শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক আনুষ্ঠানিকভাবে ‘নজরুল বর্ষ’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নারায়ণগঞ্জে কোস্টগার্ডের অভিযানে ভারতীয় ঔষধ ও প্রসাধনী জব্দ অসুস্থ এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে হাসপাতালে নিলেন এসিল্যান্ড জেলা পরিষদ প্রশাসক বাপ্পির পাইকগাছায় উন্নয়ন ও সেবামূলক কর্মসূচি ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর প্রতি জবাবদিহিতা ব্যবস্থাপনা বিষয়ক পরিচিতিমূলক কর্মশালা বাগেরহাটে ৪০১৫ পিস ইয়াবাসহ ২৬ মামলার আসামি মাদক সম্রাট মনির শেখসহ গ্রেপ্তার ৪ দেশব্যাপী নজরুল বর্ষ পালন কর্মসূচির উদ্বোধন বাগেরহাটে মোটরসাইকেল-মাহেন্দ্র মুখোমুখি সংঘর্ষে স্কুলছাত্র নিহত দাকোপে ৯ দিন বয়সি শিশু অপহরন ঃ ২৪ ঘন্টার মধ্যে আসামী গ্রেফতার

মিয়ানমারের সংঘাত যেন বাংলাদেশের জনগণ ও সম্পদকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ জুন, ২০২৪
  • ২৫৪ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক:: কক্সবাজার সীমান্তে দেশের জনগণ ও স্থাপনা লক্ষ্য করে মিয়ানমার থেকে গুলি ছোড়ার ঘটনা জাতিসংঘে তুলেছে বাংলাদেশ। ঢাকা বলেছে, মিয়ানমারের যেকোনো সংঘাত তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তবে এটি যেন বাংলাদেশের জনগণ ও সম্পদকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে।

জেনেভায় জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের ৫৬তম অধিবেশনে রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার পরিস্থিতির ওপর অনুষ্ঠিত সংলাপে বিষয়টি অবহিত করা হয়।

সংলাপে ঢাকার পক্ষ থেকে বলা হয়, নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও বাংলাদেশ সাত বছর ধরে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই এই সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান।
জেনেভায় বাংলাদেশে স্থায়ী মিশনের ভারপ্রাপ্ত স্থায়ী প্রতিনিধি সঞ্চিতা হক সংলাপে বাংলাদেশের পক্ষে অংশ নেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুর জন্য সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে। এ বিষয়ে তিনি রাখাইনে রোহিঙ্গাদের আত্তীকরণের জন্য তাদের জীবিকার ব্যবস্থা উন্নয়নে বিনিয়োগ করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি মিয়ানমারে যুদ্ধরত সব পক্ষকে রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা দেওয়া এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। তিনি বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য পর্যাপ্ত মানবিক সহায়তার আহ্বান জানান।

সংলাপের শুরুতে মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক কাউন্সিলে মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিমদের মানবাধিকার পরিস্থিতির ওপর একটি প্রতিবেদন পেশ করেন। তিনি সাম্প্রতিক সহিংসতা বৃদ্ধি, রোহিঙ্গাদের জোরপূর্বক সশস্ত্র বাহিনীতে নিয়োগ এবং রাখাইনে ঘৃণ্য যুদ্ধ-কৌশল নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের এ অধিবেশন ১৮ জুন শুরু হয়েছে এবং আগামী ১২ জুলাই পর্যন্ত চলবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews