বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
মার্কিন ঘাঁটিতে দুঃসাহসিক অভিযানে নিহত পাইলটের মরদেহ ফিরছে দেশে অতিরিক্ত সচিব ফেরদৌসি শাহরিয়ার মারা গেছেন ভূমিকম্প মোকাবেলায় প্রস্তুত করা হচ্ছে ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবী আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের জন্মবার্ষিকী উদযাপনে পাইকগাছা প্রশাসনের প্রস্তুতি কোস্টগার্ডের অভিযানে ইয়াবাসহ তিন মাদককারবারি আটক পাইকগাছায় হাসপাতালে নয়া উদ্যোগ: চালু হলো জুতাবিহীন চলাচল বিশ্ব বাঘ দিবস আজ ইসরায়েলি নাগরিক পেলেই তাৎক্ষণিকভাবে বহিষ্কার করা হবে-মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, সভাপতিত্ব করবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দেশীয় প্রযুক্তিতে ভেন্টিলেটর ও অক্সিজেন মেশিন উদ্ভাবন, উদ্যোক্তাদের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর

জয়ের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের মামলা

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৫
  • ৩৩৬ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:: ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে এবং পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত নিয়মিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।

দুদকের তথ্য অনুযায়ী, ২০০০ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত সময়ে সজীব ওয়াজেদ জয় ৫৪ কোটি ৩৯ লাখ ২০ হাজার ৯৭৮ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ৬ কোটি ৭৮ লাখ ৮৪ হাজার ৮৯১ টাকার অস্থাবর সম্পদসহ মোট ৬১ কোটি ১৮ লাখ ৫ হাজার ৮৬৯ টাকার সম্পদ অর্জন করেন। ব্যয়সহ তার মোট সম্পদের পরিমাণও সমান।

অনুসন্ধানে আরও দেখা যায়, উক্ত সময়ে তার গ্রহণযোগ্য বৈধ আয় ছিল মাত্র ১ কোটি ৩২ লাখ ৮ হাজার ৫৪২ টাকা। ফলে অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৬০ কোটি ১৪ লাখ ৭৩ হাজার ৯৭০ টাকা।

দুদকের অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, দায়িত্ব পালনকালে তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে অসৎ উদ্দেশ্যে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণভাবে এসব সম্পদ অর্জন করেন। এছাড়া হুণ্ডি ও অন্যান্য মাধ্যমে ৫৪ কোটি ৪ লাখ ৩২ হাজার ২৫৮ টাকা বিদেশে পাচার করে যুক্তরাষ্ট্রে দুটি বাড়ি ক্রয় বা বিনিয়োগ করেন।

এছাড়া জয়ের নামে থাকা দুটি ব্যাংক হিসাবে ৩ কোটি ৪৬ লাখ ২২ হাজার ৫৭ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনসহ মোট ৫৭ কোটি ৫০ লাখ ৫৪ হাজার ৩১৫ টাকার আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

এ কার্যক্রম দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা; মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ হওয়ায় এ বিষয়ে মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews