সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
বিশ্বকাপে অপ্টার পূর্বাভাস বাস্তবে কতটা মিলল? মার্কিন হামলার জবাবে ইরানের পাল্টা আঘাত, কাঁপছে পুরো মধ্যপ্রাচ্য ব্যাংক হিসাবে হঠাৎ ৭৫৯ কোটি, চোখ কপালে দরিদ্র গৃহবধূর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে স্বর্ণপদকজয়ী অলিম্পিয়াড শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎ শেখ হাসিনার এক বছরের খাবার খরচই ছিল ৩৫ কোটি টাকা-সংসদে অর্থমন্ত্রী সাবেক স্পিকার জমির উদ্দিন সরকারকে প্রধানমন্ত্রীর শেষ শ্রদ্ধা দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মাথাভাঙ্গায় আলুতলা স্লুইচ গেটের সংস্কার কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন কেসিসি প্রশাসক দাকোপে গ্রামীন সড়কে চলছে গ্যাসের সিলিন্ডারবাহী ভারী ট্রাক: ঝুঁকিপূর্ন চলাচল বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে পাইকগাছায় ৬ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের শ্রেষ্ঠত্ব পুরস্কার

ভারী বৃষ্টি ও উজানের ঢলে ১৪ জেলায় প্লাবনের শঙ্কা আমার সংবাদ ডেস্ক

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬
  • ৫৬ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক:: টানা ভারী বৃষ্টিপাত এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে দেশের বিভিন্ন নদ-নদীর পানি আগামী কয়েক দিনে দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে। এতে চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের অন্তত ১৪ জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে সাময়িকভাবে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি ও প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সোমবার বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এক বিশেষ পূর্বাভাসে এই তথ্য জানিয়েছে।

সংস্থার নিয়মিত বুলেটিনে বলা হয়েছে, বর্তমানে দেশের সব প্রধান নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে আগামী পাঁচ দিনে সিলেট, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম বিভাগ এবং সংলগ্ন ভারতের ত্রিপুরা ও মেঘালয় অঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এই কারণে সংশ্লিষ্ট নদীগুলোর পানি দ্রুত বাড়তে পারে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানায়, চট্টগ্রাম বিভাগের গোমতী, মুহুরী, ফেনী, সেলোনিয়া, হালদা, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি আগামী তিন দিনে দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে। আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এসব নদীর পানি বান্দরবান, কক্সবাজার, ফেনী, চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ির কিছু স্থানে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এতে এসব জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীর কিছু নিম্নাঞ্চলও সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।

অন্যদিকে সিলেট ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের মনু, ধলাই, খোয়াই, কংস, সারিগোয়াইন, সোমেশ্বরী ও যাদুকাটা নদীর পানি আগামী কয়েক দিনে দ্রুত বাড়তে পারে। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, নেত্রকোণা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলার কয়েকটি পয়েন্টে নদীর পানি সতর্কসীমায় পৌঁছাতে পারে। এর ফলে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও সাময়িক জলাবদ্ধতা ও প্লাবনের আশঙ্কা রয়েছে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি স্থিতিশীল থাকলেও যমুনার পানি কিছুটা বেড়েছে। আগামী দুই দিন পানি কমে পরবর্তী তিন দিন আবার বাড়তে পারে, তবে নদীটি বিপৎসীমার নিচেই থাকবে। একই সময়ে গঙ্গা-পদ্মার পানিও স্থিতিশীল থাকার পর পরবর্তী দুই দিনে কিছুটা বাড়তে পারে, তবে সেখানেও আপাতত বিপৎসীমা অতিক্রমের আশঙ্কা নেই। রংপুর অঞ্চলের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। আগামী এক দিন এই ধারা অব্যাহত থাকার পর আবার পানি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংস্থা জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২৪০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে কক্সবাজারে। এ ছাড়া বান্দরবানের লামায় ২০৬ মিলিমিটার, কক্সবাজারের টেকনাফে ১৬২ মিলিমিটার এবং চট্টগ্রামে ১১৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। একই সময়ে ভারতের মেঘালয়ের আর কে এম সোহরায় ৭৭ মিলিমিটার, মাওসিনরামে ৬৯ মিলিমিটার এবং চেরাপুঞ্জিতে ৫৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে এবং নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews