1. dailybanglarkhabor2010@gmail.com : দৈনিক বাংলার খবর : দৈনিক বাংলার খবর
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০২:২১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম মার্কিন বোমারু বিমান বিধ্বস্তে নিহত ৮ ইরানের ২৪ বিলিয়ন ডলার ফিরিয়ে দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র একনেকে ৭ হাজার কোটি টাকার ৫ প্রকল্প অনুমোদন বিশ্বকাপে প্রধানমন্ত্রী কোন দলের সাপোর্টার, জানালেন নিজেই পাইকগাছায় বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বাগেরহাটে ভাই হত্যার বিচার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন: জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ পাইকগাছায় প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে লিডার্সের লবণসহিষ্ণু ব্রি ধান-৮৭ বীজ বিতরণ নগরীতে ম্যাটেরিয়াল রিকভারী সেন্টারের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বর্তমান সরকার দেশের অপার সম্ভাবনাময় সমুদ্র সম্পদের বিজ্ঞানভিত্তিক টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করবে-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী নৌবাহিনী পরিচালিত শিপইয়ার্ডে নির্মিত হচ্ছে সামুদ্রিক গবেষণা জাহাজ

পাইকগাছায় পাখির জন্য বাঁধা মাটির পাত্রে- এবার কাঠবিড়ালির বাসা

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১২২ বার পড়া হয়েছে

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি::পাইকগাছায় পাখির জন্য গাছে বাঁধা মাটির পাত্র এখন শুধু পাখিরই নয়—কাঠবিড়ালিরও নিরাপদ আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছে। স্থানীয় পরিবেশবাদী সংগঠন ‘বনবিবি’ কর্তৃক স্থাপিত এসব পাত্রে সম্প্রতি কাঠবিড়ালি বাসা বেঁধেছে বলে জানা গেছে।

কাঠবিড়ালিরা সাধারণত নারকেল, সুপারি, খেজুরসহ উঁচু গাছে নরম জিনিসপত্র দিয়ে গোলাকৃতি বাসা তৈরি করে বংশবিস্তার করে। তবে এ বছর প্রথমবারের মতো নতুন বাজারের পাশের দেবদারু গাছ ও গোপালপুর স্কুলসংলগ্ন মেহগনি গাছে বাঁধা মাটির পাত্রে কাঠবিড়ালির বাসা তৈরির ঘটনা স্থানীয়দের বিস্মিত করেছে।

‘বনবিবি’ সংগঠনটি এ বছর উপজেলার বিভিন্ন গাছে প্রায় দুই হাজার আট শতাধিক মাটির পাত্র, ছোট ঝুড়ি ও বাঁশের তৈরি বাসা স্থাপন করেছে। ইতোমধ্যে এসব বাসায় বিভিন্ন প্রজাতির পাখি ডিম পেড়েছে ও বাচ্চা ফুটিয়েছে।

সংগঠনের সভাপতি সাংবাদিক, কলামিস্ট ও পরিবেশকর্মী প্রকাশ ঘোষ বিধান জানান, পাখিদের নিরাপদ আবাসস্থল তৈরি—এটাই ছিল আমাদের স্বপ্ন। এখন তা বাস্তব রূপ নিতে শুরু করেছে। পাখির পাশাপাশি কাঠবিড়ালিও বাসা বানানোয় আমাদের সদস্যদের উৎসাহ আরও বেড়েছে।

গাছে গাছে বাঁধা এসব বাসা দেখে স্থানীয় মানুষও ব্যাপকভাবে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে। পাখি ও ছোট প্রাণীর জন্য নিরাপদ আবাস গড়ে উঠতে দেখে তাদের মধ্যে পরিবেশবান্ধব মনোভাব বৃদ্ধি পাচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, বড় গাছপালা নির্বিচারে নিধনের ফলে দেশের আবাসিক পাখির প্রজনন ও বাসস্থান সংকট বাড়ছে। শিকারি, কৃষকের অসচেতনতা এবং জেলেদের অনিয়ন্ত্রিত কর্মকাণ্ডেও পাখি ও বন্যপ্রাণীর অভয়ারণ্য হুমকির মুখে।

এ অবস্থায় পাইকগাছার এই উদ্যোগ পরিবেশবান্ধব কর্মকাণ্ডের একটি সফল নমুনা হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও অনুসরণযোগ্য বলে মনে করছেন প্রকৃতি প্রেমীরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট