
ক্রীড়া প্রতিবেদক:: বোলারদের দাপটের পর ব্যাট হাতে দুই ওপেনারের দুর্দান্ত নৈপুণ্যে ঢাকাকে একেবারেই পাত্তা দেয়নি চট্টগ্রাম রয়্যালস। মাত্র ১২৩ রানের লক্ষ্য কোনো উইকেট না হারিয়েই টপকে ১০ উইকেটের বড় জয় তুলে নিয়েছে তারা।
শুক্রবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথমে ঢাকাকে ১২২ রানে অলআউট করে চট্টগ্রাম। পরে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে এক উইকেটও না হারিয়ে জয় নিশ্চিত করে রয়্যালস।
মোহাম্মদ নাইম শেখ ও অ্যাডাম রসিংটনের উদ্বোধনী জুটিতে পাওয়ার প্লেতেই আসে ৪৭ রান। কোনো ঝুঁকি না নিয়েই সহজ লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলেন দুজন। শেষ পর্যন্ত নাইম ও রসিংটন দুজনই অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন।
নাইম শেখ ৪০ বলে ৭টি চার ও ১টি ছক্কায় অপরাজিত ৫৪ রান করেন। অন্যদিকে রসিংটন খেলেন ৬০ রানের অনবদ্য ইনিংস, যেখানে ছিল ৯টি চার ও ২লে ছক্কা। দুজনের ব্যাটেই আসে অর্ধশতক।
এর আগে ঢাকার ব্যাটিং চট্টগ্রামের বিপক্ষেও পুরোপুরি ধসে পড়ে। রয়্যালসের বোলারদের ধারাবাহিক আঘাতে একপর্যায়ে ৬৬ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে বসে ঢাকা ক্যাপিটালস। শেষ পর্যন্ত অলআউট হওয়ার আগে কোনোমতে ১২২ রান তুলতে পারে তারা। চট্টগ্রামের হয়ে বোলিংয়ে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখানো তারকারা হলেন, শরিফুল ইসলাম ও তানভীর ইসলাম। তারা দুজনেই সর্বোচ্চ ৩টি করে উইকেট নেন। অধিনায়ক শেখ মাহেদি হাসান শিকার করেন ২টি উইকেট। এ ছাড়া একটি উইকেট নেন আমের জামাল এবং একটি উইকেট আসে রানআউটে।
পাওয়ার প্লেতে দুই উইকেট হারানোর পর ৮.৪ ওভারে পানি পানের বিরতির আগে ঢাকার স্কোর দাঁড়ায় ৪৬ রান, তখনই হারায় ৫ উইকেট। সাজঘরে ফেরেন সাইফ হাসান (১), জুবাইদ (২), উসমান খান (২১), শামীম হোসেন (৪) ও মুশফিকুর রহিম মিঠুন (৮)।
এর মধ্যে দুটি করে উইকেট নেন শরিফুল ও তানভীর, একটি শেখ মাহেদির। এরপর সাব্বির রহমান ও ইমাদ ওয়াসিম দুজনই ৯ রান করে আউট হন। ঢাকার ইনিংস সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন নাসির হোসেন ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। দুজনের জুটিতে আসে ৪৮ রান। তবে দলীয় ১১৪ রানে ১৭ রান করা নাসিরকে আউট করে নিজের তৃতীয় উইকেট তুলে নেন শরিফুল।
১২১ রানে ৫ রান করা আমের জামাল আউট হলে পড়ে নবম উইকেট। পরের বলেই মাত্র এক রান যোগ করে শেষ উইকেট হিসেবে রানআউট হন শূন্য রানে থাকা সালমান মির্জা। ঢাকার হয়ে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, ২৫ বলে ৪টি চার মারেন তিনি।
Leave a Reply