1. dailybanglarkhabor2010@gmail.com : দৈনিক বাংলার খবর : দৈনিক বাংলার খবর
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০১:৩৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজের দল ঘোষণা, ফিরলেন মোসাদ্দেক সাম্প্রতিক হামলায় কুয়েত-বাহরাইনেরও দায় আছে-ইরান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মিতসুইয়ের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ বৃহস্পতিবার ঢাকা আসছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আদ্-দ্বীনে ৬ নবজাতকের মৃত্যুতে অপরাধী ছাড়া পাবে না-স্বাস্থ্যমন্ত্রী মায়ের পচাগলা লাশ উদ্ধার: যুগ্ম সচিব ছেলেকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার বিভাগীয় পর্যায়ে শিশুশ্রম কল্যাণ পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত মায়ানমারে পাচারকালে সিমেন্টসহ ৯ জনকে আটক করেছে কোস্টগার্ড বাগেরহাটে যৌথ অভিযানে গাঁজা ও ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার, ১৫ দিনের কারাদণ্ড টেকনাফে কোস্টগার্ডের অভিযানে ইয়াবাসহ দুই মাদককারবারি আটক

সাবেক কাস্টমস কমিশনার ওয়াহিদার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন, ২০২৪
  • ২৮৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:: কাস্টমসের সাবেক কমিশনার ওয়াহিদা রহমান চৌধুরীর বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। চারটি মোবাইল কোম্পানিকে প্রায় ১৫৩ কোটি টাকা সুদ ছাড়ের দায়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় তাকে এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন এ আদেশ দেন। দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর শুনানিতে অংশ নেন। আদালতের নির্দেশনায় ওই কমিশনারকে বিদেশ ভ্রমণে ৬০ দিনের জন্য নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে, ঢাকা-১-এ সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. শাহ আলম শেখ বাদী হয়ে ওয়াহিদা রহমানের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন। তার বিরুদ্ধে আইনবহির্ভূতভাবে একক নির্বাহী সিদ্ধান্তে ১৬টি নথিতে ১৫২ কোটি ৮৯ হাজার ৩৯০ টাকা অপরিশোধিত সুদ মওকুফ করে সরকারের আর্থিক ক্ষতিসাধনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

এজাহারে বলা হয়েছে, ওয়াহিদা রহমান মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক ও এয়ারটেলকে ওই সুবিধা দিয়েছিলেন। তিনি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) বৃহৎ করদাতা ইউনিটের কমিশনার হিসাবে অবসরে যান। বর্তমানে তিনি অবসরোত্তর ছুটিতে (পিআরএল) আছেন।

জানা গেছে, চারটি প্রতিষ্ঠানের স্থান ও স্থাপনা ভাড়ার ওপর আইনিভাবে কর প্রযোজ্য হওয়ায় তা মেনে নিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলো বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে যথাসময়ে ১৮৯ কোটি ৭৪ লাখ ১৫ হাজার টাকা পরিশোধ করার কথা বলে।

কিন্তু প্রতিষ্ঠানগুলো নির্ধারিত কর মেয়াদে তা পরিশোধ না করায় মূসক আইন অনুযায়ী প্রযোজ্য হারে প্রদেয় সুদের পরিমাণ হয় ১৫২ কোটি ৮৯ হাজার ৩৯০ টাকা। মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯১-এর ধারা ৩৭(৩) অনুসারে সুদ আদায়ের জন্য কমিশনার ওয়াহিদা রহমান চৌধুরী অতি দ্রুত সুদের হিসাব করার নির্দেশ দেন।

সুদ হিসাবে সরকারের পাওনা অর্থের মধ্যে গ্রামীণফোন লিমিটেডের কাছে ৫৮ কোটি ৬৪ লাখ ৮৮ হাজার ৬৯৭ টাকা, বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনের কাছে ৫৭ কোটি ৮৮ লাখ ৫৩ হাজার ৫১ টাকা, রবি আজিয়াটার কাছে ১৪ কোটি ৯৪ লাখ ১৬ হাজার ৬৬৬ টাকা এবং এয়ারটেল বাংলাদেশের কাছে ২০ কোটি ৫৩ লাখ ৩০ হাজার ৯৫২ টাকা রয়েছে। ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিন থেকে পাঁচ মাস পর ভিন্ন আদেশে ওই সুদ মওকুফ করে দেন ওয়াহিদা রহমান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট