নিজস্ব প্রতিবেদক:: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৯তম রাষ্ট্রদূত হিসেবে ঢাকায় পৌঁছেই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন।
সোমবার বিকেলে ওয়াশিংটন থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তিনি। এসময় এই দেশের সঙ্গে তার ও তার স্ত্রীর অনেক মধুময় স্মৃতি জড়িয়ে আছে বলে আবেগাপ্লুত কণ্ঠে জানান নবনিযুক্ত এই রাষ্ট্রদূত।
সোমবার সন্ধ্যায় ঢাকা মার্কিন দূতাবাস থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ও তার স্ত্রী ডিয়ান ডাও বিমানবন্দরে পৌঁছালে মার্কিন দূতাবাস ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাঁদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।
তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘বাংলাদেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করতে পারা আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানের। দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি আঞ্চলিক শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিতে আমি কাজ করে যেতে আগ্রহী। আমি এবং আমার স্ত্রী পুনরায় এই সুন্দর দেশে ফিরে আসতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত।’
কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, চলতি সপ্তাহেই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের কূটনৈতিক কার্যক্রম শুরু করবেন তিনি। এর আগে গত ৯ জানুয়ারি মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে শপথ গ্রহণ করেন ক্রিস্টেনসেন। ১৮ ডিসেম্বর মার্কিন সিনেট তাঁর নিয়োগ অনুমোদন করে।
পেশাদার কূটনীতিক হিসেবে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের বর্ণাঢ্য কর্মজীবন রয়েছে। এর আগে তিনি ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের রাজনীতি ও অর্থনীতিবিষয়ক কাউন্সেলর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম ও এল সালভাদরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে তিনি কাজ করেছেন। ওয়াশিংটনে থাকাকালীন তিনি দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক ব্যুরোতে বাংলাদেশের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং উত্তর কোরিয়া নীতিবিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধির সহকারী হিসেবেও অভিজ্ঞতার স্বাক্ষর রেখেছেন।
টেক্সাস এ অ্যান্ড এম বিশ্ববিদ্যালয় ও রাইস বিশ্ববিদ্যালয়ের এই কৃতি শিক্ষার্থী ন্যাশনাল ওয়ার কলেজ থেকে জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ২০০২ সালে পররাষ্ট্র দপ্তরে যোগদানের আগে তিনি হিউস্টন ও নিউইয়র্ক সিটিতে ব্যবস্থাপনা পরামর্শক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।