সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
বিশ্বকাপে অপ্টার পূর্বাভাস বাস্তবে কতটা মিলল? মার্কিন হামলার জবাবে ইরানের পাল্টা আঘাত, কাঁপছে পুরো মধ্যপ্রাচ্য ব্যাংক হিসাবে হঠাৎ ৭৫৯ কোটি, চোখ কপালে দরিদ্র গৃহবধূর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে স্বর্ণপদকজয়ী অলিম্পিয়াড শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎ শেখ হাসিনার এক বছরের খাবার খরচই ছিল ৩৫ কোটি টাকা-সংসদে অর্থমন্ত্রী সাবেক স্পিকার জমির উদ্দিন সরকারকে প্রধানমন্ত্রীর শেষ শ্রদ্ধা দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মাথাভাঙ্গায় আলুতলা স্লুইচ গেটের সংস্কার কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন কেসিসি প্রশাসক দাকোপে গ্রামীন সড়কে চলছে গ্যাসের সিলিন্ডারবাহী ভারী ট্রাক: ঝুঁকিপূর্ন চলাচল বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে পাইকগাছায় ৬ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের শ্রেষ্ঠত্ব পুরস্কার

বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে খুলনা সিটি মেডিকেল হাসপাতালে আগুনের সূত্রপাত

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬
  • ৬২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি:: বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অগ্নিকান্ডের সূচনা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও ফায়ার বিভাগ। দুপুর ১২টা পর্যন্ত অগ্নিকান্ডের রহস্য উন্মোচনে কোনো তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়নি। অগ্নিকান্ডের ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে একটি জিডি করা হয়েছে। উদ্ধার অভিযান পুরোপুরি শেষ হয়েছে ফজরের সময়। ওই হাসপাতালে থাকা ২৫০ জনেরও অধিক রোগীকে আশপাশের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ৭ জন ফায়ার কর্মী আহত হয়েছেন। অগ্নিকান্ডের পর ওই হাসপাতালের সকল কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের কাজ চলছে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।
শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, উৎসুক মানুষের ভিড়। পোড়া ভবন দেখতে সকাল থেকেই সেখানে মানুষ ভিড় করেন। কেউ ভেতরে যাওয়ার চেষ্টা করছেন আবার কেউ দূর থেকে দেখে আগুন লাগার কারণ জিজ্ঞাসা করছেন।
আবার হাসপাতালে প্রবেশের মূল ফটকের পাশে অপর বিল্ডিংয়ের সামনে দেখা যায় রোগীদের ফেলে যাওয়া মালামাল ও ট্রিটমেন্ট স্লিপ দিচ্ছেন হাসপাতালের কর্তৃপক্ষরা।
হাসপাতালে উপস্থিত ম্যানেজার (এডমিন) হামিদুল ইসলাম জানান, হাসপাতালের বেজমেন্ট থেকে রাতে অগ্নিকান্ডের সূচনা হয়। বেজমেন্টের ওপরে দ্বিতীয় তলায় রয়েছে জেনারেটরের কক্ষ আর বেজমেন্টে রয়েছে অঙ্েিজন প্লান্ট।
তিনি জানান, অগ্নিকান্ডের কারণ উদঘাটন করতে এখনও পর্যন্ত কোনো তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়নি। আগুনে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে এখানকার দু’টি অঙ্েিজন প্লান্ট, দু’টি জেনারেটর, কিছু মেডিসিন, আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তিনি নির্দিষ্ট করে বলতে পারেননি। তবে নিরূপণের কাজ চলছে বলে তিনি জানান।
হামিদুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালে ২৫০ জনের উপরে রোগী ভর্তি ছিলেন। তাদের মধ্যে অনেকেই আইসিইউ সাপোর্টে ছিলেন। হাসপাতালে ভর্তি সব রোগীদেরকে খুলনার আদ-দ্বীন, নার্গিস মেমোরিয়াল ও গাজী মেডিকেল কলেজ, ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অগ্নিকান্ডে কোন রোগী ও কর্মকর্তা কর্মচারীদের ক্ষতি হয়নি বলে জানান এ কর্মকর্তা।
এই হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে নেওয়ার পর কোন রোগীর মৃত্যু হয়েছে কিনা জানতে চাইলে এই কর্মকর্তা বলেন, এ ধরণের কোন তথ্য আমাদের কাছে নেই। রাতে এ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা: আবু আশফাক, পরিচালক মোস্তফা কামাল ও রফিকুল ইসলাম বাবলুসহ অন্যান্য কর্মকর্তা রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা সকালেও এসে সার্বিক খোঁজ খবর নিয়েছেন। এছাড়া পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, সিআইডি, পিআইবিসহ প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন। ফজরের আজান শেষে উদ্ধার কার্যক্রম পুরোপুরি শেষ হয়।
টুটপাড়া ফায়ার স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো: জাকির হোসেন জানান, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে হাসপাতালে অগ্নিকান্ডের ঘটনাটি ঘটে। জেনারেটর রুম থেকে আগুন লেগে পাইপের মাধ্যমে তা হাসপাতালের পুরো ভবনে ধোয়া ছড়িয়ে পড়ে। আগুন নেভাতে গিয়ে তাদের ৭ জন ফায়ার ফাইটার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজনের হাত কেটে গেছে। অন্যান্যরা শ্বাস কষ্টে ভুগছেন।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews