শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ঘোড়াঘাট পৌরসভায় বিভিন্ন উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন। পাইকগাছা পৌরসভার উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সম্ভাব্য সাইট পরিদর্শন ইউএনওর নির্দেশনায় সংস্কার হলো মন্দিরের বেহাল রাস্তা: স্বস্তি ফিরেছে এলাকাবাসীর সংবিধান সংশোধন করতে চায় সরকার, সংস্কার নয়-মির্জা ফখরুল ব্যালন ডি’অর নিয়ে সুখবর পেলেন মেসি সিরিয়ার কমান্ড সেন্টারে ইরানের হামলা, বিপুলসংখ্যক মার্কিন সেনা হতাহত মহেশখালীতে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ কুখ্যাত সন্ত্রাসী মিন্টু আটক যশোরের শার্শায় ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে একজন আটক নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে নিয়োগ পেলেন রিয়ার এডমিরাল মিসবাহ উল আজীম যুদ্ধটা অনেক বড়, টিকে থাকতে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে-প্রধানমন্ত্রী

আমেরিকার মুখে কঠিন চড় মেরেছি-আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন, ২০২৫
  • ৫৮৮ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: সংঘাতের সময় নিরাপদ আশ্রয়ে থেকে যুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। এবার তিনি প্রকাশ্যে এসেই একটি ভিডিও বিবৃতিতে আমেরিকা ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘বিজয়ের’ দাবি করেছেন। ইরান-ইসরায়েল দ্বন্দ্বে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়ার পর এটাই তার প্রথম প্রকাশ্য মন্তব্য।

১২ দিনের সংঘর্ষ শেষে বৃহস্পতিবার দেওয়া বক্তব্যে খামেনি বলেন, ‘আমরা আমেরিকার মুখে একটি কঠিন চড় মেরেছি। সন্ত্রাসী জায়নবাদী ইসরায়েল প্রায় ধ্বংসের মুখে পৌঁছে গিয়েছিল।’

তিনি বলেন, ‘আমি ইরানের মহান জাতিকে তিনটি শুভেচ্ছা জানাতে চাই। প্রথমত, মিথ্যা জায়নবাদী শাসনের ওপর বিজয়ের জন্য। দ্বিতীয়ত, মার্কিন শাসনের বিরুদ্ধে বিজয়ের জন্য। আমেরিকা সরাসরি যুদ্ধে জড়ায়, কারণ তারা বুঝেছিল, না হলে ইসরায়েল নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। তবুও তারা কিছু অর্জন করতে পারেনি। এখানে ইসলামি প্রজাতন্ত্র জয়ী হয়েছে।’

ইরানি জনগণের ঐক্যের ভূয়সী প্রশংসাও করেন খামেনি। তিনি বলেন, ‘প্রায় ৯ কোটি মানুষের এই জাতি এক কণ্ঠে, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর পাশে দাঁড়িয়েছে।’

এই সংঘর্ষে আমেরিকা ইরানের ফরদো ও নাটাঞ্জসহ তিনটি প্রধান পরমাণু কেন্দ্রে বিমান হামলা চালায়। পাল্টা জবাবে ইরান কাতারে অবস্থিত একটি মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে।

এদিকে পেন্টাগনের প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী—যুক্তরাষ্ট্র বোমা ফেলার আগেই ইরানের ইউরেনিয়াম মজুত আগেই সরিয়ে ফেলা হয়েছিল। ফলে কেন্দ্রগুলোর খুব বেশি ক্ষতি হয়নি।

ইসরায়েলের হামলার সময় ইরান-আমেরিকার মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা চলছিল বলেও খামেনি উল্লেখ করেন। বলেন, ‘আমরা তখন সামরিকভাবে কোনো তৎপরতা দেখাইনি। কিন্তু শুরু থেকেই অনুমান করা যাচ্ছিল, এই ষড়যন্ত্রের পেছনে আমেরিকা রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইসরায়েলকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে এবং দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতেও কঠোর শাস্তির পরিকল্পনা রয়েছে। আমেরিকার হস্তক্ষেপই প্রমাণ করে জায়নবাদী শাসন দুর্বল।’

বক্তব্যের শেষে খামেনি বলেন, ‘ইরানি জাতিকে পরাজিত করা যাবে না এবং তারা কখনো কারও আগ্রাসনের সামনে আত্মসমর্পণ করবে না।’

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি এখনো কার্যকর রয়েছে। যদিও উভয় পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে। ইরান-ইসরায়েল সম্পর্কের ইতিহাসে এ সংঘর্ষ এক নতুন মাত্রা যুক্ত করেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews