শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:২৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে ইউপি সদস্য ও উপকারভোগীদের সংবাদ সম্মেলন দাকোপে প্রতিপক্ষের মারপিটে ১ জন হাসপাতালে পতেঙ্গায় কোস্টগার্ডের অভিযানে ৬০০ বস্তা সিমেন্টসহ পাঁচ পাচারকারী আটক মোংলায় চীন বাংলাদেশ ইকোনমিক জোনে ৫০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক আনুষ্ঠানিকভাবে ‘নজরুল বর্ষ’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নারায়ণগঞ্জে কোস্টগার্ডের অভিযানে ভারতীয় ঔষধ ও প্রসাধনী জব্দ অসুস্থ এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে হাসপাতালে নিলেন এসিল্যান্ড জেলা পরিষদ প্রশাসক বাপ্পির পাইকগাছায় উন্নয়ন ও সেবামূলক কর্মসূচি ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর প্রতি জবাবদিহিতা ব্যবস্থাপনা বিষয়ক পরিচিতিমূলক কর্মশালা

খুলনায় ১৫টি ওয়ার্ডে ডিলারের মাধ্যমে ওএমএস কার্যক্রম

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ জুলাই, ২০২৫
  • ২১৭ বার পড়া হয়েছে

মোঃ জাহিদুল ইসলাম:: অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে স্বল্পমূল্যে চাল ও আটা সরবরাহের লক্ষ্যে সরকার পরিচালিত ওএমএস (ওপেন মার্কেট সেল) কার্যক্রম খুলনা মহানগরীর ৩১টি ওয়ার্ডে চালু রয়েছে। এর মধ্যে ১৬টি ওয়ার্ডে খাদ্য অধিদপ্তরের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় এবং বাকি ১৫টি ওয়ার্ডে ১৫ জন ডিলারের মাধ্যমে ওএমএস কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

২০২৪ সালের ৯ অক্টোবর জারি করা এক সরকারি প্রজ্ঞাপনের ভিত্তিতে খুলনার ৯৩ জন ডিলারের লাইসেন্স বাতিল ঘোষণা করে খাদ্য অধিদপ্তর। ডিলারদের দায়ের করা মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া আগেই ২৯ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে নতুন ডিলার নিয়োগের জন্য আবেদন আহ্বান করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। তবে ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর আগেই অসন্তোষ দেখা দেয় ডিলারদের মধ্যে।

এই প্রেক্ষিতে মোঃ খালিদ হোসেন ও ইমান শেখ হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন (নং ১৩৫৭৫/২৪) দায়ের করেন। রিটের প্রেক্ষিতে উচ্চ আদালতের দ্বৈত বেঞ্চ ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ডিলারদের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্তে স্থগিতাদেশ জারি করেন। এই আদেশ দেশের সকল ওএমএস ডিলারের জন্য প্রযোজ্য বলে রিটে উল্লেখ করা হয়।

এছাড়া আরও ১৫ জন ডিলার পৃথক একটি রিট (নং ১৩৯০৯/২৪) দায়ের করেন, যার প্রেক্ষিতে মাননীয় বিচারপতি মোঃ আকরাম হোসাইন চৌধুরী ও কেএম রাশিদুজ্জামান রাজা তিন মাসের জন্য স্থগিতাদেশ জারি করেন। পরবর্তীতে সেই স্থগিতাদেশ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ পর্যন্ত বাড়ানো হয় এবং সংশ্লিষ্ট ডিলারদের কার্যক্রম চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে, ২ জুন ২০২৫ তারিখে খালিদ হোসেন ও ইমান শেখ আরও একটি সুপ্রিম কোর্টে মতামত আবেদন (স্বারক নং ১৩.০১.০০০০.০০০.২৩০.৫৭.০০০২.২৪.২৪৬৩) দাখিল করেন। সংশ্লিষ্ট দুই ডিলারকে ওএমএস কার্যক্রম পরিচালনায় কোনো বাধা নেই। একইসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের সরকারি কৌঁসুলি (জিপি) ও খুলনার জজ কোর্টের ড. মোঃ জাকির হোসেন আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক বরাবর অনুরূপ মতামত প্রদান করেন।

তবে আদালতের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও, খালিদ হোসেন ও ইমান শেখ এখনো কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি পাননি। খুলনা আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, “মহানগরীর ১৬টি ওয়ার্ডে পরিদর্শকদের মাধ্যমে এবং ১৫টি ওয়ার্ডে ১৫ জন ডিলারের মাধ্যমে ওএমএস কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তবে উল্লিখিত দুই ডিলারের বিষয়ে আদালতের রায়ের বিষয়ে আমার জানা নেই।

এ প্রসঙ্গে ভুক্তভোগী ডিলার খালিদ হোসেন অভিযোগ করেন, জানাগেছে ১ জুলাই থেকে খুলনা খাদ্য বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ৩১টি ওয়ার্ডে ওএমএসের চাল ও আটা চোরাই পথে বিক্রি করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews