বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
মরক্কোর প্রতিশোধ, নাকি ফ্রান্সের পুনরাবৃত্তি কুয়েত ও বাহরাইনে ফের হামলা চালাল ইরান পদোন্নতি পেয়ে যুগ্মসচিব হলেন ১৭২ কর্মকর্তা সুরা বাকারার ২৯ নং আয়াত থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর খুলনায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত কোস্টগার্ডের আয়োজনে বৃক্ষরোপণ অভিযান কর্মসূচির উদ্বোধন অবশেষে বেনাপোলে এসিল্যান্ডের হস্তক্ষেপে বাড়ি নির্মাণ কাজে বাধা কাটল বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডুবি, নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধার অভিযানে নৌবাহিনীর জাহাজ বাগেরহাট চেম্বার অব কমার্সের নতুন কমিটির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় সড়ক নির্মাণে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় দুর্ভোগ; ইউএনওর কাছে আবেদন

অবশেষে বেনাপোলে এসিল্যান্ডের হস্তক্ষেপে বাড়ি নির্মাণ কাজে বাধা কাটল

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

বেনাপোল প্রতিনিধি:: যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোলের ভবারবেড় গ্রামে বাড়ি নির্মাণে প্রতিবেশীর করা একাধিক মামলার কারণে ব্যবসায়ী মাসুম হোসেনের চলমান বাড়ির নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যায়। অবশেষে শার্শা উপজেলার সহকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়াজ মাখদুম এর হস্তক্ষেপে ব্যবসায়ী মাসুম হোসেন নির্বিঘ্নে তার বাড়ি কাজ করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, প্রতিহিংসাবশতি প্রতিবেশী সাইফুল ইসলাম মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দিয়ে তাকে আর্থিক ও সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টায় প্রতিবেশী মাসুমের নামে একাধিক মামলা করে।

স্থানীয়রা আরো জানায়, প্রায় সাত বছর আগে ভবারবেড় ৮৮ নম্বর মৌজার আরএস দাগ নং ৬১২-এর ৬ দশমিক ৪৫ শতাংশ জমি ক্রয় করেন মাসুম হোসেন। তিন মাস আগে ওই জমিতে পাকা বাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু করলে প্রতিবেশী সাইফুল ইসলাম আদালতে মিথ্যা মামলা করে নির্মাণকাজ স্থগিত করে দেন। এ ঘটনায় মাসুমের পক্ষে আজ শার্শা উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়াজ মাখদুম বাড়ির করতে কোন বাধা নেই বলে জানান।

এদিকে আজ ৯ জুলাই শার্শা উপজেলা ভূমি অফিসের তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, অভিযোগ অনুযায়ী সরকারি জমির সঙ্গে মাসুম হোসেনের ক্রয়কৃত জমির কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সরকারি খাস জমির অংশ দীর্ঘদিন ধরে অন্য ব্যক্তিদের দখলে রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট জমিতে বিবাদীপক্ষের কোনো অবৈধ দখলের প্রমাণ মেলেনি।

জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মাসুম হোসেনের মানহানি এবং আর্থিক ক্ষতি সাধনের লক্ষ্যে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪, ১৪৫ ও ১৩৩ ধারাসহ বিভিন্ন আইনে একাধিক মামলা করা হয়েছে।

মাসুম হোসেন বলেন, “আমি বৈধভাবে জমি কিনেছি। অথচ একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাকে হয়রানি করা হচ্ছে। এমনকি আমার কাছে মোটা অংকের টাকা চাঁদাও দাবি করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আমি সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে থানায় চাঁদাবাজির একটি মামলা ও করেছি। প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার ও চেয়েছি।”

অন্যদিকে সাইফুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, “মাসুম হোসেন সরকারি জমি দখল করে বাড়ি নির্মাণ করছেন। এ বিষয়ে তদন্তের জন্যই প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছি।”

শার্শা উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়াজ মাখদুম বলেন, বেনাপোল ৮৮ নম্বর ভবারবেড় মৌজায় একটি জমি নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিবাদ চলে আসছে। সরেজমিনে তদন্তের জন্য ঘটনাস্থলে এসে প্রাথমিকভাবে দুপক্ষকে বুঝিয়ে শান্ত থাকতে বলা হয়েছে। আর মাসুদ সাহেবের নির্মাণধীন বাড়ির পশ্চিম পার্শ্বদিয়ে অভিযোগকারী সাইফুল যে গলি দিয়ে যাতায়াত করেন সে গলিটি আপাতত বন্ধ না কর উম্মুক্ত রাখার অনুরোধ করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। অপরদিকে মাসুমের নির্মাণাধীন বাড়ির পশ্চিম পাশের বাড়ির পশ্চিম পাশের গা ঘেঁষে ১৯৬২ সালের ম্যাপ অনুযায়ী একটি রাস্তা রয়েছে। যেটা যাচাই-বাছাই শেষে রাস্তাটি বের করে এলাকার সাধারণ মানুষের চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে বলে তিনি জানান।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews