শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:১৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
ডারউইন টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে চাপে রেখে নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের হাতে ইমরানের সঙ্গে দেখা না করতে দিলে ২৭ সেপ্টেম্বর ২০ লাখ মানুষের সমাবেশ-সোহেল আফ্রিদি বন্ধ থাকা এলএনজি টার্মিনাল চালু, গ্যাস সরবরাহে স্বস্তির সম্ভাবনা আগামী সপ্তাহে ভারত যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী, মোদির সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনা পাইকগাছায় পাটের বাম্পার ফলন ও দামে খুশি চাষিরা ঢাকায় কোস্টগার্ডের পৃথক অভিযানে ৩৬০০ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ দিঘলিয়ায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা টুটুলের উদ্যোগে আদর্শপাড়ায় জলাবদ্ধতার অবসান দিঘলিয়ায় ‘মা ও শিশু পুষ্টি-২৬’ উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অস্ট্রেলিয়া সফরে স্বপ্নের মতো প্রথম দিন কাটালো বাংলাদেশ কে হচ্ছেন বিএনপির পরবর্তী মহাসচিব, আলোচনায় যাদের নাম

‘আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ’ নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৪
  • ৪৪৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:: আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্বদানকারী দল। ফলে দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা সমীচীন হবে না বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।

বুধবার (২৮ আগস্ট) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, সংবিধান অনুসারে সংগঠন করার স্বাধীনতা আছে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্বদানকারী দল ছিল আওয়ামী লীগ। বিভিন্ন গণতান্ত্রিক সংগ্রামে দলটির অবদান ছিল। আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা সমীচীন হবে না।

আসিফ নজরুল বলেন, বিভিন্ন গণতান্ত্রিক সংগ্রামে আওয়ামী লীগের অবদান ছিল। কিন্তু গত ১৫ বছরে দলটি যা করেছে তা তাদের ঐতিহ্য এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে যায় না। আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের ইতিহাসে এক বর্বরতম ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিল। দলটির এমন কর্মকাণ্ডের জন্য ব্যক্তিগত বা নেতাদের সামষ্টিক দায় থাকতে পারে। কিন্তু এজন্য আওয়ামী লীগকে দল হিসেবে নিষিদ্ধ করা সমীচীন হবে না।

তিনি বলেন, যখন আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবি উঠেছে, তখন অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস থেকে প্রতিবাদ করা হয়েছে। কোনো রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করার পক্ষে আমি না, যদি না কোনো জঙ্গিবাদী কিংবা রাষ্ট্রবিরোধী তৎপরতায় তারা লিপ্ত থাকে। সত্যিকার অর্থে যদি কোনো রাজনৈতিক দল জঙ্গিবাদী কিংবা রাষ্ট্রবিরোধী তৎপরতায় জড়িত থাকে, তাহলে প্রচণ্ড সততার সঙ্গে তদন্ত করে এমন কিছু করা যেতে পারে।

একটি দলকে কখন সন্ত্রাসী বলা উচিত এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যারা বাংলাদেশের অস্তিত্ব ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করে না, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতি নস্যাৎ করতে চায়, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বৈষম্যহীন ও শোষণহীন সমাজকে ধ্বংস করার জন্য যারা পরিকল্পিতভাবে সশস্ত্র সংগ্রাম করে, তাদের সন্ত্রাসী সংগঠন বলা উচিত।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews