ডেস্ক:: আন্তরিক অভ্যর্থনা ও উষ্ণ আতিথেয়তার জন্য মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম এবং তাঁর সহধর্মিণী ডা. ওয়ান আজিজাহ বিনতি ওয়ান ইসমাইলের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।
মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক বিশেষ বার্তায় প্রধানমন্ত্রী এই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তারেক রহমান বলেন, “মালয়েশিয়া সরকার ও দেশটির বন্ধুত্বপূর্ণ জনগণের পক্ষ থেকে প্রদর্শিত সৌহার্দ্য, আন্তরিকতা ও শুভেচ্ছায় আমরা অত্যন্ত মুগ্ধ ও আপ্লুত।”
তিনি আরও যোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে তাঁর ফলপ্রসূ আলোচনা বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী দ্বিপাক্ষিক বন্ধনের বিষয়টি আরও দৃঢ়ভাবে তুলে ধরেছে।
এই সম্পর্ক কেবল পারস্পরিক সহযোগিতা, সমৃদ্ধি ও আঞ্চলিক অগ্রগতির যৌথ অঙ্গীকারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি দুই দেশের জনগণের মধ্যে গভীর আস্থা ও বন্ধুত্বের প্রতিফলন বলে জানান তিনি।
সম্পর্কের ঐতিহাসিক পটভূমি তুলে ধরে তিনি বলেন, “এই মূল্যবান সম্পর্কের ইতিহাস বহু দশক পুরোনো। এর শিকড় প্রোথিত রয়েছে সেই সময়ে, যখন আমার পিতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এবং আমার মা বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।”
এ ছাড়া মালয়েশিয়ার রাজা সুলতান ইব্রাহিম ইবনি সুলতান ইস্কান্দারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তাঁর আন্তরিকতা ও মূল্যবান সময় দেওয়ার জন্য বিশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান তারেক রহমান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ মালয়েশিয়ার সঙ্গে সব ধরনের দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে মূল্যায়ন করে।
বিভিন্ন খাত ও জীবনের নানা ক্ষেত্রে দুই দেশের জনগণের মধ্যে যে নিবিড় যোগাযোগ ও বন্ধন গড়ে উঠেছে, তা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, “প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমার প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরের পর, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার বহুমাত্রিক অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করতে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি।”