1. dailybanglarkhabor2010@gmail.com : দৈনিক বাংলার খবর : দৈনিক বাংলার খবর
বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
কৃষকের মুখে হাসি না ফুটলে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়-প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা নগরীর বিভিন্ন সেকেন্ডারী ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) সরেজমিন পরিদর্শন করেন-নজরুল ইসলাম মঞ্জু। পাইকগাছায় অনুমোদনবিহীন ক্লিনিকে অভিযান; জরিমানা ও কারাদণ্ড খালগুলো দখলমুক্ত হলে ডুমুরিয়া অঞ্চলের জলাবদ্ধতা দূর হবে -জাতীয় সংসদের হুইপ সুন্দরবনের দস্যু নানা বাহিনীর কাছে জিম্মি থাকা ৬ জেলে উদ্ধার সৌদি আরবে ঈদ কবে হতে পারে জানা গেল বিজেপিপন্থী আরএসএস-এর ওপর মার্কিন কমিশনের নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ,১৭ দিনে ১৫ ইসরায়েলি নিহত, আহতের সংখ্যা ৯০০ ছাড়াল দেশে চালু হতে পারে ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান কার্ড’

ডুমুরিয়ায় নতুন জাতের ১১০ ধানের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৭৩১ বার পড়া হয়েছে

অরুণ দেবনাথ, ডুমুরিয়া(খুলনা) প্রতিনিধি:: স্বল্প সময়ে উচ্চ ফলনশীল নতুন জাত ব্রি ধান-১১০-এর চাষে বাম্পার ফলন হয়েছে। বাম্পার ফলনে খুশি কৃষকরাও। নতুন জাত ব্রি ধান-১১০ এ রোগ বালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণ কম। এছাড়াও অন্যান্য জাতের তুলনায় বেশি ফলন হওয়ায় ব্রি ধান-১১০ চাষে ঝুঁকছেন চাষিরা। কৃষকদের মাঝে নতুন এই জাতের বীজ ছড়িয়ে দিতে বাংলাদেশ ধান গবেষনা ইনস্টিটিউট কাজ করে যাচ্ছে।

এই ধান খুলনার ডুমুরিয়ায় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউটের উদ্ভাবিত ব্রি- ১১০ আশার আলো দেখাচ্ছে এ অঞ্চলের চাষিদের।

কয়েকজন কৃষক জানান, স্বল্প সময়ে উচ্চ ফলনশীল নতুন জাত ব্রি ধান-১১০-এর চাষ করে বাম্পার ফলন পাবেন এমন আশাবাদী কৃষকেরা। এই জাতের ধানে রোগ বালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণ কম। তুলনামূলক সার-কীটনাশক কম লাগায় উৎপাদন খরচ কম হয়। একর প্রতি ধান ৬৫ থেকে ৭৫ মণ। ১১০ ধান বপনের পর এই ধান উঠতে সময় লাগে মাত্র ১২০ থেকে ১২৫ দিন। আগাম জাতের এ ধান আবাদ হওয়ায় খুশি এই চাষি।

খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার খর্নিয়া ইউনিয়ন টিপনা গ্রামের আদর্শ কৃষক মন্জুর রহমান জানায়, উচ্চ ফলনশীল নতুন জাতের ব্রি ধান-১১০ আবাদ করেছেন ৪ একর জমিতে। ফলন ভালো হয়েছে। এ ব্যাপারে ডুমুরিয়া কৃষি অফিসার কৃষিবিদ ইনসাদ ইবনে আমিন তুহিন বলেন, সাধারণ কৃষকদের মাঝে নতুন উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বীজ উৎপাদন করছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং এই ধান বন্যা সহিংস ১০/১৫ দিন পানিতে তলিয়ে থাকলেও কোন পচন আসেনা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট