1. mamunchalna09@gmail.com : Mamunur Rashid : Mamunur Rashid
  2. live@www.dailybanglarkhabar.com : - : - -
  3. info@www.dailybanglarkhabar.com : - :
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফিফা থেকে অর্থ পেতে পারে বাংলাদেশ, সদস্য দেশগুলোর জন্য নতুন প্রস্তাব সৌদি রাজধানী রিয়াদে বিমান হামলার সতর্কতা, শোনা গেল বিস্ফোরণের শব্দ সব মন্ত্রণালয়ের প্রশিক্ষণে এক সিলেবাস করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথে বাংলাদেশ পাইকগাছায় ডেঙ্গুর ছোবলে নিভে গেল অপুর জীবন পাইকগাছায় আন্তর্জাতিক সর্পদংশন সচেতনতা দিবস পালিত তিন মাস যাবৎ খুলনা সিটি কর্পোরেশন মহানগরীকে ডেঙ্গু মুক্ত করতে বহুমুখী কাজ করছে-নজরুল ইসলাম মঞ্জু খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু ইউনিটের চিকিৎসা কার্যক্রম উদ্বোধন বাংলাদেশ এডিকশন প্রফেশনালস অ্যাসোসিয়েশনের ১ম কার্যনির্বাহী সভা অনুষ্ঠিত বেনাপোল পৌর বিএনপির সভাপতি নাজিমের নিজ অর্থায়নে বৃক্ষরোপণ

বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেট অন্তর্ভুক্তির দাবিতে বাগেরহাটে সংবাদ সম্মেলন

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

বাগেরহাট প্রতিনিধি:: বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটে নাম অন্তর্ভুক্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বাগেরহাট সদর উপজেলার সুন্দরঘোনা গ্রামের মীর মোশারেফ আলী। আজ সকাল ১১:৩০ মিনিটে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
​সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মীর মোশারেফ আলী (পিতা: মৃত মীর আহাম্মদ আলী) জানান, ১৯৭১ সালে তিনি ইপিআরে (EPR) কর্মরত থাকা অবস্থায় ঢাকা পিলখানায় নিয়োজিত ছিলেন। ২৫শে মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি বাহিনীর আক্রমণের পর তাদের মোহাম্মদপুর ফিজিক্যাল এডুকেশন কলেজে বন্দি রেখে শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। পরবর্তীতে সেখান থেকে উদ্ধার করে তাঁকে লৌহজং থানায় পোস্টিং দেওয়া হলে, একদিন গভীর রাতে তিনি একটি এলএমজি (LMG), একটি ৩০৩ রাইফেল এবং গুলিসহ সেখান থেকে পালিয়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন।
​তিনি জানান, পালিয়ে আসার পর স্থানীয় একজনের সহায়তায় তিনি মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. ইকবাল হোসেনের নিকট পৌঁছান এবং সংগৃহীত অস্ত্র ও গোলাবারুদ জমা দেন। পরবর্তীতে তিনি ‘গোয়ালিবান্ধি অপারেশন’সহ একাধিক বড় অভিযানে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। এ ছাড়া মুন্সিগঞ্জের দিঘীরপাড় ব্রাহ্মণগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের অস্ত্র প্রশিক্ষণের দায়িত্বও পালন করেন তিনি। দেশ স্বাধীনের পর ভারত থেকে এমপি শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন দেশে ফিরলে ৩০০ মুক্তিযোদ্ধার সাব-কমান্ডার হিসেবে তাকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করেন মীর মোশারেফ আলী।
​সংবাদ সম্মেলনে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বিডিআরে পুনরায় যোগদান এবং পরবর্তীতে পার্বত্য চট্টগ্রামে (রাঙ্গামাটি) ১০-১২ বছর শান্তিবাহিনীর বিরুদ্ধে নিয়োজিত থাকায় গেজেটের বিষয়ে নিয়মিত খোঁজখবর নিতে পারেননি। তবে বিগত প্রায় ২০ বছর ধরে চারবার যাচাই-বাছাইয়ে উত্তীর্ণ হওয়া এবং ‘ক’ গ্রুপে নাম থাকা সত্ত্বেও অজ্ঞাত কারণে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলে (জামুকা) ফাইল আটকে থাকায় তাঁর নাম গেজেটে প্রকাশিত হয়নি।
​তিনি আরও উল্লেখ করেন, তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাঁর সকল কাগজপত্র পর্যালোচনা করে মন্তব্য করেছিলেন, “মোশারেফ সাহেবের মতো এমন নিরেট প্রমাণাদি অন্য কারও নাই।”
​জীবনের শেষ প্রান্তে এসে একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সরকারি স্বীকৃতি ও গেজেট প্রকাশের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আকুল আবেদন জানান মীর মোশারেফ আলী।
​সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সাংবাদিকসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট