1. dailybanglarkhabor2010@gmail.com : দৈনিক বাংলার খবর : দৈনিক বাংলার খবর
শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
যুদ্ধ নয়, অধিকার রক্ষায় অটল ইরান-মোজতবা খামেনি যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান বিল পাসে সংসদীয় ইতিহাসে নতুন রেকর্ড টেকনাফে ১ লক্ষ ৪০ হাজার ইয়াবাসহ দুই মাদক পাচারকারী আটক মুন্সিগঞ্জে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও সুতার রিল জব্দ করেছে কোস্টগার্ড চৈত্রের খরতাপে কুয়াশার চাদর: খুলনার উপকূলে বিরল আবহাওয়া বাগেরহাটে সবজি বাজারে বাড়তি দামের চাপ স্থিতিশীল রয়েছে মাছ, মাংস ও মুদি পণ্যের বাজার মোংলায় বিএনপি নেতা মাহে আলম হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন নাভারনে ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক মোংলায় জ্বালানি তেল মজুদ ও পাচার প্রতিরোধে কোস্টগার্ডের অভিযান

চৈত্রের খরতাপে কুয়াশার চাদর: খুলনার উপকূলে বিরল আবহাওয়া

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

এম জালাল উদ্দীন:পাইকগাছা:: চৈত্র মাস মানেই খরতাপ আর কাঠফাটা রোদ—এটাই ছিল চিরচেনা চিত্র। কিন্তু সেই ধারণাকে যেন পাল্টে দিল ১০ এপ্রিল, শুক্রবারের ভোর। খুলনার পাইকগাছাসহ উপকূলীয় অঞ্চলে দেখা গেল একেবারেই ভিন্ন দৃশ্য—ঘন কুয়াশায় ঢেকে ছিল চারপাশ, তাও আবার কোনো শীতের আমেজ ছাড়াই। এমন অস্বাভাবিক আবহাওয়ায় বিস্মিত হয়ে পড়েছেন উপকূলবাসী।

সাধারণত চৈত্রের মাঝামাঝি সময়ে দেশের উত্তরাঞ্চল, বিশেষ করে পঞ্চগড় অঞ্চলে কুয়াশা ও হালকা শীতের উপস্থিতি কখনো কখনো লক্ষ্য করা গেলেও, উপকূলীয় এলাকায় এমন ঘটনা খুবই বিরল। অথচ এবার খুলনা ও সাতক্ষীরা অঞ্চলে ভোরের প্রকৃতি ঢেকে গেছে সাদা কুয়াশার আস্তরণে।

ভোরের দিকে রাস্তাঘাট, ফসলের মাঠ ও গাছপালা ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। সূর্যের দেখা মেলে দেরিতে, আর সড়কে চলাচলকারী যানবাহনকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলতে দেখা যায়। কয়েক দিনের টানা বৃষ্টির পরই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে।

আবহাওয়াবিদদের মতে, বায়ুমণ্ডলে হঠাৎ আর্দ্রতা বেড়ে যাওয়া এবং জলীয় বাষ্প দ্রুত ঘনীভূত হওয়ার ফলে এ ধরনের বাষ্পীয় কুয়াশা তৈরি হয়। তারা এটিকে ঋতুচক্রের অস্বাভাবিকতা হিসেবে দেখছেন, যা জলবায়ু পরিবর্তনেরও একটি ইঙ্গিত হতে পারে।
এদিকে, চৈত্রের এই অকাল কুয়াশা কৃষির জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতিরিক্ত আর্দ্রতা ও কুয়াশা আম ও লিচুর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, কারণ এতে ছত্রাকজনিত রোগের ঝুঁকি বাড়ে। পাশাপাশি বোরো ধানসহ রবি শস্যের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

প্রকৃতির এই অস্বাভাবিক আচরণে জনজীবন যেমন কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি কৃষকদের মাঝেও দেখা দিয়েছে দুশ্চিন্তা। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে কত সময় লাগবে, সেটিই দেখার অপেক্ষা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট