মোঃ সাজ্জাদ হোসেন দিঘলিয়া প্রতিনিধি:: দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ঋষিপাড়ায় দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে পানি নিষ্কাশনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আজিজুল বারী হেলালের নির্দেশনায় উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক ও মেম্বার পদপ্রার্থী মোহাম্মদ আলী টুটুলের উদ্যোগে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
ইউনিয়নের পুটিমারি বটতলা থেকে ঋষিপাড়া হয়ে পথের বাজার পর্যন্ত জলাবদ্ধতা নিরসনে নর্দমা ও কালভার্ট থেকে পলিথিন ও বর্জ্য অপসারণ করা হয়। পাশাপাশি দ্রুত পানি নিষ্কাশনের জন্য নতুন করে মাটি কেটে ড্রেনেজ ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে। এতে ওই এলাকার প্রায় ৫০০ পরিবার জলাবদ্ধতা থেকে স্বস্তি মিলেছে।
গত শুক্রবার (৭ আগস্ট) থেকে শুরু হয়ে রবিবার (৯ আগস্ট) পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলে। অন্যদিকে বৃষ্টি উপেক্ষা করেঞ পানি নিষ্কাশন কার্যক্রম পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন দিঘলিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম সাইফুর রহমান মিন্টু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রকিব মল্লিক, শরীফ মোজাম্মেল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোল্লা নাজমুল, মোল্লা মনিরুজ্জামান, মোল্লা সাজ্জাদ হোসেন, আবুল কালাম আজাদ, সেনহাটি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শেখ মোসলেম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার ফারুক হোসেন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কুদরতি এলাহী স্পিকার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আব্দুল কাদের জনি, সদস্য সচিব মোহাম্মদ আলী টুটুল ও আনোয়ার হোসেন, সেনহাটি ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ডা. এস এম মেহেদী হাসান, সদস্য সচিব শেখ হেদায়েতসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
এ সময় উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম সাইফুর রহমান মিন্টু বলেন, পুটিমারি সংলগ্ন ঋষিপাড়ার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। ভারী বৃষ্টিতে পানি বাড়ির আঙিনায় উঠে যাওয়ায় রান্নাবান্না ও ফসল আবাদ ব্যাহত হচ্ছে। বিষয়টি খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আজিজুল বারী হেলালকে জানানো হলে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ত্রাণ প্রদানের নির্দেশ দেন। গত বুধবার (৫ আগস্ট) দিঘলিয়ায় এসে তিনি ঋষিপাড়ায় ত্রাণ বিতরণ করেন।
তিনি আরও বলেন, এমপির নির্দেশনায় ঋষিপাড়ার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে স্থায়ী ড্রেনেজ ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যাতে পানি সরাসরি নদীতে গিয়ে নিষ্কাশিত হতে পারে।
জলাবদ্ধতা নিরসনকালে মোহাম্মদ আলী টুটুল বলেন, পানি বন্দী মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে তাৎক্ষণিকভাবে ড্রেন পরিষ্কার এবং মাটি কেটে কংক্রিটের পাইপ বসানো হয়েছে, যাতে দ্রুত জমে থাকা পানি বের হয়ে যায়। পাশাপাশি এমপির মাধ্যমে ঋষিপাড়ার ৬০ জন পানি বন্দী মানুষের জন্য ত্রাণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এলাকার উন্নয়নে মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
দ্রুততম সময়ে ড্রেন ও কালভার্ট পরিষ্কার এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা দূর হওয়ায় ঋষিপাড়া এলাকায় স্বস্তি ফিরেছে। এ উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও ভুক্তভোগীরা উপজেলা বিএনপি এবং মোহাম্মদ আলী টুটুলসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।