1. dailybanglarkhabor2010@gmail.com : দৈনিক বাংলার খবর : দৈনিক বাংলার খবর
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের স্বাবলম্বিতায় ঋণ সহায়তা; পাইকগাছায় চেক বিতরণ পাইকগাছায় নারীদের আয়বৃদ্ধিতে হাঁস-মুরগি পালন প্রশিক্ষণ সাংবাদিক-পুলিশের সমন্বয়ে অপরাধ দমন ও জনসেবামূলক পুলিশিং জোরদার হবে” দাকোপে কারিতাসের ত্রৈ-মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত আর্জেন্টিনাকে হারানো কঠিন হবে-লিওনেল মেসি বাঁচতে চাইলে যুক্তরাষ্ট্রকে শিগগিরই মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরতে হবে-ইরান দুর্নীতি প্রতিরোধ ও দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করতে হবে-প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় বেড়ে ৩ লাখ ৬৮ হাজার টাকা জাতিসংঘ মিশনে সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশকে আধুনিকায়নের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর বেনাপোল বন্দর শেড থেকে জব্দকৃত মালামাল বদলানোর অভিযোগ

বন্যায় ১২ জেলার ১৪ শতাংশ মোবাইল টাওয়ার নিষ্ক্রিয়-বিটিআরসি

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৪
  • ১৫৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:: বন্যাদুর্গত ১২ জেলার ১৪ শতাংশ মোবাইল টাওয়ার কাজ করছে না। এসব জেলার ১২ হাজার ২৫০টির মধ্যে ১ হাজার ৮০৭টি টাওয়ার অচল হয়ে পড়েছে। সচল রয়েছে ১০ হাজার ৪৪৩টি টাওয়ার।

এরমধ্যে সবচেয়ে নাজুক অবস্থা ফেনীর। এ জেলার ৯০ শতাংশ মোবাইল নেটওয়ার্কের টাওয়ার কাজ করছে না। এতে যোগাযোগবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এই জেলার প্রায় সব এলাকা।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) সকালে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) এ তথ্য জানিয়েছে।

বিটিআরসির ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অপারেশন বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান জানান, শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত হালনাগাদ করা তথ্য অনুযায়ী—বন্যাদুর্গত ১২ জেলার ১৪ শতাংশ মোবাইল টাওয়ার কাজ করছে না। এসব জেলার ১২ হাজার ২৫০টির মধ্যে ১ হাজার ৮০৭টি টাওয়ার অচল হয়ে পড়েছে। সচল রয়েছে ১০ হাজার ৪৪৩টি টাওয়ার।

তিনি জানান, সবচেয়ে বেশি মোবাইল টাওয়ার অচল অবস্থায় রয়েছে ফেনী ও নোয়াখালী জেলায়। ফেনীর ৯০ শতাংশ আর নোয়াখালীর ৩৩ শতাংশ টাওয়ার কাজ করছে না।

এ দিকে বন্যাকবলিত বেশির ভাগ এলাকা বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন থাকায় টাওয়ারগুলো সচল রাখা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানা গেছে। জেনারেটর ব্যবহার করে টাওয়ার সচল রাখার চেষ্টা চলছে। এ ছাড়া বন্যার কারণেও অনেক টাওয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মোবাইল ফোন সেবা ব্যাহত হওয়ায় বন্যাদুর্গত এলাকায় আটকে পড়া স্বজনদের সঙ্গে অনেকেই যোগাযোগ করতে পারছেন না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কথা জানাচ্ছেন। পরিবারের সদস্যদের নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যাওয়ার আকুতিও জানাচ্ছেন অনেকে।

একদিকে ভারী বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢল; তার সঙ্গে যোগ হয়েছে ভারতের ত্রিপুরা থেকে ছুটে আসা পানির তোড়। সব মিলিয়ে দেশের পূর্বাঞ্চলের সিংহভাগ এলাকা এখন পানির নিচে। কোথাও কোমরপানি, কোথাও ঘরের চালা ছুঁই ছুঁই। তলিয়েছে সড়ক-মহাসড়ক, রেলপথও। ডুবেছে ফসলের মাঠ, ভেসে গেছে চাষের মাছ। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে আকস্মিক এই বন্যায় কী করতে হবে, কোথায় আশ্রয় নিতে হবে—তাৎক্ষণিকভাবে বুঝে ওঠাই মুশকিল হয়ে গেছে সাধারণ মানুষের জন্য।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দেশের অন্তত ৯ জেলা বন্যাকবলিত হয়েছে। এর মধ্যে কুমিল্লা, নোয়াখালী ও ফেনীর বাসিন্দারা আকস্মিক বন্যায় পড়েছে চরম দুর্ভোগে। তিন পার্বত্য জেলা—রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়িতে পাহাড়ি ঢলের সঙ্গে যোগ হয়েছে পাহাড়ধসের ঘটনা। ডুবেছে চট্টগ্রাম নগরীর অনেক সড়ক। মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জসহ হাওরাঞ্চলের মানুষ তো বিপদে আছে আগে থেকেই। এবার নিয়ে গত তিন মাসে তৃতীয় দফায় বন্যাকবলিত হয়েছে তারা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট