1. dailybanglarkhabor2010@gmail.com : দৈনিক বাংলার খবর : দৈনিক বাংলার খবর
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৫:০৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
নতুন বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নেই-এনবিআর চেয়ারম্যান তারাকান্দায় দিনব্যাপী জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং মেধা উদ্ভাবনী বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত দাকোপে উপজেলা পর্যায়ে স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প এবং উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শন কর্মসূচির উদ্বোধন বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে খুলনা সিটি মেডিকেল হাসপাতালে আগুনের সূত্রপাত তথ্যপ্রযুক্তির উৎকর্ষ সাধনে প্রধানমন্ত্রী নতুন ভাবনা শুরু করেছেন-কেসিসি প্রশাসক সুন্দরবন থেকে চার মাসে ৪২ অস্ত্রসহ ৩৯ দস্যুকে আটক করেছে কোস্টগার্ড বাগেরহাটে গ্রাম আদালতের সেবা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতে বার্ষিক ক্যাম্পেইন মোংলা বন্দরের নিরাপত্তায় কঠোর অবস্থানে থাকবে কোস্টগার্ড ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রথম চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন তালুকদার পাইকগাছায় স্টার্টআপ ও বিজ্ঞান প্রকল্প প্রদর্শনী প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

ডুুমুরিয়ায় কোরবানির জন্য সব থেকে বড় গুরুটিগোয়াল ভেঙ্গে বের করতে হবে

  • প্রকাশিত: শনিবার, ৮ জুন, ২০২৪
  • ২১২ বার পড়া হয়েছে

অরুন দেবনাথ. ডুমুরিয়া , খুলনা (প্রতিনিধি):: আসন্ন কোরবানি ঈদের জন্য ডুমুরিয়া উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বড় গুরুটির নামই বাদ পড়েছে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের তালিকা থেকে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আসন্ন কোরবানির ঈদের জন্য সমগ্র ডুমুরিয়া উপজেলার গরু-ছাগল খামারিদের কাছে বিক্রির জন্য ছোট-বড় ৪২ হাজার গরু ও ৩৩ হাজার খাসি ছাগল মজুদ আছে। তার মধ্যে বাছাই করে গত ২৯ এপ্রিল বড়-গরুর খামারিদের মধ্যে থেকে ৩৪ জনের একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। ওই তালিকায় উপজেলার রুদাঘরা ইউনিয়নের হাসানপুর এলাকার মাষ্টার মোজাহার আলী’র গুরুটির আনুমানিক ওজন ৪০ মন ধরা হয়েছে। এছাড়া উপজেলার সেনপাড়ার আব্দুল লতিফ মৌলঙ্গী গরুটিকে ৩৫ মন ওজন দেখানো হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিনের খামারি রঘুনাথপুর ইউনিয়নের পুলিশ ক্যাম্পের পিছনে মিনু সাহা’র নামই ওই তালিকায় নেই। সরেজমিনে তাদের বাড়িতে যেয়ে দেখা গেছে, তার ১২ফুট-৮ফুটের ছোট্ট গোয়াল ঘরের মধ্যে একটা বিশাল এড়ে গরু। সাড়ে ৩ বছর বয়সী গরু ‘মানিক’-কে ওই গোয়ালের লোহার দরজা না ভেঙ্গে বের করাই অসম্ভব। তবে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের তালিকানুসারে মোজহার মাষ্টারের গরু ‘নুন্টু’র আকার বা ওজনও কম নয়।
ইতোমধ্যে রঘুনাথপুরের মিনু সাহা’র মানিকের দাম উঠেছে, ১০ লাখ। তার চাহিদা আরও বেশি। আর মোজহার মাষ্টারের গরু ‘নুন্টু’র ৮ লক্ষাধিক টাকা দাম উঠেছে।
এ প্রসঙ্গে মিনু সাহা বলেন, গরুর খাবারের পেছনে অনেক খরচ। আসল ক্রেতা হলে ১২ লাখে ছাড়বো। আর মোজহার মাষ্টারের স্ত্রী রুমিচা বেগম বলেন, এখন প্রতিদিন ৭-৮’শ টাকার খাবার লাগে। তাই ১০ লাখের কম হলে আমাদের চরম ক্ষতি।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার আশরাফ কবির দুটি গরুর ছবি দেখে বলেন, আমি যাদের সহায়তায় তালিকা করেছি তাদের ভুলের জন্য সব থেকে বড় গরুটির তথ্য পাইনি। এখনই তালিকা আপডেট করবো।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট