ডেস্ক:: ভোটের বাকি আর মাত্র দুই দিন থাকতে এমিনেন্স অ্যাসোসিয়েটস ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ইএএসডি তাদের সম্ভাব্য ফলাফলভিত্তিক জরিপ প্রকাশ করেছে। এতে দেখা গেছে, জামায়াতে ইসলামীর তুলনায় বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে বিএনপি।
দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনে মোট ৪১ হাজার ৫০০ ভোটারের মতামতের ভিত্তিতে এই জরিপ পরিচালনা করা হয়। জরিপের তথ্য অনুযায়ী, অধিকাংশ ভোটার বিএনপিকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় দেখতে চান এবং দলের শীর্ষ নেতা তারেক রহমানকে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পছন্দ করছেন।
জরিপ বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, তরুণ প্রজন্ম ও নারী ভোটারদের মধ্যে পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা প্রবল এবং সাবেক আওয়ামী লীগ সমর্থকদের একটি বড় অংশ এখন বিএনপির দিকে ঝুঁকছে।
জরিপের সামগ্রিক ফলাফলে দেখা গেছে, ৬৬ দশমিক ৩ শতাংশ ভোটার বিএনপিকে ভোট দিতে চান। জামায়াতে ইসলামীকে সমর্থন করছেন ১১ দশমিক ৯ শতাংশ, এনসিপিকে ১ দশমিক ৭ শতাংশ, জাতীয় পার্টিকে শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের পক্ষে রয়েছেন ২ দশমিক ৬ শতাংশ ভোটার।
আসনভিত্তিক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে,
ভোটের বাকি আর মাত্র দুই দিন থাকতে এমিনেন্স অ্যাসোসিয়েটস ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ইএএসডি তাদের সম্ভাব্য ফলাফলভিত্তিক জরিপ প্রকাশ করেছে। এতে দেখা গেছে, জামায়াতে ইসলামীর তুলনায় বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে বিএনপি।
দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনে মোট ৪১ হাজার ৫০০ ভোটারের মতামতের ভিত্তিতে এই জরিপ পরিচালনা করা হয়। জরিপের তথ্য অনুযায়ী, অধিকাংশ ভোটার বিএনপিকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় দেখতে চান এবং দলের শীর্ষ নেতা তারেক রহমানকে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পছন্দ করছেন।
জরিপ বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, তরুণ প্রজন্ম ও নারী ভোটারদের মধ্যে পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা প্রবল এবং সাবেক আওয়ামী লীগ সমর্থকদের একটি বড় অংশ এখন বিএনপির দিকে ঝুঁকছে।
জরিপের সামগ্রিক ফলাফলে দেখা গেছে, ৬৬ দশমিক ৩ শতাংশ ভোটার বিএনপিকে ভোট দিতে চান। জামায়াতে ইসলামীকে সমর্থন করছেন ১১ দশমিক ৯ শতাংশ, এনসিপিকে ১ দশমিক ৭ শতাংশ, জাতীয় পার্টিকে শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের পক্ষে রয়েছেন ২ দশমিক ৬ শতাংশ ভোটার।
আসনভিত্তিক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে প্রায় ২০৮টি আসনে জয় পেতে পারে। জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট পেতে পারে ৪৬টি আসন। জাতীয় পার্টি ৩টি, অন্যান্য দল ৪টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ১৭টি আসনে জয়ী হতে পারে। এছাড়া ২২টি আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে।
পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ৬৮ শতাংশ উত্তরদাতা তারেক রহমানকে সমর্থন করেছেন। শফিকুর রহমানকে সমর্থন করেছেন ১৪ শতাংশ এবং নাহিদ ইসলামের পক্ষে মত দিয়েছেন ২ শতাংশ উত্তরদাতা।
জরিপে দেখা গেছে, নারী ভোটারদের মধ্যে বিএনপির জনপ্রিয়তা বেশি, যেখানে ৭১ দশমিক ১ শতাংশ নারী ভোটার দলটিকে সমর্থন করছেন। ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সী তরুণ ভোটারদের অংশগ্রহণ ছিল ৩৭ দশমিক ২ শতাংশ।
পূর্বে আওয়ামী লীগ সমর্থিত ভোটারদের মধ্যে ৮০ শতাংশ এবার বিএনপিকে এবং ১৫ শতাংশ জামায়াতে ইসলামীকে ভোট দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বলে জরিপে উঠে এসেছে।
সরকার গঠন নিয়ে প্রত্যাশা সম্পর্কে জরিপে অংশগ্রহণকারী ৬৬ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ মনে করছেন, আসন্ন নির্বাচনের পর বিএনপি
। জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট পেতে পারে ৪৬টি আসন। জাতীয় পার্টি ৩টি, অন্যান্য দল ৪টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ১৭টি আসনে জয়ী হতে পারে। এছাড়া ২২টি আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে।
পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ৬৮ শতাংশ উত্তরদাতা তারেক রহমানকে সমর্থন করেছেন। শফিকুর রহমানকে সমর্থন করেছেন ১৪ শতাংশ এবং নাহিদ ইসলামের পক্ষে মত দিয়েছেন ২ শতাংশ উত্তরদাতা।
জরিপে দেখা গেছে, নারী ভোটারদের মধ্যে বিএনপির জনপ্রিয়তা বেশি, যেখানে ৭১ দশমিক ১ শতাংশ নারী ভোটার দলটিকে সমর্থন করছেন। ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সী তরুণ ভোটারদের অংশগ্রহণ ছিল ৩৭ দশমিক ২ শতাংশ।
পূর্বে আওয়ামী লীগ সমর্থিত ভোটারদের মধ্যে ৮০ শতাংশ এবার বিএনপিকে এবং ১৫ শতাংশ জামায়াতে ইসলামীকে ভোট দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বলে জরিপে উঠে এসেছে।
সরকার গঠন নিয়ে প্রত্যাশা সম্পর্কে জরিপে অংশগ্রহণকারী ৬৬ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ মনে করছেন, আসন্ন নির্বাচনের পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয় পেতে পারে।