খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, এই চ্যালেঞ্জকে সামনে রেখেই এ সেক্টরের সবকিছু পর্যবেক্ষণ করছি। পর্যবেক্ষণ শেষেই একটি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে এবং কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী বাস্তবতার আলোকে যা যা করা দরকার সেগুলি বাস্তবায়ন করে কঞ্জারভেন্সী বিভাগকে নতুন করে সাজানো হবে।
কেসিসি প্রশাসক আজ মঙ্গলবার দিনব্যাপী নগরীর বিভিন্ন সেকেন্ডারী ট্রান্সফার স্টেশনের (এসটিএস) বর্তমান অবস্থা পরিদর্শনকালে স্থানীয় জনসাধারণ ও সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন। তিনি ঈদকে প্রাক্কালে জনমানুষের ভোগান্তি যেন না বাড়ে সেদিকে লক্ষ্য রাখা এবং বিদ্যমান এসটিএসগুলির প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ দ্রুত শুরু করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।
তিনি নগরীর ৩নং ওয়ার্ডস্থ দৌলতপুর রেল স্টেশনের বিপরীত পাশের এসটিএস, ৬নং ওয়ার্ডস্থ কবির বটতলার এসটিএস, ৯নং ওয়ার্ডস্থ বাস্তুহারা পুরাতন এ্যাসফল্ট প্লান্টের পাশের এসটিএস, ১০নং ওয়ার্ডস্থ গোয়ালখালী কবরস্থানের পাশের এসটিএস, ১১নং ওয়ার্ডস্থ খালিশপুর নিউ মার্কেটের পাশের এসটিএস এবং ১৩নং ওয়ার্ডস্থ নিউজপ্রিন্ট মিলের পাশের এসটিএস সরেজমিন পরিদর্শন করেন।
কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, কঞ্জারভেন্সী অফিসার প্রকৌশলী মো: আনিসুর রহমান ও মো: অহিদুজ্জামান খান, এস্টেট অফিসার গাজী সালাউদ্দিন, সহকারী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) মো: মোস্তফিজুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, উপসহকারী প্রকৌশলীবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বিকেলে কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু রূপসা শ্রম অধিদপ্তর প্রাঙ্গণে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করেন। অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘পথ বাংলাদেশ’ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজ, ইউনেস্কো-খুলনার সভাপতি নুরুল ইসলাম খান মিটু, ডা. রিফাত জাহান প্রমি ও ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউটের সেক্রেটারী আরিফুল ইসলাম জুয়েল।