মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, সভাপতিত্ব করবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দেশীয় প্রযুক্তিতে ভেন্টিলেটর ও অক্সিজেন মেশিন উদ্ভাবন, উদ্যোক্তাদের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর গ্যাস সংকট নিরসনে মালয়েশিয়ার সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী কোস্টগার্ডের অভিযানে ইয়াবাসহ তিন মাদককারবারি আটক বাগেরহাট সদর উপজেলা নাগরিক কমিটির ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত পানখালীতে উত্তরণ কল প্রকল্পের উদ্যোগে বিনামূল্যে গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির টিকাদান ক্যাম্পেইন তারাকান্দা বাসস্ট্যান্ডে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও শব্দদূষণবিরোধী সচেতনতামূলক কার্যক্রম পাইকগাছায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত মণিপুরে ছড়িয়ে পড়েছে সংঘাত, পাহাড়ে তীব্র হচ্ছে সহিংসতা নিজেকে গড়ে তোলো, তাহলেই গড়ে উঠবে সুন্দর বাংলাদেশ-প্রধানমন্ত্রী

জুলাই অভ্যুত্থানে বেওয়ারিশ দাফনকৃত ৮ মরদেহের পরিচয় শনাক্ত

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৭৫ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত ছবি

ডেস্ক:: জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ হওয়ার পর রায়েরবাজার কবরস্থানে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা মরদেহের পরিচয় শনাক্তে বড় অগ্রগতি হয়েছে। কবরস্থানটি থেকে উত্তোলন করা ১১৮টি মরদেহের মধ্যে ৮ জনের পরিচয় ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত করা গেছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এই তথ্য জানান।

প্রেসসচিব বলেন, ‘রায়েরবাজার কবরস্থানে অনেককে সমাহিত করা হয়েছিল। সেখান থেকে উত্তোলিত মরদেহগুলোর মধ্যে আটজনকে সফলভাবে শনাক্ত (আইডেন্টিফাই) করা হয়েছে। তাদের পরিবারকেও বিষয়টি ইতিমধ্যে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।’

এই বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় শিগগিরই বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করবে বলে তিনি জানান। শহীদদের পরিচয় শনাক্ত করার এই জটিল কাজটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী সম্পন্ন করা হচ্ছে।

শফিকুল আলম জানান, বসনিয়া যুদ্ধের সময় সেব্রেনিৎসায় ১০ হাজার মানুষকে হত্যার পর তাদের পরিচয় শনাক্ত করতে যারা কাজ করেছিলেন, সেই আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ দল বাংলাদেশের সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। ডিএনএ স্যাম্পলের মাধ্যমে নিখুঁতভাবে পরিচয় শনাক্ত করতে দেশীয় কয়েকজন বিশেষজ্ঞকেও দক্ষ করে তোলা হয়েছে।

প্রেসসচিব উল্লেখ করেন, সেব্রেনিৎসার ঘটনার পর যেভাবে অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও বিস্তারিতভাবে মরদেহ শনাক্ত করা হয়েছিল, বাংলাদেশেও একই পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে। এটি অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ ও কষ্টসাধ্য কাজ হলেও সরকার প্রতিটি শহীদের পরিচয় নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।

উল্লেখ্য, জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে শত শত মানুষ শহীদ হলেও অনেকের পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় তাদের বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়েছিল। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর তাদের পরিচয় নিশ্চিত করতে কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন ও ডিএনএ পরীক্ষার উদ্যোগ নেয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews