বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
নকআউট থেকে ফাইনালের সমীকরণ, সবকিছুই যেন আর্জেন্টিনার পক্ষে! ইরানের তহবিল মুক্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র, হরমুজ প্রণালী সচল করার আভাস প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এবার সুইজারল্যান্ড সফরের আমন্ত্রণ আনোয়ার ইব্রাহিম ও তার স্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন প্রধানমন্ত্রী আ’লীগের অপতৎপরতা ঠেকাতে চিতলমারী বিএনপি’র ৪টি সংগঠনের মিছিল পাইকগাছায় ‘নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের’ বিরুদ্ধে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে অংশীজনদের সঙ্গে ব্র্যাকের অ্যাডভোকেসি ডায়লগ পরিবেশ রক্ষায় ‘সবুজ মোংলা সমৃদ্ধ উপকূল’ সংগঠনের কমিটি গঠন চট্টগ্রামে ভেজাল লুব অয়েল ও কাঁচামাল জব্দ করেছে কোস্টগার্ড পাইকগাছায় মহিলাদের মৎস্য চাষ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এবার সুইজারল্যান্ড সফরের আমন্ত্রণ

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক:: চীন সফররত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলোইস জভিংগি। একই সঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সুইজারল্যান্ডের ডাভোসে অনুষ্ঠিতব্য ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের পরবর্তী বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান।

মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় চীনের ডালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়।

সাক্ষাতের শুরুতে আলোইস জভিংগি বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বৈশ্বিক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং বাংলাদেশের মতো ঝুঁকিপূর্ণ ডেল্টা অঞ্চলের জন্য সমন্বিত বৈশ্বিক উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

তারেক রহমান বলেন, “পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।”

তিনি আরও যোগ করেন, প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল পুনঃখননের মাধ্যমে পানিপ্রবাহ পুনরুদ্ধার, বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং সামগ্রিক পরিবেশ সুরক্ষায় মাঠপর্যায়ে বড় কাজ চলছে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসঙ্গ তুলে তিনি জানান, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে বিশেষ কর সুবিধা দেওয়া হয়েছে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে পূরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

জবাবে আলোইস জভিংগি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও বড় উদ্যোগ বৈশ্বিক পরিসরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।

তিনি বাংলাদেশের জলবায়ু সহনশীলতা ও টেকসই উন্নয়ন কার্যক্রম আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী ও অর্থায়নকারী সংস্থাগুলোর আগ্রহ বাড়াবে বলেও বিশেষ মন্তব্য করেন।

তিনি বাংলাদেশের উত্থাপিত সব বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন এবং ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

এই উচ্চপর্যায়ের সাক্ষাতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews