1. dailybanglarkhabor2010@gmail.com : দৈনিক বাংলার খবর : দৈনিক বাংলার খবর
বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ১১:১৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
খুলনায় ঈদের প্রধান জামাত সার্কিট হাউস ময়দানে সকাল সাতটায় মেসিকে নিয়ে স্কালোনির আবেগঘন মন্তব্য ৪৪তম বিসিএস: ১০১ জনের নন-ক্যাডার মনোনয়ন বাতিল শুধু পদ্মা ব্যারাজ নয়, তিস্তা প্রকল্পেও হাত দেবে সরকার-প্রধানমন্ত্রী বেনাপোলে অভিযান চালিয়ে ১২ লাখ টাকার চোরাচালানী পণ্য আটক খুলনায় বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস উপলক্ষ্যে সভা অনুষ্ঠিত জলবায়ু সংক্রান্ত ক্ষয়-ক্ষতি বিষয়ক জাতীয় কৌশল প্রণয়নে সহযোগিতার লক্ষ্যে স্টেকহোল্ডারদের কর্মশালা পাইকগাছায় আন্তর্জাতিক মৌমাছি দিবস পালিত পাইকগাছার বিখ্যাত বোম্বাই লতা আমে ‘স্ক্যাব’ রোগের থাবা,দিশেহারা শত শত চাষি দাকোপে কোরবানীর পশুরহাটে গবাদিপশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসায় মেডিকেল টিমের ক্যাম্প

দেশবাসীকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৯৫ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক:: বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল বাংলাভাষী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) এক বিশেষ বাণীতে তিনি নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়ে অতীতের জীর্ণতা মুছে সামনে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

শুভেচ্ছা বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, পহেলা বৈশাখ আমাদের জাতিসত্তার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির এক অনন্য প্রতীক। শত শত বছর ধরে এই দিনটি নতুনের ডাক নিয়ে আমাদের জীবনে ফিরে আসে। তিনি উল্লেখ করেন যে, পহেলা বৈশাখের সাথে এই অঞ্চলের কৃষি, প্রকৃতি এবং কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির যুগেও কৃষকরা প্রকৃতির সাথে মিল রেখেই ফসল উৎপাদনের সময় নির্ধারণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলার লোকজ সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও মূল্যবোধের ধারাবাহিকতা পহেলা বৈশাখের মাধ্যমে নতুন করে উজ্জীবিত হয়। বৈশাখী মেলা, শোভাযাত্রা ও হালখাতার মতো ঐতিহ্যবাহী আয়োজনগুলো আমাদের ঐক্যবদ্ধ করে এবং সংস্কৃতির বহুমাত্রিক সৌন্দর্য তুলে ধরে।

বিগত দেড় দশকের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন এবং গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে জয়ী হয়ে নতুন গণতান্ত্রিক সরকার গঠনের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নিয়েই সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ শুরু করেছে।

তিনি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড, খাল খনন এবং ধর্মীয় গুরুদের আর্থিক সহায়তার মতো কর্মসূচির কথা উল্লেখ করেন। বিশেষ করে নববর্ষের প্রথম দিন থেকে শুরু হওয়া ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি দেশের কৃষি অর্থনীতিতে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

পরিশেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আশা করি, ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ এবং সহনশীলতা আমাদের গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে। বিশ্বজুড়ে চলমান সংকটের মাঝে শান্তি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের চর্চা আজ অত্যন্ত জরুরি। নতুন বছরের শুভক্ষণে আমাদের অঙ্গীকার হোক সব সংকীর্ণতা কাটিয়ে মানবকল্যাণের পথে এগিয়ে যাওয়া।

নতুন বছর সবার জীবনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনুক এই প্রত্যাশা নিয়ে তিনি আবারও সবাইকে শুভ নববর্ষ জানান।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট