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নবনিযুক্ত সেনাবাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ বটিয়াঘাটায় বাংলাদেশ আ’লীগের ৭৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কোস্টগার্ডের অভিযানে ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক দক্ষতা উন্নয়ন ও সেবার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করেন সিটি মেয়র অস্ট্রেলিয়াকে ২১ রানে হারিয়ে আফগানিস্তানের ইতিহাস আওয়ামী লীগের মূল শক্তি হচ্ছে এদেশের জনগণ-শেখ হাসিনা ইসরাইলি হামলায় নিহত ৪৫০ পরীক্ষার্থী ছাগলকাণ্ডে ধরা মতিউর, অনুসন্ধানে নেমেছে দুদক আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সভায় যোগ দিয়েছেন শেখ হাসিনা

শ্রীলঙ্কার কাছে সিরিজ হার বাংলাদেশের

  • প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মার্চ, ২০২৪
  • ৫৬ বার পড়া হয়েছে

ক্রীড়া প্রতিবেদক::ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজটি হার দিয়েই শুরু করেছিল স্বাগতিক বাংলাদেশ। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে দারুণ জয়ে ঘুরে দাঁড়ায় টাইগাররা। আর সেই জয়েই মাথা চাড়া দিয়ে উঠে আরও একটি রেকর্ড। প্রথমবারের মতো ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজ জয়ের হাতছানি দেয় বাংলাদেশের সামনে। তবে সেই ইতিহাস আর গড়া হলো কোথায়! শেষ ম্যাচে হেরে সিরিজ খোয়াল নাজমুল হোসেন শান্ত’র দল।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। তবে লঙ্কান দলের রান আটকে রাখা গিয়েছিল সাধ্যের মধ্যেই। কিন্তু নুয়ান থুসারা যেন হাজির হলেন যমদূতের মতো। আগের দুই ম্যাচে একাদশে না থাকা এই পেসার প্রথম ওভারেই তুলে নেন হ্যাটট্রিক। পরে ওই চাপ সামলে লজ্জা থেকে বাঁচান রিশাদ হোসেন ও তাসকিন আহমেদ। যদিও জয়ের লড়াইয়ে কখনোই সেভাবে থাকতে পারেনি বাংলাদেশ। গতকাল শনিবার সিরিজের শেষ ম্যাচে শ্রীলঙ্কার কাছে ২৮ রানে হেরেছে স্বাগতিকরা। শুরুতে ব্যাট করে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৭৪ রান করে শ্রীলঙ্কা। পরে ওই রান তাড়া করতে নেমে ১৪৬ রানের বেশি করতে পারেনি বাংলাদেশ।

১৭৫ রান তাড়ায় নেমে রীতিমতো লজ্জার রেকর্ডে নাম তোলার শঙ্কায় ছিল বাংলাদেশ। শেষে রিশাদ হোসেন ও তাসকিন আহমেদের ঝড়ো ইনিংসে অবশ্য রক্ষা পায়। কিন্তু ৩২ রানে ছয় উইকেট হারানোর পর ম্যাচে আর কখনোই ফিরতে পারেনি বাংলাদেশ। তাদের উইকেট হারানোর শুরুটা হতে পারতো প্রথম বলেই। অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসের করা ওই বল লিটন দাসের প্যাডে লাগে। কিন্তু আম্পায়ারস কলে বেঁচে যান লিটন। তৃতীয় ওভার শুরু করেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস, কিন্তু চোটের কারণে তিনি মাঠ ছাড়েন। ওভার শেষ করতে আসা ধনঞ্জয়া ডি সিলভার প্রথম বলেই ক্যাচ তুলে দেন লিটন। ১১ বলে ৭ রান করেন তিনি। তবে বাংলাদেশের জন্য মূল আতঙ্ক হয়ে ওঠেন থুসারা।

আগের দুই ম্যাচে একাদশেই ছিলেন না তিনি। মাথিশা পাথিরানার চোটে সুযোগ পেয়ে এই পেসার নিজের প্রথম ওভারেই হ্যাটট্রিক করে ফেলেন তুষারা। শুরুটা হয় স্বাগতিক অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। পরের বলে ক্রিজে আসেন তাওহীদ হৃদয়। গুড লেন্থে পড়ে বল হালকা সুইং করে খুব জোরে আঘাত হানে হৃদয়ের স্টাম্পে। হ্যাটট্রিক বলে তুষারার মুখোমুখি হন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। আরও একটি বল গুড লেন্থে পড়ে সুইং করে বেরিয়ে যাওয়ার সময় রিয়াদের পায়ে লাগে। হ্যাটট্রিক পূর্ণ হয় থুসারার। নিজের পরের ওভারে এসেও উইকেট পান এই বোলার। সৌম্য সরকারের স্টাম্প উপড়ে ফেলেন ইয়র্কারে। জাকের আলিও নিজের ইনিংস বড় করতে পারেননি। ১৩ বলে স্রেফ ৪ রান করে হাসরাঙ্গা ডি সিলভার গুগলি বুঝতে না পেরে এলবিডব্লিউ হন। পরে রিভিউ নিলেও কাজে আসেনি।

৩১ বলে ৪৪ রানের জুটিতে মান বাঁচানোর লড়াই করেন মাহেদী হাসান ও রিশাদ হোসেন। এর আগে ২০১৬ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৭০ রানে অলআউট হওয়া টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সর্বনিম্ন সংগ্রহ। ৩২ রানে ছয় উইকেট হারিয়ে সেটির ভেতর আটকে পড়ার শঙ্কা জেগেছিল এদিনও। শেষ অবধি সেটি থেকে বাঁচিয়ে দেন রিশাদ হোসেন। আগে টি-টোয়েন্টিতে সবমিলিয়ে ৩ ইনিংসে ১৮ রান করেছিলেন তিনি। সুযোগ পেয়ে কাজে লাগান রিশাদ। হাফ সেঞ্চুরি ছাড়ানো ইনিংসে দলের মান বাঁচান এই ব্যাটার। মাহেশ থিকসেনাকে এক ওভারেই তিন ছক্কা হাঁকান তিনি। ইনিংসে একটিও চার না মারা রিশাদ ৭ ছক্কায় ৩০ বলে ৫৩ রান করেন।

এরপর শুরু হয় তাসকিন আহমেদ শো। প্রথম তিন ওভারে ৭ রান দিয়ে চার উইকেট নিয়েছিলেন নোয়ান থুসারা। তাকে প্রথম দুই বলে দুটি ছক্কা হাঁকান তাসকিন। ওই ওভারের শেষ বলে শরিফুলের উইকেট নিয়ে ফাইফারও পূরণ হয় থুসারার। তবে ২১ বলে ৩১ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন তাসকিন। যদিও তাতে কেবল হারের ব্যবধানই কমেছে।

টস জিতে বল করতে নেমে বাংলাদেশকে আগের ম্যাচের মতো এবারও দারুণ শুরু এনে দেন শরিফুল ইসলাম। প্রথম ওভারে কেবল ২ রান দেন তিনি। এর মধ্যে শেষ বলে এলবিডব্লিউয়ের জন্য রিভিউ নেন, যদিও শেষ অবধি সফল হতে পারেননি। উইকেটের জন্য স্বাগতিকদের অপেক্ষা করতে হয় চতুর্থ ওভারের প্রথম বল অবধি। তাসকিন আহমেদের করা গুড লেন্থের বলে মিডউইকেটে দাঁড়ানো সৌম্য সরকারের হাতে ক্যাচ দেন ধনঞ্জয়া ডি সিলভা। ১২ বল খেলে তিনি করেন কেবল ৮ রান। পরে ওই ওভারের বাকি পাঁচ বলে তিনটি বাউন্ডারি হজম করেন তাসকিন। পাওয়ার প্লের ছয় ওভারে ৪১ রান করে শ্রীলঙ্কা।

স্বাগতিকদের পরের উইকেট এনে দেন রিশাদ হোসেন। তার বলে লং অফে ক্যাচ দেওয়ার আগে ১২ বলে ১২ রান করেন কামিন্দু মেন্ডিস। একপ্রান্ত আগলে তখনও রান করে যাচ্ছিলেন কুশল মেন্ডিস। ৩৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। এর মধ্যে হাসরাঙ্গার উইকেট নেন মোস্তাফিজুর রহমান। ১৩ বলে ১৫ রান করে আউট হন তিনি। হাসারাঙ্গার সঙ্গে ৩১ বলে ৫৯ রানের জুটি ভাঙে মেন্ডিসের। হাসরাঙ্গাকে ফেরানোর পরও উদযাপন করেননি মোস্তাফিজ। কারণ দিনটি তার জন্য একদমই সুখকর ছিল না।

নিজের প্রথম তিন ওভারে ৩৪ রান দেন তিনি। সেঞ্চুরি ছোঁয়ার সুযোগ থাকলেও কুশলকে সেটি করতে দেননি তাসকিন। তার বাউন্সারে পুল করতে গিয়ে মিড উইকেটে ক্যাচ দেন লঙ্কান ব্যাটার। ৬টি চার ও ৬টি ছক্কায় ৫৫ বলে ৮৬ রান করেন তিনি। ১৮তম ওভার করতে এসে একটি চার ও ছক্কা হজম করলেও অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসকে ফিরিয়ে দেন রিশাদ। পরে শেষ অবধি ১৮০ ছুতে পারেনি লঙ্কানদের রান। ৮ বলে ১৯ রান করে শেষ বলে রান আউট হন শানাকা। ৭ রানে অপরাজিত থাকেন সামারাবিক্রমা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews