রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১:০৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
মুখস্তনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তে দক্ষতানির্ভর শিক্ষার উপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার- এমপি আমীর এজাজ খান শুধু বৃক্ষরোপণ করলেই হবে না, সেগুলোর যথাযথ পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণও নিশ্চিত করতে হবে-পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী সরকারি খাল দখলমুক্তের দাবিতে বাগেরহাটে তিন দিনব্যাপী অবস্থান কর্মসূচি শুরু বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি বাণিজ্য বন্ধ বাগেরহাটে আইনজীবী নিজাম শান্ত হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কবে, জানালেন আইনমন্ত্রী সেমিকন্ডাক্টর খাতকে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি করতে চায় সরকার মতামত, অনুমান ও অ্যাক্টিভিজম দিয়ে সাংবাদিকতা হয় না -তথ্যমন্ত্রী তারেক রহমানের আহ্বানে খুলনা মহানগর যুবদলের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গুজব থেকে সৃষ্ট বিশৃঙ্খলার বিষয়ে সকলকে সচেতন থাকতে হবে -বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশ এভাবে রক্তাক্ত হতে পারে না: শাকিব খান

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুলাই, ২০২৪
  • ৩১৮ বার পড়া হয়েছে

বিনোদন ডেস্ক:: চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে বেশকটি তাজা প্রাণ ঝরেছে রাজপথে। বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে শিল্পী সমাজ। সবার একটাই কথা সমাধান আসুক। বৈঠকের মাধ্যমে সমাধানের পথ খুঁজে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সকলেই।

এদিকে বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন শাকিব খান। তিনি তার পোস্টে লিখেছেন, আমার প্রাণের বাংলাদেশ এভাবে রক্তাক্ত হতে পারে না। কারও মা-বাবার বুক এভাবে খালি হতে পারে না। আপনারা যারা অভিভাবক পর্যায়ে আছেন, তাদের কাছে অনুরোধ রইল, এখনই আন্দলতরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে এই সংকটের যৌক্তিক সমাধান বের করুন। সব ধরনের সংঘাতের সমাপ্তি চাই।

উল্লেখ্য, দেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের তুমুল আন্দোলনের মুখে ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর সরকারি চাকরিতে নারী কোটা ১০ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ এবং জেলা কোটা ১০ শতাংশ বাতিল করে পরিপত্র জারি করে সরকার। সেখানে বলা হয়েছিল, ৯ম থেকে ১৩তম গ্রেডের পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দিতে হবে। ওইসব গ্রেডের পদে সরাসরি নিয়োগে বিদ্যমান কোটা বাতিল করা হলো।

এ পরিপত্র চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্ম কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি অহিদুল ইসলামসহ সাত আন্দোলনকারী। এর প্রেক্ষিতে গত ৫ জুন ২০১৮ সালের জারিকৃত পরিপত্রটিকে অবৈধ বলে ঘোষণা করেন হাইকোর্ট।

এরপর থেকেই সারা দেশে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ফুঁসে ওঠেন। কোটা পুনর্বহালের প্রতিবাদে নানা স্থানে বিক্ষোভ করেন কোটাবিরোধীরা। ঢাবি ছাড়াও বিক্ষোভ হয় জাবি, জবি, রাবি, সাত কলেজসহ দেশের স্বনামধন্য বিভিন্ন কলেজে।

আন্দোলন যখন তীব্র থেকে আরও তীব্রতর হচ্ছিল ঠিক তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ (ঢাবি) দেশে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে সোমবার (১৫ জুলাই) কোটা সংস্কার দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় অন্তত ২৫০ জন আহত হয় বলে খবর পাওয়া যায়। আহতরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দেশের বিভিন্ন স্থানে আবারো আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়। এতে ছয়জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন শতাধিক শিক্ষার্থী।

নিহতদের মধ্যে চট্টগ্রামের তিনজন, ঢাকার দুজন ও রংপুরের একজন রয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews