1. dailybanglarkhabor2010@gmail.com : দৈনিক বাংলার খবর : দৈনিক বাংলার খবর
রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
সবাইকে নিজ অবস্থানে থেকে রাষ্ট্র গঠনে সহযোগিতার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন প্রধানমন্ত্রী নিম্ন আয়ের মানুষের হাতে উপহার তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদৎ বার্ষিকী পালন ২০২২ সালের বিশ্বকাপজয়ী ১৭ ফুটবলার আছেন আর্জেন্টিনার ২০২৬ বিশ্বকাপেও ১০০ জনকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাল বিএসএফ কোরবানির বর্জ্য অপসারণ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী পাইকগাছায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হলো ঈদ-উল আযহা ফিলিস্তিনিদের নির্যাতন করায় ইসরায়েলি ৪ সংস্থার ওপর ইইউর নিষেধাজ্ঞা মার্কিন হামলার জবাবে ইরানের পাল্টা আঘাত

নতুন শর্তারোপে বেনাপোল বন্দর দিয়ে মাছ আমদানি বন্ধের পথে

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১১ আগস্ট, ২০২৫
  • ২৭৪ বার পড়া হয়েছে

বেনাপোল প্রতিনিধি:: কাস্টমস কর্তৃপক্ষ নতুন শর্তারোপ করায় বেনাপোল বন্দর দিয়ে মাছ আমদানি বন্ধের পথে। নির্ধারিত শুল্কের চেয়ে বেশি অর্থ আদায় করায় বাধ্য হয়ে মাছ আমদানিতে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন আমদানিকারকরা। এতে প্রতিদিন সরকারের কোটি কোটি টাকার রাজস্ব আদায় বন্ধ হয়ে গেছে।

বেনাপোল কাস্টমস সূত্র জানায়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে মাছ আমদানি হয়েছিল ৩৫ হাজার ৪৯৩ মেট্রিক টন।

২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা কমে আমদানি হয়েছে ১৭ হাজার ১১৮ মেট্রিক টন। অর্থাৎ ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চেয়ে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কম আমদানি হয়েছে ১৮ হাজার ৩৭৫ মেট্রিক টন।

রবিবার (১০ আগস্ট) সন্ধ্যায় বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দুইটি মাছবাহী ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার ৭টি মাছবাহী ট্রাক বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে । শনিবার কোন মাছ আমদানি হয়নি এ বন্দর দিয়ে।

স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন এই বন্দর দিয়ে ১০-১৫ ট্রাক মাছ আমদানি হয়ে থাকে। সেখানে গত তিনদিনে মাত্র ৯ ট্রাক মাছ আমদানি হয়েছে। সরকারের প্রতিদিন প্রায় কোটি টাকার মতো রাজস্ব আসে মাছ আমদানি থেকে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সামুদ্রিক মাছে কেজি প্রতি শুল্ক নির্ধারণ করেছে ৫০ সেন্ট মার্কিন ডলার (প্রায় ৩৮ টাকা)। কিন্তু বেনাপোল কাস্টমস হাউস কেজি প্রতি ৭৫ সেন্ট শুল্ক আদায় করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রতিকেজিতে অতিরিক্ত ২৫ সেন্ট বা প্রায় ২০ টাকা বেশি অতিরিক্ত দিতে হচ্ছে আমদানিকারকদের, যা প্রতি চালানে কয়েক লাখ টাকা বাড়তি গুনতে হচ্ছে তাদের।

তবে রাজস্ব বোর্ডের নির্ধারণ করা মিঠা পানির মাছে কেজি প্রতি ১.৫০ সেন্ট (৮৮ টাকা) শুল্ক বহাল রয়েছে।

এ ছাড়া প্রতিটি ট্রাকে ৮০ শতাংশ মিঠাপানির মাছ এবং ২০ শতাংশ সামুদ্রিক মাছ থাকতে হবে বলে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ নতুন শর্ত দিয়েছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, এই শর্তে ভারত থেকে মাছ আমদানি করলে লোকসানের মুখে পড়তে হবে আমদানিকারকদের।

আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স জান্নাত এন্টারপ্রাইজের মালিক আল ফেরদৌস আলফা বলেন, অতিরিক্ত শুল্ক ও অযৌক্তিক শর্তের কারণে আমরা চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছি। আগের তুলনায় ট্রাকপ্রতি মাছ আমদানিতে খরচ বেড়েছে প্রায় ২৫ শতাংশ।ফলে লাভের পরিবর্তে লোকসানের ভাগই বেশি।

বেনাপোল আমদানি-রফতানি সমিতির সাধারন সম্পাদক জিয়াউর রহমান জানান, মাছ আমদানির খাত থেকে সরকারের প্রতিদিন বেনাপোল বন্দর থেকে প্রায় দেড় থেকে ২ কোটি টাকা রাজস্ব আসে। আগে গ্রোস ওজন ১৩৫ কেজি থেকে বরফ এবং কার্টুনের ওজন বাদ দিয়ে নিট ওজন ৬৬ কেজিতে শুল্কায়ন করা হতো। বর্তমানে গ্রোস ওজন ১০০ কেজি থেকে নীট ওজন ৫৫ কেজি হিসেবে শুল্ককর পরিশোধ করতে হচ্ছে। সে হিসেবে আমদানিকারকে অতিথি অর্থ গুনতে হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে কাস্টমসের সাথে কথা বলা হলেও কোনো প্রতিকার হয়নি। এতে আমদানি খরচ বাড়ায় বাধ্য হয়ে মাছ আমদানি বন্ধ রাখা ছাড়া উপায় নেই।

এ বিষয়ে বেনাপোল কাস্টমসের ডেপুটি কমিশনার মীর্জা রাফেজা সুলতানা বলেন, মাছ আমদানিতে বাধা নেই, মিঠা পানির মাছ ৮০ শতাংশ ও সামুদ্রিক মাছ ২০ শতাংশ শুল্ক দিয়ে আমদানি করতে হবে এই তথ্যটি সঠিক নয়। মাছ ব্যবসায়ীরা মিঠা পানির মাছ ও সামুদ্রিক মাছ আমদানিতে যে ঘোষণা দেন, তার সঙ্গে আমদানি করা পণ্যের কোনো মিল থাকে না। যার ফলে গত সপ্তাহে আমদানিকৃত মাছের বেশ কয়েকটি চালানে অনিয়মের সত্যতা পাওয়ায় জরিমানা করা হয়েছিল। মাঝে শুধু শনিবার ভারত থেকে মাছ আমদানি হয়নি। রবিবার দুই ট্রাক আমদানি হয়েছে। মাছ আমদানি স্বাভাবিক আছে।বৈধভাবে মাছ আমদানিতে বেনাপোল কাস্টমস হাউজের সর্বাত্মক সহযোগিতা থাকবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট