মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
ইসরায়েলি নাগরিক পেলেই তাৎক্ষণিকভাবে বহিষ্কার করা হবে-মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, সভাপতিত্ব করবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দেশীয় প্রযুক্তিতে ভেন্টিলেটর ও অক্সিজেন মেশিন উদ্ভাবন, উদ্যোক্তাদের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর গ্যাস সংকট নিরসনে মালয়েশিয়ার সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী কোস্টগার্ডের অভিযানে ইয়াবাসহ তিন মাদককারবারি আটক বাগেরহাট সদর উপজেলা নাগরিক কমিটির ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত পানখালীতে উত্তরণ কল প্রকল্পের উদ্যোগে বিনামূল্যে গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির টিকাদান ক্যাম্পেইন তারাকান্দা বাসস্ট্যান্ডে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও শব্দদূষণবিরোধী সচেতনতামূলক কার্যক্রম পাইকগাছায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত মণিপুরে ছড়িয়ে পড়েছে সংঘাত, পাহাড়ে তীব্র হচ্ছে সহিংসতা

জাতিসংঘ মিশনে সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশকে আধুনিকায়নের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬
  • ৯৩ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিবেদক:: ভবিষ্যতের আন্তর্জাতিক শান্তি রক্ষা মিশনগুলোকে আরও আধুনিক, দূরদর্শী ও প্রযুক্তিনির্ভর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশন এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক দায়িত্বে পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করার জন্য বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশ বাহিনীকে যুগের উপযোগী করে আধুনিকায়ন করছে সরকার।

বুধবার সকালে ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে ‘আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এই ঘোষণা দেন। প্রতি বছর ২৯ মে বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালিত হলেও, পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটির কারণে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক আজ ১০ জুন বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে এই দিবসটি উদযাপিত হয়।

বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ত্যাগকে স্মরণ

অনুষ্ঠানের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশ্বজুড়ে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার মহান দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে জীবন উৎসর্গকারী সকল বীর শান্তিরক্ষীদের গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।

তিনি অত্যন্ত আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, ১৯৮৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত জাতিসংঘের বিভিন্ন শান্তি রক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনকালে বাংলাদেশের ১৭৫ জন বীর শান্তিরক্ষী শাহাদাত বরণ করেছেন এবং বহু সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি এই বীর শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘের পতাকাতলে শান্তি রক্ষা মিশনের সদস্য হিসেবে আমাদের বীর সেনানীদের এই আত্মত্যাগ কেবল বাংলাদেশের জন্য নয়, বরং সারা বিশ্বের যুদ্ধবিরোধী এবং শান্তিপ্রিয় মানুষের জন্য এক উজ্জ্বল ও চিরন্তন দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

তিনি আরও যোগ করেন, এই সর্বোচ্চ ত্যাগ প্রমাণ করে যে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা কেবল নিজের দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ নন, বরং বিশ্বমঞ্চে যেকোনো মূল্যে শান্তি ও মানবতা রক্ষায় তারা নিজেদের জীবন বিলিয়ে দিতে দ্বিধাবোধ করেন না।

গৌরব অর্জনের কঠিন পথ ও ত্যাগী ইতিহাস

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা আজ যে গৌরব, সাফল্য এবং বিশ্বজোড়া স্বীকৃতি অর্জন করেছেন, তা একদিনে বা সহজে আসেনি। অত্যন্ত প্রতিকূল পরিবেশ, নানান সীমাবদ্ধতা এবং জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কঠিন ও জটিল সব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে এই মানবিক দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে।

বিগত চার দশক ধরে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী বিশ্ব দরবারে এক অনন্য আস্থা ও নির্ভরযোগ্যতার নাম হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে। দূর প্রবাসে পরিবার-পরিজন ছেড়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত ও চরম ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নিয়োজিত শান্তিরক্ষীদের নিষ্ঠা, অসীম সাহস এবং অনন্য পেশাদারিত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী।

সংখ্যা ও পরিসংখ্যানে জাতিসংঘে বাংলাদেশের অবদান

বাংলাদেশ বর্তমানে জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে অন্যতম শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ। অনুষ্ঠানে দেশের সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশের এই বিশাল অবদানের কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়।

এ পর্যন্ত বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশের ২ লাখেরও বেশি সদস্য পৃথিবীর ৪৩টি দেশে প্রায় ৬৩টি শান্তি রক্ষা মিশন সফলতার সাথে সম্পন্ন করেছেন।

বর্তমানে বিশ্বের ১০টি ভিন্ন ভিন্ন মিশনে প্রায় ৫,৮৬০ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী অত্যন্ত সততা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। হাইতিতে একটি নতুন শান্তি রক্ষা মিশনে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশের প্রস্তুতি ও প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

বাংলাদেশের মোট শান্তিরক্ষীদের মধ্যে প্রায় ১১ শতাংশ নারী সদস্য। যুদ্ধবিধ্বস্ত ও সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে পুরুষ সহকর্মীদের পাশাপাশি তারা অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন, যা আন্তর্জাতিক মহলে বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে।

সশস্ত্র বাহিনীর ঐতিহাসিক গৌরব ও অতীত ষড়যন্ত্রের চিত্র

সশস্ত্র বাহিনীকে একটি দেশের স্বাধীনতা, মর্যাদা এবং সাহসের প্রতীক হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে সেনাবাহিনীর ভূমিকা ছিল ঐতিহাসিক।

তিনি সগৌরবে স্মরণ করেন যে, সেনাবাহিনীর একজন মেজরের (শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান) ঘোষণার মাধ্যমেই বাংলাদেশের স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক ডাক দেওয়া হয়েছিল। এই গৌরব ও ঐতিহ্য আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর জন্য চিরন্তন অনুপ্রেরণার উৎস। তাই এই ঐতিহ্য ও গৌরব যাতে কোনোভাবেই ম্লান না হয়, তা রক্ষা করা প্রতিটি সেনাসদস্যের পবিত্র দায়িত্ব।

প্রধানমন্ত্রী দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, বিভিন্ন সময়ে দেশী ও বিদেশী চক্র সশস্ত্র বাহিনীকে নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং এর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার নানামুখী অপচেষ্টা চালিয়েছে। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর স্বাধীনতার ঘোষকের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী ঐক্যবদ্ধ হয়ে সমস্ত দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চক্রান্ত নস্যাৎ করে দিয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতেও বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ঘটনার মাধ্যমে সশস্ত্র বাহিনীর এই সুদৃঢ় ঐক্য বিনষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছে। যার সবচেয়ে বড় ও বর্বরোচিত আঘাতটি এসেছিল ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে (পিলখানা হত্যাকাণ্ড)। সেই হামলায় বাংলাদেশের কী অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছিল, তা আমরা সবাই জানি। তাই ইউনিফর্মধারী বাহিনীর জন্য সবচেয়ে বড় শিক্ষা ও মূল বার্তা হলো- পেশাদারিত্ব, ঐক্য, শৃঙ্খলা এবং চেইন অব কমান্ড ছাড়া সসম্মানে ও মর্যাদার সাথে টিকে থাকা অসম্ভব।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যৎ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, বর্তমান ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে প্রতিটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান এবং সাংবিধানিক সংস্থা নিজেদের নতুন শক্তিতে বলীয়ান ও পুনর্প্রতিষ্ঠিত করার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছে।

তিনি দেশের সকল সরকারি কর্মকর্তা, বেসামরিক প্রশাসন এবং সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা প্রত্যেকেই এই স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক। দেশ হোক কিংবা বিদেশ- আমরা যে যেখানেই যে দায়িত্ব পালন করছি না কেন, তা যেন অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে সুচারুভাবে সম্পন্ন করি, এটাই হোক আজকের দিনে আমাদের প্রধান অঙ্গীকার।

আধুনিক বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ, সাইবার যুদ্ধ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

বর্তমান পরিবর্তনশীল ভূ-রাজনীতি এবং প্রযুক্তির অভাবনীয় ও দ্রুতগতির অগ্রসরের কারণে আন্তর্জাতিক শান্তি রক্ষা কার্যক্রম দিন দিন আরও জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি আধুনিক যুগের নতুন নতুন নিরাপত্তা হুমকির কথা তুলে ধরে বলেন, এখন আর শান্তি রক্ষা মিশন কেবল প্রচলিত যুদ্ধক্ষেত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এর সাথে যুক্ত হয়েছে নতুন মাত্রার কিছু আধুনিক প্রতিবন্ধকতা, যেমন সাইবার যুদ্ধ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার, গণমাধ্যমে অপপ্রচার ও ভুয়া তথ্য, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক নিরাপত্তা হুমকি।

এই জটিল বাস্তবতার দিকে নজর রেখেই বাংলাদেশ সরকার তার ভবিষ্যৎ শান্তি রক্ষা মিশনগুলোকে আরও আধুনিক, দূরদর্শী ও সম্পূর্ণ প্রযুক্তিনির্ভর হিসেবে গড়ে তোলার ওপর জোর দিচ্ছে। সেই লক্ষ্যেই সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশকে আধুনিক সমরাস্ত্র ও উন্নত প্রযুক্তির প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রস্তুত করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও বিশ্বশান্তির অঙ্গীকার

বাংলাদেশ সর্বদা বহুপাক্ষিক কূটনীতি এবং জাতিসংঘের সনদের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা পোষণ করে। প্রধানমন্ত্রী পুনর্ব্যক্ত করেন যে, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যেকোনো ধরনের আগ্রাসন ও সংঘাতের বিরুদ্ধে এবং একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়ে তোলার পক্ষে দৃঢ় অবস্থান ধারণ করে।

বাংলাদেশের সংবিধানের আলোকে বিশ্বশান্তি, আন্তর্জাতিক সহাবস্থান এবং ন্যায়বিচারের নীতিমালার প্রতি দেশের অটুট প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সর্বদা বিশ্বাস করে- সকল জাতি ও দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের মাধ্যমেই বিশ্বে টেকসই শান্তি আনা সম্ভব।

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান ও গৌরব অক্ষুণ্ন রাখার প্রত্যয়

বক্তব্যের শেষ প্রান্তে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আশা প্রকাশ করেন যে, বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা যেভাবে তাদের আন্তরিকতা, কর্তব্যপরায়ণতা এবং উচ্চমানের পেশাদারিত্বের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে দেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন, সেই ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, শান্তি রক্ষা মিশনের প্রতিটি সদস্য আসলে বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের একেকজন দূত। তাদের আচরণ ও দক্ষতার ওপর দেশের সম্মান ও মর্যাদা নির্ভর করে। তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, আগামী দিনেও যারা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দায়িত্ব পালন করতে যাবেন, তারা পূর্বসূরিদের গৌরবময় ইতিহাস অক্ষুণ্ন রেখে বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের সুনাম আরও বৃদ্ধি করবেন।

বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান ও সুধী সমাবেশ

আজকের এই স্মরণীয় অনুষ্ঠানে সেনাকুঞ্জে এক সুধী সমাবেশের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর গৌরবময় অবদান ও দীর্ঘ যাত্রার ওপর নির্মিত একটি বিশেষ ও তথ্যবহুল প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে শান্তি রক্ষা মিশনে কর্তব্যরত অবস্থায় শাহাদাত বরণকারী বীর শান্তিরক্ষীদের পরিবার এবং বিভিন্ন মিশনে অংশ নিয়ে আহত হওয়া সেনাসদস্যদের হাতে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ স্মারক ক্রেস্ট তুলে দেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ব্রিগেডার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামসুল ইসলাম এবং সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

এছাড়া অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধানদ্বয়, সশস্ত্র বাহিনীর পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনৈতিক কোরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। পুরো অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews