1. dailybanglarkhabor2010@gmail.com : দৈনিক বাংলার খবর : দৈনিক বাংলার খবর
সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন

ঘোড়াঘাটে যমজ দুই বোনচান্স পেলেন মেডিকেলে।

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১০৪ বার পড়া হয়েছে

সাহারুল ইসলাম ঘোড়াঘাট দিনাজপুর প্রতিনিধি:: দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে একসঙ্গে জন্ম, একসঙ্গে বেড়ে ওঠা। প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিকে পড়েছেন একই প্রতিষ্ঠানে। সব ক্ষেত্রে দুজনের ফলাফলও একই। যমজ দুই বোন এবার একসঙ্গে সুযোগ পেয়েছেন মেডিকেলে পড়ার। তবে আলাদা প্রতিষ্ঠানে। মুতমাইন্না সারাহ ঢাকা মুগদা মেডিকেল কলেজে এবং মুমতাহিনা সামিহা সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য মনোনীত হয়েছেন। দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট উপজেলার সিংড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাজ্জাদ হোসেন ও দিনাজপুর জেলা স্কুলে সিনিয়র শিক্ষক তাহারিমা আকতার দম্পতির যমজ কন্যাদের সাফল্যে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে আনন্দের জোয়ার বয়ে চলছে। চেহারা-গড়ন, চালচলনের মতো দুই বোনের পড়াশোনার যাত্রাটাও যেন এক যুগল পথচলা। শিক্ষা জীবনের শুরু থেকেই অত্যন্ত মেধাবী সারাহ ও সামিহার আগে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় সব বিষয়ে জিপিএ-৫ অর্জন করেন। শিক্ষাজীবনে তারা দুজনে দিনাজপুর গভর্নমেন্ট গার্লস হাইস্কুল ও দিনাজপুর সরকারি কলেজে পড়াশোনা করেছেন। ধারাবাহিক সাফল্যে উচ্ছ্বসিত দুই বোন মেডিকেল কলেজে ভর্তির যোগ্যতা অর্জন করায় অভিন্ন ভাষায় জানান, প্রতিটি বিষয়ের মতো পড়াশোনার বেলায় দুই বোন একই মতের ছিলেন। দিনরাত নাওয়া-খাওয়া-ঘুম হারাম করে ১৮-২০ ঘণ্টা পড়াশোনা করার রেকর্ড তাদের নেই। তবে যতটুকু পড়েছেন, নিয়ম মেনে বুঝেশুনে পড়েছেন। কোনো দিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনুপস্থিত ছিলেননা।
শিক্ষকদের প্রতিটি কথা মনোযোগসহকারে শোনার পাশাপাশি লিখে রেখেছেন।


দিনাজপুর জেলা স্কুলের ইংরেজি বিভাগের সিনিয়র শিক্ষক তাহারিমা আকতার মেয়েদের সাফল্যে দারুণ উচ্ছ্বসিত। তিনি বলেন, আমাদের এক ছেলে দুই মেয়ে। বড় ছেলে তাহমীদ বিন সাজ্জাদ রংপুর মেডিকেল কলেজের শেষ বর্ষের ছাত্র। সারাহ-সামিহার বাবা ঘোড়াঘাট উপজেলার সিংড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও বিরামপুর বিএম কলেজের প্রভাষক। তিনি বলেন, ছেলের মতো যমজ দুই মেয়ে ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনায় খুব আগ্রহী। কেউ কারো থেকে দুই বা এক নম্বর কম পেলে, পরের পরীক্ষায় দেখা যেত সে অন্যজনকে ছাড়িয়ে গেছে। এভাবে প্রতিযোগিতামূলকভাবেই চলে ওদের পড়ালেখা। এই বছর এইচএসসি পাসের পর শুরু হয় দুজনের মেডিকেল প্রস্তুতি। দুইজন একসঙ্গে পড়েছে। একে অপরকে সহায়তা করেছে। সাফল্যও এসেছে। বাবা হিসেবে মেয়েদের এমন সাফল্য দেখার অনুভূতি দারুণ।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট