মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
বাগেরহাট সদর উপজেলা নাগরিক কমিটির ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত পানখালীতে উত্তরণ কল প্রকল্পের উদ্যোগে বিনামূল্যে গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির টিকাদান ক্যাম্পেইন তারাকান্দা বাসস্ট্যান্ডে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও শব্দদূষণবিরোধী সচেতনতামূলক কার্যক্রম পাইকগাছায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত মণিপুরে ছড়িয়ে পড়েছে সংঘাত, পাহাড়ে তীব্র হচ্ছে সহিংসতা নিজেকে গড়ে তোলো, তাহলেই গড়ে উঠবে সুন্দর বাংলাদেশ-প্রধানমন্ত্রী জিয়া হল কমপ্লেঙ্ নির্মাণের সম্ভাবতা যাচাইয়ের লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত পরিবেশ সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহমুক্ত সমাজ গঠনে সভা পাইকগাছা পৌরসভার অন্যতম প্রধান সড়কে ভয়াবহ ধস; দ্রুত সংস্কারের দাবি বাগেরহাটে খাল দখলমুক্তের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের অবস্থান, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

গ্রাম আদালত মানুষের আইনি সেবা দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার বড় মাধ্যম: বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬
  • ১১৩ বার পড়া হয়েছে

​বাগেরহাট প্রতিনিধি:: মানুষের আইনি সেবা একদম দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার সবচেয়ে বড় মাধ্যম হলো গ্রাম আদালত। বাগেরহাটে ‘বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়)’ প্রকল্পের আওতাধীন অর্ধ-বার্ষিকী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট গোলাম মোঃ বাতেন।
​বুধবার (০৩ জুন, ২০২৬) সকাল ১১টায় বাগেরহাট জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
​জেলার স্থানীয় সরকার শাখার ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক মেজবাহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং প্রকল্পের জেলা ম্যানেজার নাজমুল হাসানের উপস্থাপনায় সভায় বিগত ছয় মাসের গ্রাম আদালতের মামলার একটি বিস্তারিত তথ্যচিত্র বা চিত্র প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।
​সভায় বক্তারা গ্রাম আদালতের নানান দিক, সাফল্য ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন:
​প্রশাসনিক কর্মকর্তা অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জয়দেব হুই বলেন, ইউনিয়ন পরিষদগুলোতে ‘হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর’ নিয়োগ সম্পন্ন হলে গ্রাম আদালতের কাজ আরও অনেক সহজ হবে এবং লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে।
​কচুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আলী হাসান জানান, যেসকল ইউনিয়নে বর্তমানে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া আছে, সেখানে গ্রাম আদালতের মামলার সংখ্যা তুলনামূলক কম এবং মামলা নিষ্পত্তির গতিও কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে।
​চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) খাদিজা আক্তার আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “গত মাসের চেয়ে চলতি মাসে আমার উপজেলায় সরাসরি মামলার সংখ্যা বেড়েছে। আগামী মাসে এই সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং মানুষ আরও বেশি আইনি সেবা পাবে।”
​সভায় মাঠপর্যায়ের নানা অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ তুলে ধরে আরও বক্তব্য রাখেন ফকিরহাটের ইউএনও রোকনুজ্জামান এবং রামপালের ইউএনও তামান্না ফেরদৌসী।
​সভায় বক্তারা একমত পোষণ করেন যে, গ্রাম আদালত পুরোপুরি সক্রিয় থাকলে গ্রামীণ এলাকার ছোটখাটো বিরোধ ঘরের কাছেই সহজে নিষ্পত্তি করা সম্ভব। বিশেষ করে বাগেরহাট জেলায় শূন্য পদে ‘হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর’ নিয়োগ দেওয়া হলে গ্রাম আদালতের কার্যক্রম আরও একধাপ এগিয়ে যাবে।
​উক্ত অর্ধ-বার্ষিকী সভায় বাগেরহাট জেলার নয়টি উপজেলার উপজেলা সমন্বয়কারীগণ এবং প্রকল্পের জেলা প্রোগ্রাম অ্যান্ড ফিন্যান্স অ্যাসিস্ট্যান্ট উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews