মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:২৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
বাগেরহাটে ঘরের ভিতর থেকে মা, ছেলে ও নানির গলিত লাশ উদ্ধার ঘোড়াঘাটে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে কাঁচামরিচের দাম। মোংলার জয়মনিতে বিশুদ্ধ পানির প্ল্যান্ট স্থাপন করেছে কোস্টগার্ড বাজার নিয়ন্ত্রণে ভারত থেকে বেনাপোল দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু খুলনায় মাদক ও ডিজিটাল আসক্তিমুক্ত সমাজ গঠনে সভা অনুষ্ঠিত খুলনায় নৌযান শুমারি বিষয়ক অবহিতকরণ সেমিনার অনুষ্ঠিত যে জাতি যত শিক্ষিত, সে জাতি তত উন্নত – আমীর এজাজ খান এমপি শরণখোলায় ২৫৫ অসহায় গরিব মানুষকে চিকিৎসা সহায়তা দিলো কোস্টগার্ড তারাকান্দায় ৩০০ গ্রাম গাঁজাসহ মা-ছেলে আটক চাঁদপুরে কোস্টগার্ডের আয়োজনে মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও আহরণ বিষয়ক সভা

ঘোড়াঘাটে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে কাঁচামরিচের দাম।

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:: দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার বিভিন্ন বাজারে হঠাৎ করেই লাগামহীন হয়ে উঠেছে কাঁচামরিচের দাম। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি কাঁচামরিচে ১৪০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়ে বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়। হঠাৎ এই দাম বৃদ্ধিতে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
গত রোববার (নির্দিষ্ট তারিখ বসাতে পারেন) উপজেলার রাণীগঞ্জ বাজার, বলগাড়ি বাজার, হরিপাড়া বাজার ও ডুগডুগি হাট ঘুরে দেখা যায়, খুচরা বাজারে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অথচ ঠিক এক সপ্তাহ আগেও একই মরিচ ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল। অল্প সময়ের ব্যবধানে দ্বিগুণের কাছাকাছি দাম বেড়ে যাওয়ায় অনেক ক্রেতা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম পরিমাণ মরিচ কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।
দাম বাড়ার কারণ
ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গত কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণের কারণে স্থানীয় অনেক মরিচক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। পাশাপাশি গাছের ফুল ও কাঁচা মরিচ পচে নষ্ট হয়েছে।
উপজেলার সিংড়া ইউনিয়নের রাণীগঞ্জ বাজারের একাধিক খুচরা ব্যবসায়ী জানান, ক্ষেত নষ্ট হয়ে যাওয়ায় পাইকারি বাজারেই মরিচের সরবরাহ মারাত্মকভাবে কমে গেছে। ফলে তাদের বেশি দামে কিনে সামান্য লাভে বিক্রি করতে হচ্ছে।
দুর্ভোগে সাধারণ ক্রেতারা
ওসমানপুর বাজারে বাজার করতে আসা কয়েকজন ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্যের বাজারে কাঁচামরিচের এই অস্বাভাবিক দাম আমাদের মতো নিম্ন ও মধ্যবিত্তের সংসার চালানো আরও কঠিন করে তুলেছে। সংসারের খরচ মেটাতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে।
কৃষি কর্মকর্তার বক্তব্য
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. রফিকুজ্জামান জানান, “সাম্প্রতিক টানা ভারী বর্ষণের কারণে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মরিচের খেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বাজারে সরবরাহ সংকট তৈরি হওয়ায় দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে আসলে এবং নতুন উৎপাদিত মরিচ বাজারে আসা শুরু করলে দাম দ্রুত স্বাভাবিক পর্যায়ে নেমে আসবে।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews