
বেনাপোল প্রতিনিধি:: যশোরের শার্শা উপজেলার স্বরুপদাহ গ্রামে তিন বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে আলম গাজী (৫৬) নামে এক প্রতিবেশীকে আটক করেছে পুলিশ।
গত বুধবার (২০ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে স্থানীয় খায়রুল ইসলামের ঘেরপাড়ের একটি টংঘরে এ ঘটনা ঘটে। ভিকটিম লাবনী আক্তার (৩, ছব্দ নাম) ওই গ্রামের আল আমিন ও সাথী খাতুন দম্পতির মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন সকালে লাবনী আক্তার তার দাদা বরকত উল্লাহর সাথে বাড়ির উঠানে খেলা করছিল। এ সময় প্রতিবেশী ‘দাদা’ পরিচয়ের আলম গাজী শিশুটিকে ‘কাঠি ভাজা’ খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে পাশের মাছের ঘেরের টোংঘরে নিয়ে যায়। সেখানে গিয়ে সে শিশুটির পরনের প্যান্ট খুলে তার মুখ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কামড় দিতে থাকে।
এ সময় টোংঘরের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় জাহিরের স্ত্রী শিশুটির কান্নার আওয়াজ শুনতে পান। তিনি দরজা খুলে ভিতরে গিয়ে আসামি আলম গাজী ও শিশুকে দেখে ফেলেন।
তবে ঘটনার পর লাবনীর পরিবার প্রথমে ‘লোকলজ্জার’ ভয়ে বিষয়টি গোপন রাখে। পরে গতকাল শুক্রবার (২২ মে) ঘটনা স্থানীয়ভাবে জানাজানি হলে শিশুটির বাবা-মা থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। শার্শা থানা পুলিশ দ্রুত আসামি আলম গাজীকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। আসামি ওই গ্রামের মৃত জহুর গাজীর ছেলে এবং পেশায় ভবঘুরে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
শার্শা থানার কর্মকর্তা মারুফ হোসেন জানান, আটক আলম গাজীকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এবং এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনার পর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও শিশুটির প্রতি এই নৃশংসতার ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
Leave a Reply