1. dailybanglarkhabor2010@gmail.com : দৈনিক বাংলার খবর : দৈনিক বাংলার খবর
শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:৩৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
তেহরানের কঠোর হুঁশিয়ারিতে উত্তপ্ত বিশ্বরাজনীতি ট্রাম্পকেও মাদুরোর মতো আটক করা উচিত ১৫ বছর পুলিশ দলীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল-আইজিপি ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের বড় কূটনৈতিক জয়, মার্কিন বাজারে শুল্কমুক্ত পোশাক রপ্তানির নতুন দিগন্ত বাগেরহাট প্রেসক্লাবে সিলভার লাইন গ্রুপের পরিচালক মেহেদী হাসান প্রিন্সের পক্ষ থেকে কম্পিউটার প্রদান বাগেরহাটে অবসর কল্যান সমিতির বার্ষিক সাধারন সভা অনুষ্ঠিত টেকনাফে যৌথ অভিযানে উদ্ধার করা ১৮ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস বেনাপোল বন্দর দিয়ে দুই সপ্তাহ ধরে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রয়েছে সুন্দরবন থেকে ৪৯০ কেজি অবৈধ কাঁকড়াসহ ৫ ব্যবসায়ী আটক বেসরকারি খাতে রোববার থেকে চলবে বেনাপোল-খুলনা-মোংলা রুটে চলাচলকারী বেনাপোল কমিউটার ট্রেন পাইকগাছায় পুলিশ সুপারের মতবিনিময় ও সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

দেশীয় গরুর জাত সংরক্ষণের মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে হবে-প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

  • প্রকাশিত: বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৭৬ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:: দেশীয় গরুর জাত সংরক্ষণ ও উন্নয়নের মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে যে দেশীয় গরুর জাতগুলো রয়েছে সেগুলো দীর্ঘ সময় ধরে নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করে নিজস্ব পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে টিকে আছে। তাই স্থানীয় গরুর জাতগুলোর ভেতরে থাকা অনন্য জেনেটিক বৈশিষ্ট্য ভবিষ্যতের টেকসই প্রাণিসম্পদ উন্নয়নের জন্য একটি মূল্যবান সম্পদ।’

বুধবার রাজধানীর একটি তারকা হোটেলে ‘জাতীয় অঙ্গীকার বাস্তবায়নে প্রাণিসম্পদ খাতের জলবায়ু কার্যক্রম সম্প্রসারণ’ (দ্বিতীয় পর্যায়) শীর্ষক জাতীয় স্টেকহোল্ডারদের ভ্যালিডেশন কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।

ফরিদা আখতার বলেন, ‘কেবল শঙ্কর জাতের দিকে ঝুঁকলে ভবিষ্যৎ ঝুঁকির আশঙ্কা বাড়তে পারে। তাই দেশীয় জাত সংরক্ষণ করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘মাঠপর্যায়ে দীর্ঘমেয়াদি তাপপ্রবাহ, আবহাওয়ার অনিশ্চয়তা ও উৎপাদন ব্যাহত হওয়া—এ বিষয়গুলো এখন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে উঠে আসছে। তাই কপ-৩১ এ বাংলাদেশী গবেষক, বিজ্ঞানী, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট, প্রাণিসম্পদ অধিদফতর, মৎস্য অধিদফতর এবং মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের বৈশ্বিক আলোচনায় নিয়মিত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।’

উপদেষ্টা বলেন, ‘উন্নত দেশগুলোর খাদ্যাভ্যাস ও জীবনধারা বিপুল পরিমাণ গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমনের জন্য দায়ী। জলবায়ু ঝুঁকিপ্রবণ দেশ হয়েও বাংলাদেশকে অনেক সময় অন্যায়ভাবে দোষারোপ করা হয়, কারণ বাংলাদেশের জন্য সেক্টরভিত্তিক সুনির্দিষ্ট তথ্য, পরিমাপ, প্রতিবেদন ও যাচাইকরণ ব্যবস্থা সেইভাবে প্রতিষ্ঠিত নয়।’

প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মো: আবু সুফিয়ানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে জাতিসঙ্ঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) প্রতিনিধি জিয়াওকুন শি, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট’র (বিএলআরআই) মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুক। এ সময় আরো বক্তৃতা করেন এফএও’র প্রাণিসম্পদ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিশেষজ্ঞ জ্যাঁ দে দ্যু আয়াবাগাবো। কর্মশালায় স্বাগত বক্তৃতা রাখেন এফএও’র ন্যাশনাল প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর ড. খান শহিদুল হক।

এদিকে ‘দুগ্ধ ও গরুর মাংস উৎপাদন ব্যবস্থায় গ্রিনহাউজ গ্যাস (জিএইচজি) নির্গমন হ্রাসে এলডিডিপি প্রকল্পের অর্জন এবং পরবর্তী পথ নির্দেশন বিষয়ে উপস্থাপনা করেন প্রকল্পের উপ-পরিচালক ড. শাকিফ-উল-আজম।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট