সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ‘ষড়যন্ত্রকারী’ ১০ জনের তালিকা প্রকাশ সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আইসিটিতে অভিযোগ জাতীয় স্মৃতিসৌধে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদের শ্রদ্ধা সেনা সদস্যদের পদোন্নতিতে রাজনৈতিক পছন্দের ঊর্ধ্বে থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মুখস্তনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তে দক্ষতানির্ভর শিক্ষার উপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার- এমপি আমীর এজাজ খান শুধু বৃক্ষরোপণ করলেই হবে না, সেগুলোর যথাযথ পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণও নিশ্চিত করতে হবে-পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী সরকারি খাল দখলমুক্তের দাবিতে বাগেরহাটে তিন দিনব্যাপী অবস্থান কর্মসূচি শুরু বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি বাণিজ্য বন্ধ বাগেরহাটে আইনজীবী নিজাম শান্ত হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কবে, জানালেন আইনমন্ত্রী

চকচকে জিনিসেই ক্ষতিকর সীসার উপস্থিতি থাকতে পারে

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১৭১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি:: চকচকে খেলনা, গুড়া মশলা, রঙিন খাবার, তৈজসপত্র, প্রসাধনীসহ সিঁদুর-সুরমাতে ক্ষতিকর সীসা থাকতে পারে। ব্যাটারি শিল্পে সবচেয়ে বেশি সীসা ব্যবহার করা হয়। সীসা খাদ্য এবং শ^াসপ্রশ^াসের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে। এর প্রভাবে হাঁড়ক্ষয়, দীর্ঘমেয়াদী ডায়েবিটিস ও উচ্চরক্তচাপ, রক্তশূন্যতা, শ্রবণশক্তি হ্রাস, মস্তিষ্কে নানা রকম জটিলতাসহ কিডনির বিভিন্ন রোগ হতে পারে।
সীসা দূষণ প্রতিরোধে অনুষ্ঠিত এক কর্মশালায় এসকল তথ্য জানানো হয়। খুলনা স্বাস্থ্য বিভাগ নগরীর সিএসএস আভা সেন্টারে সোমবার দিনব্যাপী এই কর্মশালার আয়োজন করে। জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) ও খুলনা প্রযুক্তি ও প্রকৌশল বিশ^বিদ্যালয় (কুয়েট) এতে সহযোগিতা করে।
মানবদেহে সীসা সংশ্লিষ্ট জটিলতার কোন চিকিৎসা নেই। তাই প্রতিরোধই সীসা থেকে মুক্তির একমাত্র উপায়। বারবার সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, শিশুদের খেলনা ব্যবহারে সতর্ক থাকা, চকচকে খাবার ও দ্রব্যাদি পরিহার করা এবং শ্রমিকরা কাজ শেষে তাদের পোশাক খুলে ঘরে প্রবেশ করা প্রয়োজন। এর সাথে ভিটামিন-সি যুক্ত খাবার, জিংক সমৃদ্ধ খাবার ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের মাধ্যমে সীসা দূষণ থেকে কিছুটা হলেও পরিত্রাণ মিলতে পারে।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনার অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মোঃ হুসাইন শওকত। খুলনা স্বাস্থ্য দপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক ডা. মোঃ মনজুরুল মুরশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে কুয়েটের কেমিক্যাল ডিসিপ্লিনের সহকারী অধ্যাপক ড. মাহমুদুল হাসান ও ইউনিসেফ ফিল্ড অফিসের চিফ মোঃ কাউসার হোসাইন বক্তৃতা করেন। কর্মশালায় মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডা. মাহফুজুর রহমান ও কুয়েটের কেমিক্যাল ডিসিপ্লিনের শিক্ষক মোঃ ফয়সাল ফেরদৌস।
কর্মশালায় জানানো হয়, সীসা দূষণে গর্ভবতী মা ও শিশুরা বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। শিশুদের শরীর বয়ষ্কদের তুলনায় ৪-৫ গুণ বেশি সীসা শোষণ হয়ে থাকে। পৃথিবীর এক তৃতীয়াংশ অর্থাৎ আটশত মিলিয়ন শিশু সীসা দূষণের শিকার। ২০১৯ সালে সারা বিশে^ সীসা দূষণের দীর্ঘমেয়াদী প্রতিক্রিয়ায় ০.৯০ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু হয়।
কর্মশালায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বিশ^বিদ্যালয়-কলেজ-স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এনজিও প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews