1. dailybanglarkhabor2010@gmail.com : দৈনিক বাংলার খবর : দৈনিক বাংলার খবর
মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ০৭:৪৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
পাইকগাছায় সরকারি জমিতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ টেকনাফে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ উদ্ধার ৭ দেশের প্রতিটি শিশুর সুস্থ ও স্বাভাবিক বিকাশ নিশ্চিত করতে পুষ্টির কোনো বিকল্প নেই- নজরুল ইসলাম মঞ্জু দাকোপে এএসডিডি ডব্লিউ’র উদ্যোগে বিশ্ব পানি দিবস পালিত পাইকগাছায় বিজ্ঞান প্রযুক্তি সপ্তাহ ও মেলার প্রস্তুতিমূলক সভা বাগেরহাটে বর্ণবৈষম্য বিলোপ দিবস পালিত সুন্দরবনের কুখ্যাত দস্যু জোনাব বাহিনীর কাছে জিম্মি থাকা জেলে উদ্ধার আমিরাতে মার্কিন সেনাদের লক্ষ্য করে হামলার দাবি ইরানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতার সাক্ষাৎ রাতে জেলা পরিষদ প্রশাসকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

পাইকগাছায় যাযাবর বেদে বহর অস্থায়ী বসবাস; বিচিত্র জীবন কাহিনী

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২৫
  • ২৮৬ বার পড়া হয়েছে

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:: বাংলাদেশের অতিপরিচিত প্রান্তিক যাযাবর গোষ্ঠী বেদে — যারা সমাজে সাধারণত বাদিয়া বা বাইদ্যা নামে পরিচিত। বহু শতাব্দী ধরে তারা গ্রামে গ্রামে ঘুরে ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। তাদের পেশার মধ্যে ছিল সাপ খেলা দেখানো, সাপ বিক্রি, গাছের শিকড় ও ভেষজ ওষুধ বিক্রি, তাবিজ-কবচ তৈরি, বানরের খেলা, জাদু খেলা, শিঙ্গা লাগানো, দাঁতের পোকা ফেলা এবং জোঁক ফেলার মাধ্যমে হাতুড়ে চিকিৎসা করা।

শীতের শুরুতে খুলনার পাইকগাছা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আবারও বেদে বহরের আগমন ঘটেছে। উপজেলার গদাইপুর খেলার মাঠের পাশে অস্থায়ীভাবে বসতি গড়ে তুলেছে একদল বেদে পরিবার। পলিথিন ও বাঁশের চটা দিয়ে তৈরি ৭-৮টি ছোট ছোট তাবুতে প্রায় ৩০ জন বেদে—পুরুষ, নারী ও শিশু—অবস্থান করছে।

বেদেদের দলনেতা মো. সুমন জানান, তারা যশোরের বারো বাজার এলাকা থেকে এসেছেন। তাদের কারও কারও নিজস্ব জমি ও ঘর থাকলেও, অনেকেই ভিটেহারা। যাদের জমি আছে, তারা বর্ষাকালে বাড়িতে থাকে, আর বাকিরা বছরের বেশিরভাগ সময় দেশের বিভিন্ন জেলায় ঘুরে ঐতিহ্যবাহী পেশায় জীবিকা নির্বাহ করে।

তিনি আরও বলেন, “বর্ষা শেষে শীতের শুরু থেকে বর্ষা আসা পর্যন্ত আমরা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঘুরি। গাছের শিকড়, তাবিজ-কবচ বিক্রি করি, বানরের খেলা দেখাই, শিঙ্গা লাগানো ও দাঁতের পোকা ফেলার মতো চিকিৎসা দিই। আবার অনেক সময় কারও সোনা-রুপা পুকুর বা জলাশয়ে পড়ে গেলে তা উদ্ধার করে দিই।”

তবে সময়ের পরিবর্তনে বেদেদের ঐতিহ্যবাহী পেশায় আয় রোজগার কমে গেছে। অনেকেই এখন কৃষিকাজ, দিনমজুরি কিংবা ফেরি করে জীবিকা নির্বাহ করছে। তবুও তারা এখনো ধরে রেখেছে তাদের পুরোনো ঐতিহ্য ও জীবনধারা—ভাসমান তাবুর নিচে, ঘুরে বেড়ানো জীবনেই তাদের সুখ-দুঃখের গল্প লেখা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট