1. dailybanglarkhabor2010@gmail.com : দৈনিক বাংলার খবর : দৈনিক বাংলার খবর
শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
গ্রাম আদালত মানুষের আইনি সেবা দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার বড় মাধ্যম: বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিধরের বিরুদ্ধে ৪০ দিনের লড়াই ‘ছেলেখেলা নয়’ সংসদ এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার, মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ ১৪ জুন কক্সবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান তারাকান্দায় ছাত্রদল নেতা সুজার আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত চিতলমারীতে ব্যবসায়ী রিপন মন্ডলের উপর হামলার ঘটনায় বিএনপি’র নিন্দা খুলনায় পরিবেশ দিবস পালিত শিল্পখাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার জোরদার করতে মোংলায় মানববন্ধন পুশ-ইন প্রতিরোধে সীমান্ত এলাকায় কোস্টগার্ডের নজরদারি জোরদার

গ্রাম আদালত মানুষের আইনি সেবা দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার বড় মাধ্যম: বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

​বাগেরহাট প্রতিনিধি:: মানুষের আইনি সেবা একদম দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার সবচেয়ে বড় মাধ্যম হলো গ্রাম আদালত। বাগেরহাটে ‘বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়)’ প্রকল্পের আওতাধীন অর্ধ-বার্ষিকী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট গোলাম মোঃ বাতেন।
​বুধবার (০৩ জুন, ২০২৬) সকাল ১১টায় বাগেরহাট জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
​জেলার স্থানীয় সরকার শাখার ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক মেজবাহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং প্রকল্পের জেলা ম্যানেজার নাজমুল হাসানের উপস্থাপনায় সভায় বিগত ছয় মাসের গ্রাম আদালতের মামলার একটি বিস্তারিত তথ্যচিত্র বা চিত্র প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।
​সভায় বক্তারা গ্রাম আদালতের নানান দিক, সাফল্য ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন:
​প্রশাসনিক কর্মকর্তা অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জয়দেব হুই বলেন, ইউনিয়ন পরিষদগুলোতে ‘হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর’ নিয়োগ সম্পন্ন হলে গ্রাম আদালতের কাজ আরও অনেক সহজ হবে এবং লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে।
​কচুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আলী হাসান জানান, যেসকল ইউনিয়নে বর্তমানে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া আছে, সেখানে গ্রাম আদালতের মামলার সংখ্যা তুলনামূলক কম এবং মামলা নিষ্পত্তির গতিও কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে।
​চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) খাদিজা আক্তার আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “গত মাসের চেয়ে চলতি মাসে আমার উপজেলায় সরাসরি মামলার সংখ্যা বেড়েছে। আগামী মাসে এই সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং মানুষ আরও বেশি আইনি সেবা পাবে।”
​সভায় মাঠপর্যায়ের নানা অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ তুলে ধরে আরও বক্তব্য রাখেন ফকিরহাটের ইউএনও রোকনুজ্জামান এবং রামপালের ইউএনও তামান্না ফেরদৌসী।
​সভায় বক্তারা একমত পোষণ করেন যে, গ্রাম আদালত পুরোপুরি সক্রিয় থাকলে গ্রামীণ এলাকার ছোটখাটো বিরোধ ঘরের কাছেই সহজে নিষ্পত্তি করা সম্ভব। বিশেষ করে বাগেরহাট জেলায় শূন্য পদে ‘হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর’ নিয়োগ দেওয়া হলে গ্রাম আদালতের কার্যক্রম আরও একধাপ এগিয়ে যাবে।
​উক্ত অর্ধ-বার্ষিকী সভায় বাগেরহাট জেলার নয়টি উপজেলার উপজেলা সমন্বয়কারীগণ এবং প্রকল্পের জেলা প্রোগ্রাম অ্যান্ড ফিন্যান্স অ্যাসিস্ট্যান্ট উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট