1. dailybanglarkhabor2010@gmail.com : দৈনিক বাংলার খবর : দৈনিক বাংলার খবর
সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
এপিএ বাস্তবায়নে প্রথম স্থানে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নবনিযুক্ত সেনাবাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ বটিয়াঘাটায় বাংলাদেশ আ’লীগের ৭৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কোস্টগার্ডের অভিযানে ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক দক্ষতা উন্নয়ন ও সেবার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করেন সিটি মেয়র অস্ট্রেলিয়াকে ২১ রানে হারিয়ে আফগানিস্তানের ইতিহাস আওয়ামী লীগের মূল শক্তি হচ্ছে এদেশের জনগণ-শেখ হাসিনা ইসরাইলি হামলায় নিহত ৪৫০ পরীক্ষার্থী ছাগলকাণ্ডে ধরা মতিউর, অনুসন্ধানে নেমেছে দুদক আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সভায় যোগ দিয়েছেন শেখ হাসিনা

খুলনার দৌলতপুর থেকে হারিয়ে যাওয়া প্রতিবন্ধী নারীকে ১৮ মাস পর ফিরে পেল তার পরিবার

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৩ জুন, ২০২৪
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:: খুলনার দৌলতপুর থেকে হারিযে যাওয়া মানষিক ও শারীরিক প্রতিবন্ধী মধ্যবয়সী নারীকে প্রায় ১৮ মাস পর ফিরে পেল তার পরিবার। পাইকগাছা উপজেলার লস্কর ইউপি চেয়ারম্যান ও কাগজী প্রতিবন্ধী ট্রাষ্টের প্রতিষ্ঠাতা কে এম আরিফুজ্জামান তুহিন তাকে পরিবারের হাতে তুলে দেন। এনিয়ে গত একবছরে তিনি তিনজন প্রতিবন্ধীকে পরিবারের কাছে তুলে দিয়েছেন। দেড় মাস যাবৎ তার হেফাজাতে রয়েছে ৩০ বছরের বাক ও শারীরিক প্রতিবন্ধী আরও এক যুবক।

জানা যায়,সাতক্ষীরার পদ্মপুকুর এলাকার শহিদুল ইসলামের মেয়ে খোদেজা বেগম (৫০) বাগেরহাটের মৃতঃ নূর মোহম্মাদ গাজীর স্ত্রী। সংসারে রয়েছে এক ছেলে মোশাররফ (২০) ও এক মেয়ে রেশমা (১৮)। সে মানষিক ও শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ার কারণে ২০২৩ সালের প্রথম দিকে খুলনার দৌলতপুর থেকে হরিয়ে যায়। এরপর বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ায়। রোববার রাতে ভিলেজ পাইকগাছার বাসন্তী মন্দিরে দেখে স্থানীয় তুষার মন্ডল লস্কর ইউপি চেয়ারম্যান ও কাগুজী প্রতিবন্ধী ট্রাষ্টের প্রতিষ্ঠাতা কেএম আরিফুজ্জামান তুহিন কে মুঠোফোনে বিষয়টি অবহিত করেন। তিনি ঘটনাস্থল থেকে নিয়ে তার বাড়ীতে নিয়ে যায়। তার কাছ থেকে যেনে শুনে সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার গাবুররা ইউপি চেয়ারম্যানের কাছ থেকে ঠিকানা সংগ্রহ করেন। এবার তিনি পরিবারের সাথে যোগাযোগ করে তাদের ডেকে এনে সোমবার তার আপন ভাই শহিদুল ইসলামের হাতে তাকে তুলে দেন।এ নিয়ে গত এক বছরে ২ জনকে নিজ পরিবারের হাতে তুলে দিতে পেরেছেন। তার হেফাজাতে আরও এক প্রতিবন্ধী যুবক দেড়বছর ধরে রয়েছে। তার এ প্রতিবন্ধীদের নিয়ে এসব কাজ করার কারণে ইতোমধ্যে তিনি প্রতিবন্ধীদের অভিভাবক খ্যাতি পেয়েছেন। চেয়ারম্যান তুহিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এসব মানুষের কথা কেউ ভাবেনা,তাদের পিছে কেউ থাকেনা একারণে আমি প্রতিবন্ধীদের জন্য কিছু একটা করার চেষ্টা করছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews