বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:২৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
ওর আঙুলগুলো প্রজাপতির ডানার মতো ছুঁয়ে যাচ্ছিল-প্রিয়াঙ্কা চোপড়া চা-শ্রমিকদের সুরক্ষায় ২০ হাজার রেইনকোট দিচ্ছে সরকার রাজস্ব নিয়ে জনগনের বিভ্রান্তি কাটানোই বড় চ্যালেঞ্জ-প্রধানমন্ত্রী প্রবাসীর স্ত্রীর উপর হামলার অভিযোগ, উভয়পক্ষের চার নারী আহত নগরীর ২৪নং ওয়ার্ড যুবদলের সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় জাতীয় মৎস্য পক্ষের সমাপনী অনুষ্ঠিত ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে মহানগরীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত দাকোপে জেলা যুব নারী সামাজিক এ্যাসোসিয়েশনের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পূর্ণ জাতীয় মৎস্য পক্ষের সমাপনী অনুষ্ঠিত দাকোপে দূর্নীতি বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নির্বাচিত সরকার ছাড়া ঋণের অর্থ দেবে না আইএমএফ

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৪৬৬ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক:: নির্বাচিত সরকার গঠনের আগ পর্যন্ত বাংলাদেশকে ঋণের ষষ্ঠ কিস্তি দেবে না বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (আইএমএফ)।

সম্প্রতি ওয়াশিংটনে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভার ফাঁকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের সঙ্গে বৈঠকে এই বার্তা দেয় আইএমএফ।

ষষ্ঠ কিস্তিতে আইএমএফ থেকে প্রায় ৮০ কোটি ডলার পাওয়ার কথা। তবে, চলমান সংস্কার কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা এবং নতুন সরকারের নীতিগত অবস্থান স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত অর্থ ছাড়ে অনিচ্ছা প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।

গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর জানান, চলতি ডিসেম্বরেই ঋণের কিস্তি ছাড় হওয়ার কথা থাকলেও নির্বাচনপূর্ব সময়ে আইএমএফ তা দিতে রাজি নয়। তবে, আমাদের রিজার্ভ পরিস্থিতি ভালো, ডলার স্থিতিশীল। আইএমএফ’র নীতিসহায়তা গুরুত্বপূর্ণ, তবে তাদের অর্থ ছাড়া দেশ চলবে।

অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আইএমএফ যদি কঠিন শর্ত আরোপ করে, বাংলাদেশ তা মানবে না। এখন দেশ আগের মতো সংকটে নেই।

সংশ্লিষ্টদের মতে, নির্বাচনকে সামনে রেখে আইএমএফ এখন তাদের শর্ত বাস্তবায়নে চাপ তৈরি করছে। কারণ, নির্বাচনের আগে ঋণ না ছাড়ার অর্থ হলো বাংলাদেশ শর্ত মানছে না এমন একটি বার্তা বৈশ্বিক অঙ্গনে দেওয়া। নতুন সরকার এলে তাদের কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি নিয়ে পরে ঋণ ছাড়তে চায় সংস্থাটি।

এর আগে ২০০১ সালেও নির্বাচন পূর্ব সময়ে আইএমএফ অনুরূপ চাপ প্রয়োগ করেছিল। এমনকি জ্বালানি ও মুদ্রানীতিতে কড়াকড়ি আরোপ করে ২০২২ সালে ঋণের শর্তে তেল ও গ্যাসের দামও বাড়াতে বাধ্য করেছিল সরকার। মুদ্রার অবমূল্যায়নের ফলেই দেশে মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে যায়।

এদিকে, ঋণের ষষ্ঠ কিস্তির শর্ত পর্যালোচনায় ২৯ অক্টোবর আইএমএফ’র একটি প্রতিনিধিদল ঢাকা সফরে আসছে। দুই সপ্তাহ তারা সরকারের বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে বৈঠক করবে। ফিরে গিয়ে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দাখিল করবে মূল্যায়ন প্রতিবেদন। কিস্তি ছাড়ে এই প্রতিবেদন হবে গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, বর্তমান বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩ হাজার ২১৪ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। রেমিট্যান্স ও রপ্তানিতে ইতিবাচক গতি রয়েছে, আমদানি ব্যয় নিয়ন্ত্রিত। চলতি হিসাবেও ঘাটতি নেই।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপে আইএমএফ’র কাছে সহায়তা চায় সরকার। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ অনুমোদন করে আইএমএফ, যা পরবর্তীতে ৫৫০ কোটি ডলারে উন্নীত হয়। ইতোমধ্যে পাঁচ কিস্তিতে ৩৬০ কোটি ডলার পেয়েছে বাংলাদেশ।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews