1. dailybanglarkhabor2010@gmail.com : দৈনিক বাংলার খবর : দৈনিক বাংলার খবর
রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
পাকিস্তানকে একঘরে করতে গিয়ে নিজেই বিচ্ছিন্ন হচ্ছে ভারত সাবেক ‘র’ প্রধান সীমান্তে কাঁটাতার ও ভিন্নমত দমন, বিতর্কের মুখে শুভেন্দু মানুষের কল্যাণে বাস্তবমুখী কাজ করাই সরকারের লক্ষ্য-প্রধানমন্ত্রী চাঁদপুরে খোর্দ্দ খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বেরোবির সাবেক ভিসি গ্রেপ্তার খুলনা জেলা বিএনপিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান নবগঠিত জেলা ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ ঘোড়াঘাটে প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক আবুল কালাম আখতার জামিল। ভবদহের সমস্যার স্থায়ী সমাধান চায় বর্তমান সরকার -বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নগর অঞ্চল উন্নয়ন প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত মাদরাসার শিক্ষা কার্যক্রম ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে সিটি কর্পোরেশন সর্বদা পাশে থাকবে- নজরুল ইসলাম মঞ্জু

পাইকগাছায় যাযাবর বেদে বহর অস্থায়ী বসবাস; বিচিত্র জীবন কাহিনী

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৩০০ বার পড়া হয়েছে

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:: বাংলাদেশের অতিপরিচিত প্রান্তিক যাযাবর গোষ্ঠী বেদে — যারা সমাজে সাধারণত বাদিয়া বা বাইদ্যা নামে পরিচিত। বহু শতাব্দী ধরে তারা গ্রামে গ্রামে ঘুরে ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। তাদের পেশার মধ্যে ছিল সাপ খেলা দেখানো, সাপ বিক্রি, গাছের শিকড় ও ভেষজ ওষুধ বিক্রি, তাবিজ-কবচ তৈরি, বানরের খেলা, জাদু খেলা, শিঙ্গা লাগানো, দাঁতের পোকা ফেলা এবং জোঁক ফেলার মাধ্যমে হাতুড়ে চিকিৎসা করা।

শীতের শুরুতে খুলনার পাইকগাছা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আবারও বেদে বহরের আগমন ঘটেছে। উপজেলার গদাইপুর খেলার মাঠের পাশে অস্থায়ীভাবে বসতি গড়ে তুলেছে একদল বেদে পরিবার। পলিথিন ও বাঁশের চটা দিয়ে তৈরি ৭-৮টি ছোট ছোট তাবুতে প্রায় ৩০ জন বেদে—পুরুষ, নারী ও শিশু—অবস্থান করছে।

বেদেদের দলনেতা মো. সুমন জানান, তারা যশোরের বারো বাজার এলাকা থেকে এসেছেন। তাদের কারও কারও নিজস্ব জমি ও ঘর থাকলেও, অনেকেই ভিটেহারা। যাদের জমি আছে, তারা বর্ষাকালে বাড়িতে থাকে, আর বাকিরা বছরের বেশিরভাগ সময় দেশের বিভিন্ন জেলায় ঘুরে ঐতিহ্যবাহী পেশায় জীবিকা নির্বাহ করে।

তিনি আরও বলেন, “বর্ষা শেষে শীতের শুরু থেকে বর্ষা আসা পর্যন্ত আমরা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঘুরি। গাছের শিকড়, তাবিজ-কবচ বিক্রি করি, বানরের খেলা দেখাই, শিঙ্গা লাগানো ও দাঁতের পোকা ফেলার মতো চিকিৎসা দিই। আবার অনেক সময় কারও সোনা-রুপা পুকুর বা জলাশয়ে পড়ে গেলে তা উদ্ধার করে দিই।”

তবে সময়ের পরিবর্তনে বেদেদের ঐতিহ্যবাহী পেশায় আয় রোজগার কমে গেছে। অনেকেই এখন কৃষিকাজ, দিনমজুরি কিংবা ফেরি করে জীবিকা নির্বাহ করছে। তবুও তারা এখনো ধরে রেখেছে তাদের পুরোনো ঐতিহ্য ও জীবনধারা—ভাসমান তাবুর নিচে, ঘুরে বেড়ানো জীবনেই তাদের সুখ-দুঃখের গল্প লেখা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট