রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
বাগেরহাটে নিরাপত্তা ও বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন আমরা মাদককে না বলব, সন্ত্রাসকে না বলব এবং খেলাধুলাকে হ্যাঁ বলব-আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী এসবি প্রধানের বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন কাস্টমস পরিদর্শন বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় লাফ, সাত সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ ইতালিতে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট বিকল: ৭ ঘণ্টা ধরে বিমানে আটকা ২৬০ যাত্রী ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন,ডাকছে সংসদের বিশেষ অধিবেশন একদিনের সফরে চট্টগ্রাম যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী খুলনায় বইপড়া কর্মসূচির পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত ‘গণমাধ্যম এখনো স্বাধীন নয়’ বাগেরহাটে ডা. শফিকুর রহমান চিতলমারীতে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের অভিষেক অনুষ্ঠান

ভারতের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে ট্রাম্প প্রশাসন: ইউক্রেন যুদ্ধে অর্থায়নের অভিযোগ

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০২৫
  • ৩৬৮ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: রাশিয়া থেকে তেল কিনে ইউক্রেন যুদ্ধকে পরোক্ষভাবে সহায়তা করছে ভারত—এমন অভিযোগ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শীর্ষ এক সহযোগী।

এই মন্তব্যকে ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভারতের বিষয়ে এখন পর্যন্ত অন্যতম কঠোর অবস্থান হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সোমবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের ভারতের বিরুদ্ধে তিনটি প্রধান অভিযোগ রয়েছে— রাশিয়া থেকে তেল আমদানি করে যুদ্ধকে অর্থায়ন করা, মার্কিন পণ্যের ওপর উচ্চ শুল্ক আরোপ, মার্কিন অভিবাসন ব্যবস্থায় প্রতারণা।

মার্কিন প্রশাসনের এক শীর্ষ কর্মকর্তা এসব মন্তব্য করেছেন এমন এক সময়ে, যখন রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধে নয়াদিল্লির ওপর চাপ বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

হোয়াইট হাউজে ট্রাম্পের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ স্টিফেন মিলার রোববার ফক্স নিউজের “সানডে মার্নিং ফিউচারস” অনুষ্ঠানে বলেন, “ট্রাম্প যা বলেছেন তা স্পষ্ট— রাশিয়া থেকে তেল কিনে (ইউক্রেনের) এই যুদ্ধকে অর্থায়ন করা ভারতের পক্ষে গ্রহণযোগ্য নয়।”

তিনি আরও বলেন, “মানুষ জানতে পেরে বিস্মিত হবে যে, রাশিয়া থেকে তেল আমদানির দিক দিয়ে ভারত এখন চীনের সঙ্গে সমানে সমান। এটি একটি অবিশ্বাস্য তথ্য।”

মিলারের এই মন্তব্যকে ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভারতের বিরুদ্ধে অন্যতম কঠোর অবস্থান হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।

তবে তিনি দাবি করেন, “ট্রাম্প সবসময় ভারতের সঙ্গে, বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দারুণ সম্পর্ক রাখতে চেয়েছেন এবং রেখে এসেছেন।”

তবে তিনি আরও যোগ করেন, “কিন্তু আমাদের বাস্তববাদী হতে হবে। রাশিয়ার এই যুদ্ধ কীভাবে টিকে আছে এবং অর্থ পাচ্ছে, তা মোকাবিলায় কূটনৈতিক, আর্থিক এবং অন্যান্য সব পথ ট্রাম্পের সামনে খোলা রয়েছে, যাতে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়।”

এর আগে গত শনিবার ভারত সরকারের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির পরও ভারত রাশিয়া থেকে তেল কেনা চালিয়ে যাবে।

ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেল আমদানি সম্পূর্ণরূপে একটি বাণিজ্যিক সিদ্ধান্ত এবং ভারত সরকারের পক্ষ থেকে সরকারি বা বেসরকারি কোনো রিফাইনারিকে তেল কেনায় নির্দিষ্ট কোনো নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়নি।

এদিকে ট্রাম্প প্রশাসন ভারতের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। সেই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়েছে— ভারত যদি রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা অব্যাহত রাখে, তাহলে ওয়াশিংটন নয়াদিল্লির বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারে।

এনডিটিভির দাবি, ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ওপর চাপ বাড়াতে ভারত এখন ট্রাম্পের অন্যতম কূটনৈতিক লক্ষ্য হয়ে উঠেছে।

গত সপ্তাহে ট্রাম্প বলেন, “ওরা ব্রিকস জোটে ঢুকে গেছে, রাশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছে। এখন চাইলে নিজেরা ডুবে যাক— নিজেদের মরতে বসা অর্থনীতি নিয়ে।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews