1. dailybanglarkhabor2010@gmail.com : দৈনিক বাংলার খবর : দৈনিক বাংলার খবর
বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০২:৪৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
এক অভিযানে শতাধিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা, ২৩০ ইসরায়েলি হতাহত সংসদে মন্ত্রীদের সংসদবিষয়ক দায়িত্ব বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি ঈদের দিন সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছাবিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী ঈদযাত্রায় বাড়তি ভাড়া আদায়ে গত ২০ বছরের রেকর্ড ভঙ্গ হওয়ার পথে ঈদুল ফিতরের তারিখ নির্ধারণে চাঁদ দেখা কমিটির সভা আগামীকাল যশোর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১২ লাখ টাকার চোরাচালানী মালামাল আটক নগরীর বিভিন্ন বাজার পরিদর্শন করেন-খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শার্শায় তারেক রহমানের পক্ষ থেকে এক হাজার দুস্থ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী ও গাছ বিতরণ চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে লঞ্চ থেকে ১০৪ যাত্রীকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড কৃষকের মুখে হাসি না ফুটলে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়-প্রধানমন্ত্রী

ভিয়েতনামে টাইফুন ইয়াগির আঘাতে নিহত ৬৩

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ১৪৬ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: ভিয়েতনামের উত্তরাঞ্চলে টাইফুন ইয়াগির আঘাতের পর মারাত্মক বন্যা ও ভূমিধসে মঙ্গলবার ৬৩ জন নিহত এবং ৪০ জন নিখোঁজ রয়েছে। ইয়াগির আঘাতের পরপরই মারাত্মক বন্যাদুর্গত এলাকা থেকে হাজার হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার জন্য উদ্ধার কর্মীরা সেখানে ছুটে যান।

মঙ্গলবার কৃষি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বন্যা ও ভূমিধসে প্রায় ৭৫২ জন আহত হয়েছেন।

আবহাওয়াবিদদের মতে, ৩০ বছরের মধ্যে ভিয়েতনামে আঘাত হানা ইয়াগি সবচেয়ে শক্তিশালী টাইফুন। শনিবার ঘণ্টায় ১৪৯ কিলোমিটার (৯২ মাইল) ইয়াগি স্থলভাগে আঘাত হানে। এতে সেতু ভেঙেছে, ভবনের ছাদ ছিন্নবিচ্ছিন্ন এবং কারখানাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

দেশের উত্তরাঞ্চলের মানুষ এখন ভয়াবহ বন্যার সঙ্গে লড়াই করছে। বেশ কয়েকটি সম্প্রদায় আংশিকভাবে পানির নিচে রয়েছে।

থাই নগুয়েন এবং ইয়েন বাই শহরের কিছু অংশে একতলা বাড়িগুলো মঙ্গলবার ভোররাতে প্রায় সম্পূর্ণভাবে ডুবে যায়। বাসিন্দারা সাহায্যের জন্য ছাদে অপেক্ষা করছেন।

হ্যানয়ের কাং হা বা কাই নদী হিসেবে পরিচিত রেড রিভারের (পলিবাহী,লালচে ঘোলাটে পানির প্রবাহ) তীরবর্তী এলাকার সম্প্রদায়গুলোও আংশিকভাবে বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সেখানকার লোকজনকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

নদীর কাছাকাছি বসবাসকারী ৫০ বছর বয়সী ফান থি তুয়েত বলেন, তিনি এর আগে কখনো এত বেশি পানি দেখেননি।

তিনি বলেন, ‘আমি সব হারিয়েছি, আমার সব শেষ হয়ে গেছে। আমাদের জীবন বাঁচাতে আমাকে উচ্চ ভূমিতে আসতে হয়েছিল। আমরা আমাদের সাথে কোনো আসবাবপত্র আনতে পারিনি। এখন সবকিছুই পানির নিচে।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট