1. dailybanglarkhabor2010@gmail.com : দৈনিক বাংলার খবর : দৈনিক বাংলার খবর
মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
জনবান্ধব ও আধুনিক ভূমি ব্যবস্থাপনার কোন বিকল্প নেই-প্রধানমন্ত্রী শিশুদের সঙ্গে আনন্দে মাতলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনসার-ভিডিপির মাধ্যমে প্রতিটি গ্রাম হবে উন্নয়নের কেন্দ্র-প্রধানমন্ত্রী বেনাপোল বন্দরের কর্মচারীদের কর্মবিরতি শেষে চলমান কর্মবিরতি একমাসের জন্য স্থগিত করেছে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য জনমত গঠনের লক্ষে মতবিনিময় সভা ও লিফলেট বিতরণ কাঁচাপাট রপ্তানি বন্ধের ঘোষণায় খুলনাতে শ্রমিক অসন্তোষ; বিজেএ ভবন ভাংচুর। পূর্ব নির্ধারিত সংবাদ সম্মেলন করেছে বিজেএ খুলনায় ভূমিসেবা মেলা উদ্বোধন বটিয়াঘাটায় ৩ দিনব্যাপী ভূমিসেবা মেলার উদ্বোধন করেন – আমীর এজাজ খান (এমপি) বাগেরহাটে জায়গা দখল, চলাচলের রাস্তা বন্ধের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন পতেঙ্গায় কোস্টগার্ডের অভিযানে জেট ফুয়েলসহ জ্বালানি তেল জব্দ

শিশুদের সঙ্গে আনন্দে মাতলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:: কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনী, রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারণের গুরুগায়িত্ব আর ব্যস্ততম রুটিনের চাদর ভেঙে এক টুকরো শৈশবে ফিরে গেলেন দেশের সরকারপ্রধান। শিশুদের অনাবিল আনন্দ, উচ্ছ্বাস আর কলকাকলিতে মুখরিত এক পরিবেশে সম্পূর্ণ অন্য এক রূপে দেখা গেল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির চেয়ারম্যান ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে। তেজগাঁওয়ের ভূমি ভবনে অবস্থিত ডে কেয়ার সেন্টারে এসে তিনি মিশে গেলেন শিশুদের ভিড়ে, মেতে উঠলেন তাদের আনন্দযজ্ঞে। যেখানে রাষ্ট্রীয় প্রটোকল বা গুরুগম্ভীর পরিবেশের বদলে স্থান পেয়েছিল অনাবিল স্নেহ, ভালোবাসা আর নিষ্পাপ হাসির জয়গান।

মঙ্গলবার সকাল আনুমানিক ১১টা ১৫ মিনিটে তেজগাঁওয়ের ভূমি ভবনে ‘ভূমি সেবা সপ্তাহ-২০২৬’ এর জমকালো ও আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। উদ্বোধন পর্বের মূল আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেই তিনি আকস্মিকভাবে পরিদর্শনে যান একই ভবনে অবস্থিত একটি আধুনিক শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রে (ডে কেয়ার সেন্টার)। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নিবিড় তত্ত্বাবধানে ও ব্যবস্থাপনায় এই বিশেষ ডে কেয়ার সেন্টারটি পরিচালিত হয়ে আসছে।

এক খণ্ড শৈশবে প্রধানমন্ত্রী: প্রটোকল ভেঙে শিশুদের মাঝে

প্রধানমন্ত্রী যখন ডে কেয়ার সেন্টারের ভেতরে প্রবেশ করেন, তখন পুরো কক্ষটি ছিল শিশুদের খেলনার শব্দ, আনন্দঘন চিৎকার আর সুউচ্চ হাসিতে মুখরিত। চারদিকের চার দেয়ালে প্রতিধ্বনিত হচ্ছিল কোমলমতি শিশুদের ছুটোছুটির আওয়াজ। ঠিক এই প্রাণবন্ত ও কোলাহলপূর্ণ আবহে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রাষ্ট্রপ্রধানের উপস্থিতিতে যে কঠোর নিরাপত্তার দেয়াল সাধারণত গড়ে ওঠে, শিশুদের ভালোবাসার টানে আজ যেন তা মুহূর্তেই ভেঙে চুরমার হয়ে গেল। সমস্ত প্রটোকল ও কঠোর নিরাপত্তার বলয় দূরে সরিয়ে রেখে প্রধানমন্ত্রী শিশুদের সঙ্গে দীর্ঘ ১৮টি মিনিট সময় কাটান। এই সংক্ষিপ্ত অথচ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ সময়ে উপস্থিত সকলের কাছে মনে হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী যেন ক্ষণিকের জন্য তাঁর নিজের ব্যস্ততম জীবনের ক্লান্তি ভুলে সেই হারিয়ে যাওয়া সোনালী ও ভাবনাহীন শৈশবে ফিরে গেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর মতো একজন শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিত্বকে এত কাছে পেয়ে শিশুদের আনন্দের আর সীমা ছিল না। তারা এক অভূতপূর্ব ও অভাবনীয় উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠে। ভেতরে প্রবেশ করার পরপরই প্রধানমন্ত্রী কোনো প্রকার আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই অত্যন্ত সহজ ও সাবলীলভাবে শিশুদের সঙ্গে মিশে যান। মুহূর্তের মধ্যে সেন্টারের সব শিশু তাঁকে চারদিক থেকে ছেঁকে ধরে এবং মনের আনন্দে ঘিরে দাঁড়ায়। কোনো কোনো শিশু পরম মমতায় ও সাহসে প্রধানমন্ত্রীর দিকে হাত বাড়িয়ে দেয় করমর্দন (হ্যান্ডশেক) করার জন্য, আবার কেউ কেউ তাঁর জামার হাতা ধরে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল নিজেদের খেলনা দেখানোর জন্য।

কেক কাটা ও জন্মদিনের আনন্দ

এই আনন্দঘন পরিদর্শনের সবচেয়ে চমৎকার দৃশ্যটি তৈরি হয় যখন বেশ কয়েকজন শিশু প্রধানমন্ত্রীকে তাদের নিজেদের হাতে আঁকা নানাবর্ণের ছবি দেখাতে শুরু করে। কোনো শিশু এঁকেছে লাল-সবুজ পতাকা, কেউ বা নদী-নৌকা ও প্রকৃতির ছবি। প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে প্রতিটি শিশুর আঁকা ছবি দেখেন এবং তাদের এই সৃজনশীলতার ভূয়সী প্রশংসা করেন। এ সময় তাঁর মুখে ছিল এক চিলতে তৃপ্তির ও পরম স্নেহের হাসি। কখনো তিনি মমতায় শিশুদের মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছিলেন, আবার কখনো শিশুদের আধো-আধো কথার চমৎকার জবাবে প্রাণখুলে হেসে উঠছিলেন।

এক পর্যায়ে ডে কেয়ার সেন্টারের মাঝখানে শিশুদের নিয়ে টেবিলের চারপাশে জড়ো হন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তাদের জন্য একটি দৃষ্টিনন্দন কেক রাখা ছিল। প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত সকল শিশুকে সঙ্গে নিয়ে সমবেত কণ্ঠে কেক কাটেন। তবে আনন্দের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিতে প্রধানমন্ত্রী নিজ হাতে শিশুদের মাঝে ললিপপ, চকোলেট, টফি এবং বিভিন্ন উপহার সামগ্রী ভর্তি সুন্দর গিফট ব্যাগ বিতরণ করেন। চকোলেট ও টফি বিতরণের সময় প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত চঞ্চল ও কৌতুকপূর্ণ সুরে শিশুদের উদ্দেশ্যে জিজ্ঞেস করেন, আর কেউ কি বাকি আছে? তোমরা সবাই পেয়েছ তো?

ঠিক তখনই প্রধানমন্ত্রী শিশুদের দিকে তাকিয়ে মৃদু হেসে প্রশ্ন করেন, আচ্ছা বলতো, আজ কার জন্মদিন? প্রধানমন্ত্রীর এই প্রশ্ন শুনে অবোধ শিশুরা অত্যন্ত চমৎকারভাবে সাড়া দিয়ে একের পর এক চিৎকার করে বলতে থাকে, আঙ্কেল, আমার! আঙ্কেল, আমার! শিশুদের এমন নিষ্পাপ ও চটপটে উত্তর শুনে প্রধানমন্ত্রী হেসে ওঠেন এবং বলেন, আজকে তোমাদের সবার জন্মদিন। এসো, আমরা সবাই মিলে একসাথে কেক কাটি। এরপর দেশের সরকারপ্রধান ছোট ছোট শিশুদের হাত নিজের হাতে নিয়ে আনন্দঘন পরিবেশে কেক কাটার পর্বটি সম্পন্ন করেন।

করতালিতে মুখর চারপাশ ও শিশুর মুখে কেক গ্রহণ

কেক কাটার ঐতিহাসিক মুহূর্তটিতে পুরো ডে কেয়ার সেন্টারটি করতালির জোয়ারে ভেসে যায়। উপস্থিত শিশু ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের করতালিতে মুখরিত হয়ে ওঠে চারপাশ। শিশুরা চরম আনন্দে ও নেচে নেচে গাইতে শুরু করে, হ্যাপি হ্যাপি, হ্যাপি ডে, হ্যাপি বার্থডে। এই আনন্দ উদযাপনের এক আবেগঘন মুহূর্তে একটি ছোট্ট শিশু এক টুকরো কেক নিয়ে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মুখে তুলে দেয়। প্রধানমন্ত্রীও অত্যন্ত সানন্দে ও পরম মমতায় শিশুর হাত থেকে সেই কেক গ্রহণ করেন এবং তাকে বুকে টেনে নেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই আকস্মিক আগমন এবং পরম মমতায় মেতে ওঠার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে আরিবা নামের এক ছোট্ট শিশু তার দারুণ অভিজ্ঞতার কথা জানায়। উচ্ছ্বসিত আরিবা বলে, আমি যে প্রধানমন্ত্রী আঙ্কেলকে এত কাছ থেকে দেখতে পাব, তা কখনো ভাবিনি। আমি কত খুশি হয়েছি তা বলে বোঝাতে পারব না। আঙ্কেলের সাথে কেক খেয়ে আমার অনেক অনেক মজা হয়েছে। আঙ্কেল নিজেও কেক খেয়েছেন। সত্যি খুব আনন্দ হয়েছে আমাদের। আঙ্কেল অনেক ভালো, অনেক সুইট।

টেবিলের ওপর সাজিয়ে রাখা হরেক রকমের পুতুল, চকোলেট ও ললিপপের দিকে নির্দেশ করে ছোট্ট আরিবা আরও বলে, ঐ যে দেখ, আঙ্কেল আমাদের জন্য কত সুন্দর সুন্দর সব খেলনা আর উপহার দিয়েছেন। শিশুদের এই আনন্দ প্রকাশই প্রমাণ করে দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের এই মানবিক ও কোমল রূপটি তাদের কতটা স্পর্শ করেছে।

মানসিক বিকাশ ও পুষ্টি নিশ্চিত করার নির্দেশ

পরিদর্শনকালে ডে কেয়ার সেন্টারের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা ও শিশুদের পরিচর্যার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বিস্তারিত তথ্য জানান কেন্দ্রের দায়িত্বরত কর্মকর্তা মাহিয়া তাসনুভা তামান্না। তিনি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলেন কীভাবে এখানে শিশুদের দৈনন্দিন যত্ন নেওয়া হয় এবং তাদের প্রারম্ভিক শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়। প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে কর্মকর্তাদের বক্তব্য শোনেন এবং শিশুদের পুষ্টির ব্যাপারে খোঁজখবর নেন।

তিনি জানতে চান, শিশুদের প্রতিদিন কী ধরনের পুষ্টিকর ও সুষম খাবার সরবরাহ করা হয়। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ডে কেয়ার সেন্টার কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়ে বলেন, শিশুদের শুধুমাত্র চার দেয়ালের মাঝে আটকে না রেখে তাদের সঠিক মানসিক, সামাজিক ও শারীরিক বিকাশ নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা ও বিনোদনের ওপর বিশেষ জোর দেওয়ার তাগিদ দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর এই পরিদর্শনের সময় তাঁর সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন যে, বর্তমান সরকারের দূরদর্শী পরিকল্পনা ও সমাজকল্যাণমূলক নীতির অংশ হিসেবে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় দেশব্যাপী এই শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রগুলো পরিচালনা করছে। বর্তমানে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ও জেলায় এই ধরনের ২০টি আধুনিক ডে কেয়ার সেন্টার সাফল্যের সাথে পরিচালিত হচ্ছে, যা কর্মজীবী মায়েদের সন্তানদের নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে কাজ করছে।

ডে কেয়ার সেন্টারের কার্যপরিধি ও বিদায় মুহূর্ত

মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, এই ডে কেয়ার সেন্টারগুলোতে মূলত ৪ থেকে ৬ বছর বয়সী শিশুদের অত্যন্ত নিবিড়ভাবে সেবা ও যত্ন দেওয়া হয়। কর্মজীবী বাবা-মায়ের কর্মঘণ্টার কথা বিবেচনা করে এই কেন্দ্রগুলো প্রতিদিন টানা সাড়ে ১০ ঘণ্টা সেবা প্রদান করে থাকে। তেজগাঁওয়ের এই বিশেষ সেন্টারটিতে বর্তমানে মোট ৬০ জন শিশু নিবন্ধিত রয়েছে, যার মধ্যে আজকের এই স্মরণীয় দিনে ৫৫ জন শিশু উপস্থিত ছিল। যারা সরাসরি দেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এই ঐতিহাসিক মুহূর্তটি ভাগ করে নেওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছে।

শিশুদের সঙ্গে কাটানো এই অনাবিল আনন্দের সময় শেষে বিদায়ের ঘণ্টা বাজে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিশুদের দিকে হাত নেড়ে এবং অত্যন্ত চমৎকারভাবে “টা-টা” বলে বিদায় জানান। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী যখন কেন্দ্র ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন শিশুরা সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে তাদের ছোট্ট হাতগুলো নাড়িয়ে এবং অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে স্যালুট জানিয়ে দেশের সরকারপ্রধানকে বিদায় সম্ভাষণ জানায়।

শিশুদের এই নিষ্পাপ ও অপার্থিব হাসি, নিঃস্বার্থ ভালোবাসা আর নির্মল স্নেহের আতিথিয়তায় প্রধানমন্ত্রী যেন কিছুক্ষণের জন্য হলেও রাষ্ট্র পরিচালনার কঠিন ও কঠোর বাস্তবতার গুরুদায়িত্ব এবং মানসিক ক্লান্তি ভুলে গিয়েছিলেন। বিদায়বেলায় তাঁর চোখে-মুখে ফুটে উঠেছিল এক পরম তৃপ্তির আভা।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই পরিদর্শনের সময় মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের পাশাপাশি আরও উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের এমন শিশুবান্ধব আচরণ এবং তৃণমূল পর্যায়ে শিশুদের অধিকার ও মানসিক বিকাশের প্রতি এই গভীর মনোযোগ দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গঠনে এক যুগান্তকারী ও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট