মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, দিঘলিয়া প্রতিনিধি:: খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ‘মা ও শিশু পুষ্টি-২৬’ উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিশু-কিশোরদের সৃজনশীলতা বিকাশ এবং মা ও শিশুর পুষ্টি বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে অংশ নেয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিঘলিয়া উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মাকসুদা খানম। প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন মেহেদী হাসান, এম এ মজিদ মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং হাবিবুর রহমান মল্লিক, সেনহাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন হোসনেআরা আক্তার, আয়তুননেছা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রতিনিধি। বিভিন্ন বিদ্যালয় থেকে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি তাদের অভিভাবকরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতাটি দুটি গ্রুপে অনুষ্ঠিত হয়। ‘ক’ গ্রুপে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি এবং ‘খ’ গ্রুপে নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে।
‘ক’ গ্রুপের বিজয়ীরা
ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির ‘ক’ গ্রুপে প্রথম স্থান অর্জন করেছে তাসনিম ইসলাম, ষষ্ঠ শ্রেণি, রোল নম্বর-০৯, ফাতেমা মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়।
দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে রাফিয়া ইসলাম ফাতেমা, সপ্তম শ্রেণি, রোল নম্বর-০৩, আয়তুননেছা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়।
তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে তাসমিয়া রহমান ফাতেমা, ষষ্ঠ শ্রেণি, রোল নম্বর-১৫, সেনহাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়।
‘খ’ গ্রুপের বিজয়ীরা
নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ‘খ’ গ্রুপে প্রথম স্থান অর্জন করেছে জিনিয়া সুলতানা রিমু, দশম শ্রেণি, রোল নম্বর-০১, দিঘলিয়া এম এ মজিদ মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়।
দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে তনিসা হোসেন, নবম শ্রেণি, রোল নম্বর-০৯, ফাতেমা মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়।
তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে মরিয়ম আক্তার, নবম শ্রেণি, রোল নম্বর-০৯, সেনহাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়।
প্রতিযোগিতা শেষে দুই গ্রুপের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। পুরস্কার বিতরণীর মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
আয়োজকরা জানান, শিশু-কিশোরদের মধ্যে পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি তাদের সুপ্ত প্রতিভা ও সৃজনশীলতা বিকাশে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সচেতনতামূলক ও সৃজনশীল কর্মসূচি আরও জোরদার করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।