দেশমাতৃকার সেবায় নিয়োজিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতিটি সৈনিক। জাতীয় সংকটে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যে অবদান তা জাতি সকল সময়ে মনে করে। জাতির যে কোন ক্রান্তিলগ্নে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যে ভুমিকা রয়েছে সেটি কিন্ত অবশ্যই প্রংশসার দাবী রাখে। বিশ্বে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইতিহাস অনেক গৌরবদীপ্ত। রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা সংগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও গৌরবের এই বাহিনী সুশৃঙ্খলভাবে এগিয়ে চলেছে। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীতে মেধাও পরিশ্রমের সাথে যে কাজ করে চলেছে সেটি কিন্তু জাতিকে করেছে গর্বিত। ১৯৮৮ সালের বন্যার চিত্র বাংলাদেশের মানুষ দেখেছে কিন্তু সেইসময় সেনাবাহিনির সদস্যরা যে ভূমিকা রেখেছে সেটি কিন্তু জাতি এখনও কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণকরে। বাংলাদেশের যে কোন প্রাকৃতিক দূর্যোগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা যে ভূমিকা রেখেছে সেটি কিন্তু অবশ্যই প্রংশসার দাবী রাখে। আমাদের সাধারণ জনগণের সর্বশেষ আশ্রয়স্থল বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী। দূর্যোগে ত্রাণসামগ্রী নিয়ে আমাদের সেনা, নৌ, বিমানবাহিনীর সদস্যরা যে ভুমিকায় অবতীর্ণ হয় সেটি কিন্তু প্রশংসনীয়। জাতি হিসাবে আমাদের অনেক হতাশা রয়েছে তারপর আমাদের প্রাপ্তি কিন্তু একেবারে কম নয়। ১৯৮৮ সালের বন্যার চিত্র বাংলাদেশের মানুষ দেখেছে কিন্তু সেইসময় সেনাবাহিনীর সদস্যরা যে ভূমিকা রেখেছে সেটি কিন্তু জাতি এখনও কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করে। আফ্রিকার সংঘাতপূর্ণ এলাকায় আমাদের সূর্য সন্তনরা শান্তির বারতা নিয়ে কাজ কওে চলছে তখন কিন্তু আমাদের গর্ব হয়। যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশে মাইন অপসারণের মতঝুঁকিপূর্ণ কাজে যে অবদান রেখেছে সেটি কিন্তু সমগ্র পৃথিবী প্রশংসা করেছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিশ্ব শান্তিরক্ষায় জাতি সংঘ শান্তিরক্ষায় অগ্রনী ভূমিকা পালন করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সেনাবাহিনীর প্রাথমিক দায়িত্ব হচ্ছে বাংলাদেশের ভূখন্ডের অখন্ডতা রক্ষাসহ বহিঃশক্রর আক্রমণ থেকে দেশকে রক্ষা করা এবং সর্বধরণের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সহায়তায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী এবং বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সাথে প্রয়োজনীয় শক্তি ও জনবল সরবরাহ করা। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সমরে আমরা শান্তিতে আমরা সর্বত্র আমরা দেশের তরে এই মূলমন্ত্র ধারণ করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পরিচালিত হচ্ছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর স্থল শাখা । ১৯৭১ সালের ১১-১৭ জুুলাই সেক্টর কমান্ডার্স কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। এই কনফারেন্সে লেঃ কর্ণেল আব্দুর রবকে চিফ অব স্টাফ,গ্রুফ ক্যাপ্টেন এ, কে খন্দকারকে ডেপুটি চিফ অফ স্টাফ এবং মেজর এ,আর চৌধুরীকে অ্যাসিস্ট্যান্ট চিফ অফ স্টাফ হিসাবে দায়িত্ব দিয়ে বাংলাদেশ বাহিনী প্রতিষ্ঠিত হয়। ২১ নভেম্বর আনুষ্ঠানিক ভাবে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ বাহিনীর সামরিক সদস্যদের নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর মুক্তিবাহিনীর সদস্যরা সেনাবাহিনীর বিভিন্ন শাখায় অন্তর্ভূক্ত করে নেওয়া হয়। ১৯৭৪ সালে পাকিস্তান ফেরত কর্মকর্তা ও সৈনিকদের বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। ১৯৭২- ১৯৭৩ সালের মধ্যেই সেনাবাহিনীতে ইঞ্জিনিয়ার্স, সিগন্যাল সার্ভিস, অর্ডন্যান্স মিলিটারি পুলিশ, অশ^ গবাদি পশুপালন ও খামার এবং মেডিকেল কোর গঠিত হয়। ১৯৭৪ সালে কুমিল্লা এ বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমী প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৭৫ সালের ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রথম শর্টকোর্সেও পাসিং আউট প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৭৫ সালে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর গঠিত হয়। দেশের ভিতরে এবং দেশের বাইরে বাংলাদেশের সশস্ত্রবাহিনীর সদস্যরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছে মেধা ও দক্ষতা সাথে।
জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীতে বাংলাদেশের পথ চলা শুরু হয়েছিল ১৯৮৮ সালে। জাতি সংঘের ইরান ইরাক সামরিক পর্যবেক্ষ কমিশনে ১৫ জন সদস্য পাঠিয়েছিল বাংলাদেশ। সেই থেকে যাত্রা শুরু হয়েছিল। অদম্য বাংলাদেশ এগিয়ে চলেছে। ১৯৭১ থেকে ১৯৮৮ সময়টি কিন্তু খুব বেশি নয়। জাতি সংঘের মিশনে দীর্ঘ চার দশকের শান্তিরক্ষার ইতিহাস বালাদেশের শান্তিরক্ষীরা বিশে^র ৪৩ টি দেশে ও স্থানে ৬৩টি জাতিসঙ্ঘ মিশন সফলতার সাথে সম্পন্ন করেছে। বর্তমানে ১টি দেশে আমাদের ৫,৮১৮ জন শান্তিরক্ষী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে ও কার্যক্রমে নিয়োজিত আছে যার মধ্যে রয়েছে ৪৪৪ জন নারী শান্তিরক্ষী। শুরু থেকে এ পর্যন্ত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের সর্বমোট ১৬৮ জন শান্তিরক্ষী মিশনে সর্বমোট ১৬৮ জন শান্তিরাক্ষী শহীদ হয়েছেন। এই বছর ২জন আহত শান্তিরক্ষীকে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। ২৯ মে পালন করা হয়ে থাকে আর্ন্তজাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস।
শান্তিরক্ষার মিশনগুলোতে সাধারণত মানুষের জীবন রক্ষা করা নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং শরণার্থী ও বাস্তুচ্যুত মানুষদের সহাযতায় কাজ করা, সাবেক যোদ্ধাদের অস্ত্র জমা নেওয়া ,তাঁদের সমাজে পুনঃস্থাপন করা এবং সমাজে শান্তি ও আস্থা ফিরিয়ে আনায় কাজ করে। কখনো কখনো স্থানীয় পুলিশ ও বিচার ব্যবস্থারকে প্রশিক্ষণ ও সহায়তায় কাজ করে। অনেক ক্ষেত্রে স্কুল হাসপাতাল, রাস্তা ইত্যাদি অবকাঠামো নির্মাণেও অংশগ্রহণ করে শান্তিরক্ষীর্ াএসব কাজ করতে গিয়ে তাঁদের নানা ধরনে রচ্যালেঞ্জের মধ্যেও পড়তে হয়।
শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ বর্তমানে ৪৪৪ জন নারীসহ ৫,৮১৮জন শান্তিরক্ষী নিয়োজিত আছেন। শান্তিরক্ষায় জীবন দিয়েছেন ১৬৮ জন আহত ২৫৭ জন। সৈন্য প্রেরণে শীর্ষ দেশের তালিকায বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়।
৩৫ বছরে জীবন দিয়েছে ১৬৮ জন বাংলাদেশি আহত হয়েছেন অন্তত ২৫৭ জন। তিন দশকের বেশি সময়ে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা ৪৩ টি দেশ ৬৩ টি স্থানে জাতিসংঘ মিশন সফলতার সাঙ্গে সম্পন্ন করেছেন। এ দীর্ঘ যাত্রায় সশস্ত্র বাহিনীর অন্তত ১ লাখ ৭৮ হাজার ৭৪৩ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করেছেন বলে আমর্ড ফোর্সেস ডিভিশনের ওয়েবসাইটে উল্লেখ করা হয়েছে।
সুদান ও দক্ষিন সুদানের মধ্যবর্তী সীমান্ত অঞ্চল আবেই মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র (সিএআর, সাইপ্রাস , ডেমোক্রোটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো ( ডি আর কঙ্গো, লেবানন,দক্ষিণ সুদান,উত্তর পশ্চিম আফ্রিকার বিরোধপূর্ণ অঞ্চল পশ্চিম সাহারা, ইয়েমেন ,লিবিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতি সংঘসদর দপ্তর একর্মরত রয়েছে আমাদের সেনাবাহিনীর সদস্যরা।
চিকিৎসা ক্ষেত্রসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখছে আমাদের শান্তিরক্ষী বাহিনীর সদস্যরা। বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় আইকনিক অন্যতম মেগা প্রকল্প পদ্মাসেতু নির্মাণ চলা কালে সেনাবাহিনী মেধাবী সদস্যরা জাজিরা ও মাওয়া অ্যাপ্রোচ রোড নির্মাণ,নদী শাসন ও নিরাপত্তা প্রদানের পাশাপাশি ব্রিজ অ্যান্ড ফ্যাসিলিটিজ সার্ভিস এরিয়ার কনস্ট্রাকশন সুপার ভিশন কনসালট্যান্ট হিসাবে সেনাবাহিনির সদস্যরা কাজ করেছে। আমাদের দেশের অনেক বৃহৎ কার্যক্রমের সাথে। আমরা সকলে জানি পদ্মাসেতু নির্মাণের পর ঘুরে দাঁেিয়ছে বাংলাদেশের অর্থনীতি। রাঙ্গামাটি ,খাগাছরি বান্দরবন জেলায় রাস্তা ঘাটসহ ভৌতঅবকাঠামো নির্মাণের ফলে জীবন ধারার পরিবর্তন এসেছে।
রূপপুর মেগা প্রজেক্ট এর সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্বে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মুক্তি বাহিনী (যা পরবর্তীতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নামে পরিচিত গঠিত হয়েছিল এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রথম প্রহরে এই বাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন জেনারেল মহম্মদ আতাউল গণি ওসমানী।
সুতরাং বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মুক্তি বাহিনী বা বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে জেনারেল মহম্মদ আতাউল গণি ওসমানীর নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। বাংলাদেশের বর্তমান সেনা প্রধান হলেন জেনারেল ওয়াকার-উজ জামান তিনি ২০২৩ সালের ২৩ জুন তারিখে সেনা প্রধান হিসাবে দায়িত্বভার গ্রহন করেন। জেনারেল ওযাকার উজ জামান ১৯৮ এর দশকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন এবং দীর্ঘ কর্মজীবনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সেনাবাহিনীর একজন অভিজ্ঞ কর্মকর্তা এবং দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও শান্তিরক্ষা মিশনে অংশ নিয়েছেন। সেনাপ্রধান হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তিনি আধুনিকীরণ এবং পেশাদারিত্বেও ওপর জোর দিচ্ছেন। জনকল্যাণমূলক কাজ
: দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের জন্য ত্রাণ বিতরণ
: বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সহাযত াপ্রদান
: দাতব্য চিকিৎসালয় ও চক্ষ ুশিবিরের আয়েয়াজন করা।
: বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও পরিবেশ সুরক্ষার জন্য কাজ করা।
: সাংস্কৃতিক ও বিনোমূলক কার্যক্রম
বিভিন্ন জাতীয় দিবস উদ্যাপন , যেমন বিজয় দিবস,স্বাধীনতা দিবস ইত্যাদি। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রদর্শনীর আয়োজন করা।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রথমশর্ট কোর্সেও পাসিং আউট প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৭৫ সালে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর গঠিত হয়।
সামাজিক দাযবদ্ধতা,বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী বাস্তবায়ন,অবকাঠামো নির্মাণ
বর্তমানে দেশের আইন শৃঙ্খলারক্ষাসহ সেনাবাহিনীর ভূমিকা প্রশংসা কুড়িয়েছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কার্যক্রম আভ্যন্তরীন নিরাপত্তা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা জাতি গঠনে আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা কমিউনিটি এনজেগমেন্ট এক মিনিটের বাজার।
সমরে আমরা,শান্তিতে আমরা সর্বত্র আমরা দেশের তরে এই মূলমন্ত্রে উজ্জীবিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের ভৌগলিক অখন্ডতা রক্ষার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডে প্রত্যক্ষভাবে অংশ গ্রহণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। বর্তমানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ৪৪টি ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কালেজ এবং ১৮ টিইংলিশমিডিয়াম ভার্সনসহ সারা দেশে ১২ টি ক্যাডেট কলেজ প্রতিষ্ঠাও পরিচালনা করে শিক্ষার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে এসব প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীও ক্যাডেটরা জাতীয় পরীক্ষা গুলোতে ঈর্ষণীয় সাফল্যেও পাশাপাশি চৌকস ও নেতৃত্বদানে পারদর্শী দক্ষ জনশক্তি হিসাবে গড়ে উঠেছে।
উচ্চ শিক্ষা,গবেষণা ও আধুনিক জ্ঞানচর্চার জন্য মিরপুর সেনানিবাসে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস্ প্রকৌশল শিক্ষার ক্ষেত্রে প্রসারিত করার লক্ষ্যে মিলিটারি ইনিস্টিটিউট অব সায়েন্সআ্যান্ড টেকনোলজি এবং কুমিল্লা সৈয়দপুর ও কাদিরাবাদ সেনানিবাসটি আর্মি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা কওে শিক্ষার্থীদের দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করেছে। সেনাপরিবার কল্যাণ সমিতির পৃষ্ঠপোষতায় বিশেষ চাহিদা সম্পন শিশুদের দক্ষ জনশক্তি হিসাবে গড়ে তোলার জন্য দেশের বিভিন্ন সেনানিবাসে ১ টি বিশেষায়িত স্কুল (প্রয়াস) করা হযেছে।
দেশ সেবারব্রত নিয়ে যে যাত্রা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শুরু করেছে সেটি কিন্তু চলমান রয়েছে। দেশে শিক্ষা, চিকিৎসা,অবকাঠামো নির্মাণসহ সামাজিক কর্মকান্ডে অক্লান্ত পরিশ্রম কওে চলেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা। রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পরবর্তীতে দেশের সাধারণ মানুষ অনেক শংকার মধ্যে ছিল সেই পরিস্থিতি থেকে উত্তরনে জাতির ত্রাণকর্তা হিসাবে বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী যে অবদান রেখেছে সেটি কিন্ত জাতি অবশ্যই মনে রাখবে।
জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীর সদস্য হিসাবে যে ভূমিকা তারা রাখছে সেটি কিন্তু আজ বিশে^ স্বীকৃত। বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রধান নিজনিজ যোগ্যতা বলে বাহিনীর প্রধান হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। পেশাদারিত্বের এক নজীর স্থাপন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মানুষ মানুষের জন্য এই শ্লোগানকে সামনে রেখে সামাজিক দায়বদ্ধ তার জায়গা থেকে ‘‘এক মিনিটের বাজার’’প্রশংসা কুড়িয়েছে অনেকের। দেশের শান্তি শৃঙ্খলারক্ষা এবং একট সুষ্ঠ ুনির্বাচনের জন্য মানুষ এখন তাকিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনি’র সদস্যদের প্রতি।
লেখক উন্নয়ন কর্মী বাপি সাহা। ই- মেইল –sahabapi998@gmail.com.
Leave a Reply