নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা:: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মোড় নিতে যাচ্ছে। ১০ দলীয় জোটে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ছাত্রনেতৃত্বের দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আরও ১০টি বাড়তি আসন পেতে পারে।
দলটির একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র এ তথ্য জানিয়ে বলেছে, এর ফলে সারাদেশে এনসিপি মোট ৪০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সম্ভাবনা রয়েছে।
শুক্রবার ১৬ জানুয়ারি সংশ্লিষ্ট সূত্রটি এ আভাস দিলেও বাড়তি আসনগুলোর নাম এখনো নিশ্চিত করেনি।
এর আগে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটের আসন বণ্টনের যে প্রাথমিক তথ্য প্রকাশ করা হয়েছিল, তাতে ইসলামী আন্দোলনের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক আসন বরাদ্দ রাখার কথা ছিল।
তবে ওই সমঝোতায় শেষ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলন না থাকায় এখন জোটের শরিক ১০টি দলের মধ্যে আসনগুলো পুনরায় বণ্টনের প্রক্রিয়া চলছে।
জোটের আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জামায়াতে ইসলামী ১৭৯টি এবং এনসিপি ৩০টি আসনে লড়াই করার কথা ছিল। এ ছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি, খেলাফত মজলিস ১০টি, লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি এলডিপি ৭টি, আমার বাংলাদেশ পার্টি ৩টি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি বিডিপি ২টি এবং নেজামে ইসলাম পার্টি ২টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছিল। ইসলামী আন্দোলন জোটে না আসায় এখন এনসিপি ৩০টি থেকে বেড়ে ৪০টি আসনে লড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এনসিপি ইতোমধ্যে যে ২৭টি আসন চূড়ান্ত করেছে, তার মধ্যে রয়েছে পঞ্চগড়-১, দিনাজপুর-৫, রংপুর-৪, কুড়িগ্রাম-২, নাটোর-৩, সিরাজগঞ্জ-৬, পিরোজপুর-৩, টাঙ্গাইল-৩, ময়মনসিংহ-১১, মুন্সিগঞ্জ-২, ঢাকা-৮, ঢাকা-৯, ঢাকা-১১, ঢাকা-১৮, ঢাকা-১৯, ঢাকা-২০, গাজীপুর-২, নরসিংদী-২, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২, কুমিল্লা-৪, নোয়াখালী-২, নোয়াখালী-৬, লক্ষ্মীপুর-১, চট্টগ্রাম-৮, বান্দরবান, নারায়ণগঞ্জ-৪ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩। অবশিষ্ট আসনগুলো নিয়ে জোটের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে বর্তমানে আলাপ-আলোচনা চলছে।