মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
জেনে নিন ২০৩০ ও ২০৩৪ বিশ্বকাপ কোথায়, কারা আয়োজক যে ভুলে বিশ্বকাপ হাতছাড়া হলো মেসিদের সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক নৌ-অবরোধের ঘোষণা হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান হলেন খলিল আল-হাইয়া মেজর মোজাফফর হোসেনের বিচার হবে সেনা আইনে-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে দ্রুত রোডম্যাপ তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পাইকগাছায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গাছের চারা বিতরণ ​বাগেরহাটে অনলাইন লিঙ্গ-ভিত্তিক সহিংসতা ও সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত দাকোপে ক্লাইমেট এ্যাকশন ফোরামের ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত শার্শায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু, আহত ১

মওলানা ভাসানী প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন-তারেক রহমান

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৮৭ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক:: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, অসহায় মানুষের ন্যায্য অধিকার আদায়, গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব সুরক্ষায় মওলানা ভাসানী সবসময় আমাদের প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন।

আগামীকাল ১৭ নভেম্বর মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রোববার দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, মওলানা ভাসানীর অগাধ দেশপ্রেম, দেশ ও জাতির স্বার্থ রক্ষা এবং গণতন্ত্র ও মানবতার শত্রুদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে যুগ যুগ ধরে আমাদের অনুপ্রাণিত করবে। তার আদর্শকে সঠিকভাবে অনুসরণ করতে পারলেই আমরা আমাদের অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছতে সক্ষম হবো।

তিনি বলেন, মওলানা ভাসানী আমাদের জাতীয় ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় নাম। সাম্রাজ্যবাদ, উপনিবেশবাদ ও আধিপত্যবাদ বিরোধী সংগ্রামের প্রবাদ পুরুষ মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে উপ-মহাদেশের নিপীড়িত-নির্যাতিত মানুষের পক্ষে আপসহীন ও বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দিয়েছেন।

মওলানা ভাসানী দেশমাতৃকার মুক্তির পথ প্রদর্শক হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম, গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং কৃষক-শ্রমিক-মেহনতি জনতার ন্যায্য অধিকার আদায়ের সংগ্রামে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী ছিলেন এক আলোকবর্তিকা। তার অবস্থান ছিল শোষণের বিরুদ্ধে এবং শোষিতের পক্ষে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, অধিকার আদায়ে তিনি এ দেশের মানুষকে সাহস জুগিয়েছেন তার নির্ভীক ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের দ্বারা। তাঁর হুংকারে অত্যাচারী শাসক ও শোষক গোষ্ঠীর মসনদে কম্পন সৃষ্টি হতো। জাতির ভয়াবহ দুর্দিনগুলোতে তিনি জনস্বার্থের পক্ষে থাকতেন বলেই জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করেছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews