শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
মেসিকে নিয়ে শাকিরার করা পোস্ট শেয়ার করলেন স্ত্রী আন্তোনেলা ফিফার মোট আয় থেকে বড় অঙ্কের লভ্যাংশ পাবে বাংলাদেশ ইরানের হুঁশিয়ারি কোনো সীমান্ত নিরাপদ থাকবে না এআই-এর মাধ্যমে ট্রাফিক সিগনালের মতো হর্নও নিয়ন্ত্রণ চান প্রধানমন্ত্রী উপকূলের জেলে-নৌযান মালিকদের প্রতি কোস্টগার্ডের বিশেষ সতর্কবার্তা শার্শায় ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী আটক কোস্টগার্ডের মাদক বিরোধী অভিযানে ৭০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ঘোড়াঘাট পৌরসভায় বিভিন্ন উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন। পাইকগাছা পৌরসভার উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সম্ভাব্য সাইট পরিদর্শন ইউএনওর নির্দেশনায় সংস্কার হলো মন্দিরের বেহাল রাস্তা: স্বস্তি ফিরেছে এলাকাবাসীর

ফিফার মোট আয় থেকে বড় অঙ্কের লভ্যাংশ পাবে বাংলাদেশ

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

স্পোর্টস ডেস্ক:: বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর বিশ্বকাপ এখন শুধু মাঠের লড়াই নয়, এটি ফিফার জন্যও বিশাল আয়ের উৎস। ১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে অনুষ্ঠিত প্রথম বিশ্বকাপে যেখানে অংশ নিয়েছিল মাত্র ১৩টি দল, সেখানে ২০২৬ সালের আসরে অংশ নিচ্ছে ৪৮টি দেশ। দল বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে টুর্নামেন্টের ব্যাপ্তি, বাণিজ্যিক পরিধি এবং ফিফার আয়ের পরিমাণও। এই আয়ের একটি অংশের সুবিধা পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশও।

২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য ফিফা রেকর্ড ৮৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রাইজমানি ঘোষণা করেছে, যা আগের আসরের তুলনায় প্রায় ৬৫ শতাংশ বেশি। বিশ্বকাপ থেকে অর্জিত আয়ের একটি অংশ ফিফা সদস্য দেশগুলোর ফুটবল উন্নয়ন কার্যক্রমে ব্যয় করে থাকে। সেই নিয়ম অনুযায়ী, টুর্নামেন্ট শেষে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনও (বাফুফে) ফুটবলের উন্নয়ন ও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বড় অঙ্কের অর্থ পাওয়ার আশা করছে।

ফিফার অর্থ বণ্টন প্রসঙ্গে সাবেক জাতীয় ফুটবলার জুলফিকার মাহমুদ মিন্টু বলেন, বিশ্বকাপ থেকে ফিফা যে আয় করে, তার একটি অংশ বিশ্বের সব সদস্য অ্যাসোসিয়েশনের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়। সদস্য দেশগুলোর ফুটবল উন্নয়নেই মূলত ফিফার এই অর্থ সহায়তা ব্যবস্থার লক্ষ্য।

তিনি বলেন, বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা বাড়ানোর ফলে বিভিন্ন দেশের জন্য সুযোগও বাড়ছে। বিশেষ করে এশিয়া ও আফ্রিকার মতো অঞ্চলের দলগুলো এখন বিশ্বকাপে জায়গা পাওয়ার বিষয়ে আরও বেশি আশাবাদী হচ্ছে। দল বাড়ার কারণে বাছাইপর্বের প্রতিযোগিতাও আগের চেয়ে বেড়েছে।

এবারের বিশ্বকাপে অর্থের পরিমাণ কতটা বেড়েছে, তা স্পষ্ট হয়েছে দলগুলোর প্রাপ্ত অর্থের হিসাব থেকে। প্রতিটি অংশগ্রহণকারী দল টুর্নামেন্টের শুরুতেই প্রশিক্ষণ ক্যাম্প ও যাতায়াত ব্যয় বাবদ পেয়েছে ২৫ লাখ মার্কিন ডলার। এরপর গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়া ১৬টি দল পেয়েছে আরও ১ কোটি ডলার করে। ফলে প্রথম ধাপেই তাদের মোট আয় দাঁড়িয়েছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ডলার।

বিশ্বকাপের পরবর্তী ধাপগুলোতে বিদায়ী দলগুলোর অর্থ পুরস্কারও বেড়েছে। দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে বিদায় নেওয়া দলগুলো পেয়েছে ১ কোটি ২০ লাখ ডলার। শেষ ষোলো থেকে বাদ পড়া দলগুলোর প্রাপ্তি ১ কোটি ৬০ লাখ ডলার। কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নেওয়া চার দল পেয়েছে ২ কোটি ডলার করে।

এ ছাড়া তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে চতুর্থ হওয়া দল পাবে ২ কোটি ৭০ লাখ ডলার এবং তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দল পাবে ২ কোটি ৯০ লাখ ডলার। ফাইনালে পরাজিত রানার্সআপ দলের জন্য বরাদ্দ রয়েছে ৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার। আর বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন দল পাবে রেকর্ড ৫ কোটি মার্কিন ডলার।

ফিফার এই বিশাল আয়ের একটি অংশ বিশ্বব্যাপী ফুটবলের উন্নয়নে ব্যবহৃত হওয়ায় বাংলাদেশসহ সদস্য দেশগুলোর ফুটবল অবকাঠামো, প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন কার্যক্রমে নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews