1. dailybanglarkhabor2010@gmail.com : দৈনিক বাংলার খবর : দৈনিক বাংলার খবর
বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:৫২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
ভারতে বিশ্বকাপ খেলবে না বাংলাদেশ, আইসিসির অনুরোধ প্রত্যাখ্যান বিসিবির হাতপাখাকে ৪৫ আসন ছাড়, বুধবার চূড়ান্ত ঘোষণা জামায়াতের এক কক্ষের অ্যাপার্টমেন্ট থেকে রাজকীয় গ্রেসি ম্যানশনে উঠলেন জোহরান মামদানি বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্ট সূচকে বাংলাদেশের বড় উন্নতি আকাশে ৫৪ পতাকা উড়িয়ে বিশ্বরেকর্ড বাংলাদেশের, স্বীকৃতি দিলো গিনেস শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায় ওয়েবসাইটে প্রকাশ চাকরিপ্রার্থী নয়, তরুণদের হতে হবে চাকরি সৃষ্টিকারী-প্রধান উপদেষ্টা পাইকগাছায় জলবায়ু পরিবর্তন ও জেন্ডার ন্যায্যতা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত অধিকাল ভাতা’ বন্ধে ক্ষুব্ধ স্থলবন্দর কর্মচারীরা :পুনরায় ভাতা চালুর দাবি, চরম অসন্তোষ

চালের বাজারে সু-খবরের প্রত্যাশায়

  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৫৯৫ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক:: চালের সরবরাহ স্বাভাবিক ও সংকট না থাকলেও বেশ কিছুদিন ধরে চালের বাজার অস্থিরতা বিরাজ করছে। নতুন করে চালের দাম না বাড়লেও গত তিন-চার মাস ধরেই দামে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা রয়ে গেছে। তবে আশার আলো দেখাচ্ছে ভারত থেকে চাল আমদানি। গত সপ্তাহ থেকে দিনাজপুরের হিলি ও বেনাপোল স্থলবন্দরসহ সীমান্ত থেকে ভারতীয় চাল বাজারে আসায় চাল দাম কমার প্রত্যাশা করছে ক্রেতা ও বিক্রেতা।

শনিবার রাজধানীর রামপুরা, মধুবাগ, মালিবাগ ও কারওয়ান বাজার যাচাই করে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।

চাল ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারত থেকে চাল আমদানি শুরু হলেও বাজারে দামের তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি। তবে আমদানি প্রক্রিয়া সহজতর ও পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে বাজারে সরবরাহ বাড়বে, এতে স্বাভাবিকভাবেই দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে। সাধারণ ভোক্তারা তখন কিছুটা স্বস্তি পাবেন।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, পাইকারি বাজারে মিনিকেট চাল কেজি প্রতি ৭৫-৮০ টাকা, আটাশ বালাম ৬৫-৬৮ টাকা, স্বর্ণা মোটা চাল ৫৬-৫৮ টাকা, নাজিরশাইল ৮০-৮৫ টাকা, বাসমতী ৯৫ থেকে ১০০ টাকা, চিনিগুঁড়া চাল ১০০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে।

যার বিপরীতে খুচরা পর্যায়ে মিনিকেট চালের দাম কেজি প্রতি ৭৮-৮৫ টাকা, আটাশ বালাম কেজি প্রতি ৬৫-৭২ টাকা, নাজিরশাইল ৮৫-৯০ টাকা, স্বর্ণা মোট ৫৫-৬০ টাকা, পাইজাম ৬২ থেকে ৬৫ টাকা, বাসমতী ৯৫-১২০ টাকা ও চিনিগুঁড়া ১৩০-১৫০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কারওয়ান বাজারের পাইকারি বিক্রেতা শাহীন বলেন, চালের দাম বাড়েনি। যা বাড়ার আগেই বেড়েছে। গত তিন-চার মাস ধরে প্রায় একই দামে বিক্রি করছি। তবে ভারতীয় চাল আসা শুরু করেছে, ওই সরবরাহ বাড়লে দাম কমতে পারে।

আর রামপুরার এক বিক্রেতা মাহবুব বলেন, গত কিছুদিন ধরেই চালের বেশি দামে চাল বিক্রি করছি। নতুন করে বাড়েনি, আবার কমারও লক্ষণ পাচ্ছি না। শুনছি আমদানি করা চাল বাজারে আসছে। যদি সরবরাহ স্বাভাবিক হয়, তাহলে কমতে পারে দাম।

বাজারে চালের সরবরাহ বৃদ্ধি করে দেশের চালের মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে চলতি বছরের শুরুতেই আমদানি শুল্ক ও রেগুলেটরি শুল্ক প্রত্যাহারসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেয় সরকার। ফলে আমদানি করা চালের দাম তুলনামূলক কম হওয়ার কথা বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, দেশে মাথাপিছু দৈনিক চাল গ্রহণের পরিমাণ ৩২৮ দশমিক ৯ গ্রাম। শহরাঞ্চলে মাথাপিছু চাল গ্রহণের পরিমাণ ২৮৪ দশমিক ৭ গ্রাম। সব মিলিয়ে ১৭ কোটির মানুষের প্রতিদিনের হিসাব ধরে বছরে প্রয়োজন হয় প্রায় ২ কোটি ৬০ লাখ টন চাল। সেখানে গত ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে চালের চার কোটি টনের বেশি চাল উৎপাদন করে বাংলাদেশ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট